বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের জাতীয় সংগঠন

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি। এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়। যেখানে একজন সভাপতি ও ৭ জন সহ-সভাপতি থাকে।[১]

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
সংক্ষেপেবিজিএমইএ
গঠিত১৯৭৭
ধরনবাণিজ্যিক সমিতি
সদরদপ্তরঢাকা
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা, ইংরেজি
প্রেসিডেন্ট
রুবানা হক
অনুমোদন
ওয়েবসাইটbgmea.com.bd

ইতিহাসসম্পাদনা

এই সমিতি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১২ জন সদস্য নিয়ে এটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০।[১]

কার্যক্রমসম্পাদনা

বিজিএমইএ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ বা বিদেশে অনুষ্ঠিত বস্ত্রমেলায় এর সদস্যদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা, বিদেশি ক্রেতা, ব্যবসায়ী সমিতি ও চেম্বারের সাথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা, তৈরি পোশাক শিল্প সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে তা এর সদস্য, বস্ত্র ক্রেতা ও অন্যান্য ব্যবহারকারীদেরকে সরবরাহ করা। এছাড়াও বিজিএমইএ পোশাক কারখানায় অগ্নি-দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে নিরাপত্তা সম্পর্কিত ব্যবস্থা গ্রহণে এর সদস্যদের সহায়তা করে।[২]

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে বিজিএমইএ ১৯৯৯ সালে বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। যা ২০০১ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়।[৩] এর বর্তমান সভাপতি হলেন রুবানা হক[৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "BGMEA at a Glance"। ২৩ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২০ 
  2. হোসেন, আবুল (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে পোশাক শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  3. "বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন"। 
  4. "বিজিএমইএ সভাপতি অসুস্থ"কালের কণ্ঠ। ১০ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা