ফুচৌ

দক্ষিণ-পূর্ব চীনের ফুচিয়েন প্রদেশের রাজধানী

ফুচৌ চীনের ফুচিয়েন প্রদেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহরগুলির মধ্যে একটি।[৪] ফুচৌকে নিংতোর অনেকগুলি কাউন্টির সঙ্গে মিনতুং (পূর্ব ফুচিয়েন) ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক এলাকা গঠন করা হয়।

ফুচৌ
福州市
Hokciu
প্রিফেকচার-স্তরের শহর
উপর থেকে, বাম থেকে ডানে: ফুচৌর কালো প্যাগোডা, ফুচৌর শিচান মন্দির প্যাগোডা; শিচান মন্দির, ফুচৌর শহরের আকাশরেখা; ফুচৌর কুলু জেলা
উপর থেকে, বাম থেকে ডানে: ফুচৌর কালো প্যাগোডা, ফুচৌর শিচান মন্দির প্যাগোডা; শিচান মন্দির, ফুচৌর শহরের আকাশরেখা; ফুচৌর কুলু জেলা
ফুচিয়েনে ফুচৌ শহরের অধিক্ষেত্রের অবস্থান
ফুচিয়েনে ফুচৌ শহরের অধিক্ষেত্রের অবস্থান
ফুচৌ চীন-এ অবস্থিত
ফুচৌ
ফুচৌ
চীনে অবস্থান
স্থানাঙ্ক (ফুচৌ পৌর সরকার): ২৬°০৪′২৭″ উত্তর ১১৯°১৭′৪৭″ পূর্ব / ২৬.০৭৪৩° উত্তর ১১৯.২৯৬৪° পূর্ব / 26.0743; 119.2964
রাষ্ট্রচীন
প্রদেশফুচিয়েন
পৌরসভার আসনকুলু জেলা
বিভাগ
 - কাউন্টি-স্তর

৬ টি জেলা, ৬ টি কাউন্টি,
ও ১ টি কাউন্টি-স্তরের শহর (২০১৭)
সরকার
 • ধরনপ্রিফেকচার-স্তরের শহর
 • শাসকফুচৌ মিউনিসিপ্যাল পিপলস কংগ্রেস
 • সিসিপি সেক্রেটারিলিন পাওচিন
 • কংগ্রেস চেয়ারম্যানছেন ওয়েইমিন
 • মেয়রইঔ মেংচ্যুন
 • সিপিপিসিসি চেয়ারম্যানহ চিয়েনইয়েন
আয়তন
 • প্রিফেকচার-স্তরের শহর১২,২৩১.৯ বর্গকিমি (৪,৭২২.৮ বর্গমাইল)
 • জলভাগ৪,৬৩৪ বর্গকিমি (১,৭৮৯ বর্গমাইল)
 • পৌর এলাকা (২০১৮)[১]১,৭৬৮.২ বর্গকিমি (৬৮২.৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (৩১ ডিসেম্বর ২০২০)[২]
 • প্রিফেকচার-স্তরের শহর৮২,৯১,২৬৮
 • জনঘনত্ব৬৮০/বর্গকিমি (১,৮০০/বর্গমাইল)
 • পৌর এলাকা (২০২০)[২]৪০,৯৪,৪৯১
 • পৌর এলাকার জনঘনত্ব২,৩০০/বর্গকিমি (৬,০০০/বর্গমাইল)
 • গ্রামীণ৪১,৯৬,৭৭৭
সময় অঞ্চলচায়না স্ট্যান্ডার্ড (ইউটিসি+০৮:০০)
পোস্টাল কোড৩০০০০
এলাকা কোড৫৯১
আইএসও ৩১৬৬ কোডসিএন-এফজে-০১
জিডিপি২০১৮[৩]
 - মোটসিএনওয়াই ৭৮৫.৬৮১ বিলিয়ন
ইউএস$১১৮.৬৮৩ বিলিয়ন
 - মাথা পিছুসিএনওয়াই ১,০২,৫৬৯
ইউএস$১৫,৪৯৪
 - বৃদ্ধিবৃদ্ধি ৮.৭%
লাইসেন্স প্লেট উপসর্গ闽A
স্থানীয় উপভাষাপূর্বাঞ্চলীয় মিন ভাষার ফুচৌ উপভাষা
ওয়েবসাইটFuzhou.gov.cn

ফুচৌ ফুচিয়েনের বৃহত্তম নদী মিন নদীর মোহনার উত্তর (বাম) তীরে অবস্থিত। এর উত্তর সীমান্ত বরাবর নিংতো, এবং নিংতোর কুথিয়েন কাউন্টি অবস্থিত। শহরের জনসংখ্যা ২০১০ সালের আদমশুমারি অনুসারে ৭১,১৫,৩৭০ জন ছিল, যাদের মধ্যে প্রায় ৬১.৯৫% বা ২২,০৮,০৭৬ জন বাসিন্দা শহুরে এলাকায় বসবাস করেন এবং প্রায় ৩৮.০৫% বা ২৭,০৭,২৯৪ জন গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন।[৩] ২০১৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যা ৭৭,৪০,০০ জন অনুমান করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ৪৬,৬৫,০০০ জন ৫ টি শহুরে জেলা প্লাস মিনহৌ কাউন্টি নিয়ে গঠিত নির্মাণাধীন বা বিল্ট-আপ (বা মেট্রো) এলাকায় বসবাস করত।[৫] ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন দ্বারা ফুচৌ ২০১৫ সালে বিশ্বের ১০তম দ্রুত বর্ধনশীল মহানগর অঞ্চল হিসাবে স্থান পেয়েছে।[৬] ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন দ্বারা পরিচালিত একটি সমীক্ষা চায়না ইন্টিগ্রেটেড সিটি ইনডেক্স ২০১৬ সালের মোট র‍্যাঙ্কিং-এ ফুচৌকে ২০তম স্থানে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।[৭]

ফুচৌও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি প্রধান শহর, যেটি প্রকৃতি সূচক দ্বারা ট্র্যাক করা বিশ্বের শীর্ষ ১০০ টি শহরের মধ্যে উপস্থিত রয়েছে।[৮] শহরটিতে বেশ কয়েকটি বড় বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, বিশেষ করে ফুচৌ বিশ্ববিদ্যালয় হল চীনের অন্যতম প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফুচিয়েন নর্মাল বিশ্ববিদ্যালয়ফুচিয়েন এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফরেস্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়টি সহ অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাসসম্পাদনা

প্রাক-ছিন ইতিহাস (২২১ খ্রিস্টপূর্ব)সম্পাদনা

দুইটি নব্যপ্রস্তর সংস্কৃতির অবশেষ - প্রায় ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে হুছিউথৌ সংস্কৃতি (虎丘頭文化) ও প্রায় ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে থানশিশান সংস্কৃতি (曇石山文化) - ফুচৌ এলাকায় আবিষ্কৃত ও খনন করা হয়েছে। যুদ্ধরত রাজ্যের সময়কালে (৪৭৫-২২১ খ্রিস্টপূর্ব), চীনারা আধুনিক ফুচিয়েন অঞ্চলকে মিন ইউয়ে (閩越) হিসাবে উল্লেখ করতে শুরু করে, ইঙ্গিত করে যে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা ইউ জনগোষ্ঠীর একটি শাখা, অ-চীনা উপজাতির একটি বৈচিত্র্যময় জনসংখ্যা যারা একসময় দক্ষিণ চীনের বেশিরভাগ অঞ্চলে বাস করত।[৯] ইউয়ে রাজ্য (বর্তমান চচিয়াং) ৩০৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ছু রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। হান রাজবংশের ইতিহাসবিদ সিমা কিয়ান লিখেছেন যে ইউয়ে রাজ পরিবারের বেঁচে থাকা সদস্যরা দক্ষিণে বর্তমান ফুচিয়েনে পালিয়ে যায়, যেখানে তারা স্থানীয় ইউয়ে জনগণের সঙ্গে বসতি স্থাপন করে, মিনিইউয়ে তৈরি করতে চীনা ও ইউয়ে সংস্কৃতিতে যোগ দেয়।[১০] তাদের প্রধান কেন্দ্র ফুচৌ-এর আধুনিক অবস্থানে ছিল না, বরং উইশান শহরের নিকট মিন জলবিভাজিকা আরও উত্তরে ছিল।

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকারসম্পাদনা

 
ফুচৌয়ের মানচিত্র (ফু-চউ (FOOCHOW) হিসাবে লেবেলযুক্ত)

সামান্য প্রতিরোধ হলেও ১৯৪৯ সালের ১৭ই আগস্ট পিপলস লিবারেশন আর্মি দ্বারা ফুচৌ দখল করা হয়।[১১]

শহরটি ১৯৫০-এর দশকে তাইওয়ানের কেএমটি-এর সাথে সংঘর্ষের প্রথম সারিতে ছিল, কারণ শত্রু কেএমটি বিমানগুলি প্রায়শই শহরটিতে বোমাবর্ষণ করত। ১৯৫৫ সালের ২০ই জানুয়ারির বোমা হামলা ছিল সবচেয়ে গুরুতর, শত শত মানুষ নিহত হয়।[১২]

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় ফুচৌ সহিংস গণ বিশৃঙ্খলায় জড়িত ছিল। রেড গার্ডের বিভিন্ন দল শহরের রাস্তায় বন্দুক ব্যবহার করে একে অপরের সাথে লড়াই করে, এমনকি পিপলস লিবারেশন আর্মিকে আক্রমণ করে।[১৩]

ফুচৌ ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিক থেকে সংস্কার ও খোলার নীতির অধীনে দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। ফুচৌ ১৯৮২ সালে সংরক্ষিত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ চালু করা চীনের প্রথম শহর হয়ে ওঠে, যা চীনের টেলিযোগাযোগের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।[১৪] ফুচৌকে ১৯৮৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার উন্মুক্ত উপকূলীয় শহরগুলির প্রথম শাখা হিসাবে নির্বাচিত করেছিল।[১৫]

ফুচৌতে একটি বস্ত্র কারখানার মধ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ই ডিসেম্বর ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ৬০ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়।[১৬]

টাইফুন লুংওয়াং থেকে উদ্ভূত বন্যার জল ২০০৫ সালে ২ই অক্টোবর একটি সামরিক বিদ্যালয়কে ভাসিয়ে নিয়ে যায়, কমপক্ষে ৮০ জন আধাসামরিক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।[১৬]

সংস্কৃতিসম্পাদনা

বটবৃক্ষের শহর নামে পরিচিত ফুচৌ মধ্য চীনের মূলধারার অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি থেকে আলাদা, এবং বিস্তারিতভাবে চীনা উপকূলের অন্যান্য অঞ্চল থেকেও ভিন্ন।

ভাষা ও শিল্পসম্পাদনা

ম্যান্ডারিন চাইনিজ ছাড়াও, ফুচৌয়ের (ফুচৌ জনগণ) সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা পূর্বাঞ্চলীয় মিন ভাষার মর্যাদাপূর্ণ রূপ ফুচৌ উপভাষায় (福州話) কথা বলে।

ফুচৌ নাটক নামেও পরিচিত মিন অপেরা ফুচিয়েন প্রদেশের অন্যতম প্রধান অপেরা। এটি ফুচৌ অঞ্চলে ও ফুচিয়েনের প্রতিবেশী অংশে যেমন উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে যেখানে ফুচৌ উপভাষা বলা হয়, সেইসাথে তাইওয়ানমালয় দ্বীপপুঞ্জে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে করে। এটি ২০তম শতকের গোড়ার দিকে একটি স্থির অপেরা হয়ে ওঠে। মিন অপেরার ১,০০০ টিরও বেশি নাটক রয়েছে, যার বেশিরভাগই লোককাহিনী, ঐতিহাসিক উপন্যাস বা প্রাচীন কিংবদন্তি থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার মধ্যে "মেকিং সিল", "দ্য পার্পল জেড হেয়ারপিন" ও "সুইচিং ফেয়ারি পিচ উইথ লিচি"-এর মতো ঐতিহ্যবাহী নাটক রয়েছে।[১৭]

ধর্মসম্পাদনা

ফুচৌতে প্রচলিত দুটি ঐতিহ্যবাহী মূলধারার ধর্ম হল মহাযান বৌদ্ধধর্মতাওবাদ। ঐতিহ্যগতভাবে, অনেক লোক একই সাথে উভয় ধর্ম পালন করেন। এছাড়াও শহরটিতে অনেক বৌদ্ধ মঠ, তাওবাদী মন্দির ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের আবাসস্থল রয়েছে।

মূলধারার ধর্ম ছাড়াও, বিভিন্ন স্থানীয় ধর্মের বেশ কিছু ধর্মীয় উপাসনালয় ফুচৌ শহরের রাস্তায় ও গলিতে অবস্থিত।

অর্থনীতিসম্পাদনা

 
ফুচৌয়ের থাইচিয়াং জেলা (আর্থিক জেলা)।

পাহাড়ে কুথিয়েন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উত্তর-পশ্চিমে চলমান গ্রিড দ্বারা শিল্পকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। শহরটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, ডিজাইনার ব্র্যান্ড ও কাঠের কাজ, প্রকৌশল, কাগজ তৈরি, মুদ্রণ ও বস্ত্র শিল্পের কেন্দ্র। একটি ছোট লোহা ও ইস্পাত কারখানা ১৯৫৮ সালে নির্মিত হয়েছিল। বিদেশী বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানানো নতুন ওপেন-ডোর নীতিতে ফুচৌকে চীনের "উন্মুক্ত" শহরগুলির একটি হিসাবে ১৯৪৮ সালে মনোনীত করা হয়েছিল। গ্রামীণ এলাকায় হস্তশিল্প গুরুত্বপূর্ণ রয়েগেছে এবং শহরটি তার বার্ণিশ ও কাঠের পণ্যের জন্য বিখ্যাত।

শহরের মাথাপিছু জিডিপি ২০১৫ সালে ¥৭৬,৬১৪ (ইউএস$১২,১৪০) ছিল এবং চীনা ৬৫৯ টি শহরের মধ্যে ৫২তম স্থানে ছিল।

ফুচৌ নিঃসন্দেহে প্রদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পাশাপাশি একটি শিল্প কেন্দ্র ও মিন নদীর উপর অবস্থিত সমুদ্রবন্দর। ফুজোর ২০০৮ সালের জিডিপির পরিমাণ ১৩ শতাংশ বৃদ্ধির সঙ্গে ¥২২৮.৪ বিলিয়ন ছিল।[১৮]

উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রাসায়নিক, সিল্ক ও সুতির বস্ত্র, লোহা ও ইস্পাত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার রয়েছে। ফুচৌয়ের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সূক্ষ্ম বার্ণিশ ও হস্তশিল্পের পাখা এবং ছাতা রয়েছে। শহরের বাণিজ্য প্রধানত চীনের উপকূলীয় বন্দরগুলির সাথে সংগঠিত হয়। শহরের কাঠ, খাদ্য পণ্য ও কাগজের রপ্তানি প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) দূরবর্তী কুয়ানথৌর পোতাশ্রয়ের মাধ্যমে হয়ে থাকে।[১৯]

শহরের রপ্তানি ২০০৮ সালে ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায় এবং আমদানির পরিমাণ ৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। একই সময়ের জন্য মোট খুচরা বিক্রয় ¥১১৩.৪ বিলিয়ন এবং মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধি পেয়ে ¥৩৩,৬১৫ হয়।[১৯] একই সময়ের মধ্যেই, ফুচৌ ১৫৫ টি বিদেশী বিনিয়োগ প্রকল্প অনুমোদন করে। চুক্তিকৃত বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ $১.৪৮৯ বিলিয়ন ছিল, যেখানে ব্যবহৃত বিদেশী বিনিয়োগ ৪৩ শতাংশ বেড়ে $১.০০২ বিলিয়ন হয়।[১৯]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Cox, W (২০১৮)। Demographia World Urban Areas. 14th Annual Edition (PDF)। St. Louis: Demographia। পৃষ্ঠা 24। ২০১৮-০৫-০৩ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-০৬ 
  2. http://tjj.fuzhou.gov.cn/zz/zwgk/tjzl/ndbg/202105/t20210524_4105019.htm
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; GDP নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. "Illuminating China's Provinces, Municipalities and Autonomous Regions"। PRC Central Government Official Website। ২০১৩-১২-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  5. https://www.citypopulation.de/en/china/fujian/admin/
  6. Jesus Leal Trujillo, Joseph Parilla (ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৫)। "The World's 10 Fastest Growing Metropolitan Areas"Brookings Institution। জুলাই ২১, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  7. 2016中国城市综合发展指标发布 北上深位列三甲। ২০১৭-০৩-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  8. "Nature Index 2020 Science Cities | Supplements | Nature Index"www.natureindex.com। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  9. Xu Xiaowang (徐曉望 (২০০৬)। 福建通史। Fujian People's Press (福建人民出版社)। 
  10. Records of the Grand Historian, Yue Wang Goujian Shijia 越王勾踐世家.
  11. 福州有福,完好无损迎来解放society.people.com.cn। ২০১২-০৬-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  12. 一·二○”大轰炸60周年 沙县退休职工忆尘封历史66163.com। ২০১৫-০২-০৪। ২০১৭-১১-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  13. 军队介入平息福州武斗乱局। ২০১৭-১০-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  14. 福州万门程控电话开通25周年纪念专题 [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  15. OPENING TO THE OUTSIDE WORLD ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-০৪-২৬ তারিখে. China.org.cn
  16. Major Events Across The Taiwan Straits ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত এপ্রিল ২৮, ২০০৬ তারিখে
  17. "Min Opera"cultural-china.com। ২০১২-০৫-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  18. "China Expat city Guide Dalian"। China Expat। ২০০৮। ২০০৯-০২-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১ 
  19. "China Briefing Business Reports"। Asia Briefing। ২০০৯। ডিসেম্বর ২০, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২১