বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটটি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। [১]

বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
নীতিবাক্যবিশ্ব বাজারের জন্য শ্রেষ্ঠ মানের আউটপুট
ধরনসরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
স্থাপিত১৯৫৫
অধ্যক্ষমোঃ জয়নাল আবেদিন (ভারপ্রাপ্ত)
শিক্ষায়তনিক কর্মকর্তা
৯ টি
অবস্থান
শেরপুর সড়ক, বগুড়া ৫৮০০

২৪°৪৯′২৪″ উত্তর ৮৯°২২′৩৬″ পূর্ব / ২৪.৮২৩৩৫৩° উত্তর ৮৯.৩৭৬৫৮০° পূর্ব / 24.823353; 89.376580স্থানাঙ্ক: ২৪°৪৯′২৪″ উত্তর ৮৯°২২′৩৬″ পূর্ব / ২৪.৮২৩৩৫৩° উত্তর ৮৯.৩৭৬৫৮০° পূর্ব / 24.823353; 89.376580
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
২০ একর (৮.১ হেক্টর)
সংক্ষিপ্ত নামবপই
অধিভুক্তিবাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
ওয়েবসাইটwww.bogurapoly.gov.bd

ইতিহাসসম্পাদনা

১৯৫৫ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন ঢাকা, রংপুর, সিলেট, পাবনা ও বরিশাল এই পাঁচটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাথে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটটি প্রতিষ্ঠা করে। শুরুতে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির পাঠ্যক্রমানুসারে ৩ বছর মেয়াদি কোর্স দেওয়া হতো। যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান কোর্সে প্রকৌশলে স্নাতককারী কর্তৃক বিধান রেখে তৎকালীন কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সার্টিফিকেট প্রদান করা হত।[১]

ডিপার্টমেন্ট এবং আসনসংখ্যাসম্পাদনা

একাডেমিক টেকনোলজিসমূহের মধ্যে রয়েছে:

  1. পুরকৌশল - ২০০
  2. তড়িৎ প্রকৌশল- ২০০
  3. যন্ত্রকৌশল - ২০০
  4. পাওয়ার - ১০০
  5. ইলেকট্রনিক্স - ১০০
  6. কম্পিউটার - ১০০
  7. রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং - ১০০
  8. মাইনিং এন্ড মাইন সার্ভে টেকনোলজি - ১০০
  9. পর্যটন এবং আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা-১০০

ছাত্রাবাসসম্পাদনা

  1. উত্তর প্রান্তিক
  2. দক্ষিণ প্রান্তিক
  3. পান্থশালা

ছাত্রীনিবাসসম্পাদনা

  1. করতোয়া

ক্যাফেটেরিয়াসম্পাদনা

  1. অ আ ক্যাফেটেরিয়া

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা