নলছিটি উপজেলা

ঝালকাঠি জেলার একটি উপজেলা

নলছিটি বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা।

নলছিটি
উপজেলা
মানচিত্রে নলছিটি উপজেলা
মানচিত্রে নলছিটি উপজেলা
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৭′৩৬″ উত্তর ৯০°১৬′২৪″ পূর্ব / ২২.৬২৬৬৭° উত্তর ৯০.২৭৩৩৩° পূর্ব / 22.62667; 90.27333 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাঝালকাঠি জেলা
আসনঝালকাঠী ২
আয়তন
 • মোট২৩১.৪৩ বর্গকিমি (৮৯.৩৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট২,১৪,৪১৮
 • জনঘনত্ব৯৩০/বর্গকিমি (২,৪০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৮৪২০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ৪২ ৭৩
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

অবস্থান ও আয়তন সম্পাদনা

নলছিটি উপজেলা ২১.৫৩° হতে ২৩.০৪° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৫০° হতে ৯১.৫০° পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে সুগন্ধা নদী, ঝালকাঠি সদর উপজেলাবরিশাল সদর উপজেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে বরিশাল জেলার বরিশাল সদর উপজেলাবাকেরগঞ্জ উপজেলা, বুড়িশ্বর নদী, পশ্চিমে ঝালকাঠি সদর উপজেলারাজাপুর উপজেলাঝালকাঠি জেলা সদর হতে এটি ১২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

ইতিহাস সম্পাদনা

১৯২৪ সালে স্থাপিত থানাটি ১৯৮৩ সালে উপজেলাতে রুপান্তর হয়।

নামকরণ সম্পাদনা

নলখাগড়া নামক গাছ হতে বর্তমান নলছিটির নামকরণ হয়েছে। ১৭৮৭ সালে রাজা রাজভল্লব এর দৌহিত্র মিঃ পিতাম্বর সেন শাহাজাদপুর পরগণার সুগন্ধা নদীর তীরে এসে নলখাগড়ার জঙ্গল পরিষ্কার করে একটি বন্দর তৈরী করেন। কালের স্রোত ধারায় সেই নলখাগড়ার নাম হতে বর্তমান নলছিটি নাম ধারণ করেছে। সে সময় নলছিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠে। বিভিন্ন দেশ তথা চীন, বার্মা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ হতে ব্যবসায়ীরা নৌকা যোগে এখানে আসত ব্যবসার উদ্দেশ্যে। ১৯৮৩ সালে বর্তমান উপজেলায় রূপান্তর লাভ করে।

মুক্তিযুদ্ধে নলছিটি সম্পাদনা

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ সম্পাদনা

নলছিটি উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। দপদপিয়া ইউনিয়নের কিছু অংশের প্রশাসনিক কার্যক্রম বরিশাল জেলার বন্দর থানার আওতাধীন এবং দপদপিয়া থানার বাকি অংশসহ সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম নলছিটি থানার আওতাধীন।

পৌরসভা:
ইউনিয়নসমূহ:

জনসংখ্যার উপাত্ত সম্পাদনা

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী নলছিটি উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,৯৩,৫৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯২,১৩১ জন এবং মহিলা ১,০১,৪২৫ জন। মোট পরিবার ৪৩,০৬৬টি।[২]

শিক্ষা সম্পাদনা

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী নলছিটি উপজেলার সাক্ষরতার হার ৬৭.২%।[২]

ভৌগোলিক উপাত্ত সম্পাদনা

ভূপ্রকৃতি সম্পাদনা

মৃত্তিকা সম্পাদনা

নদ-নদী সম্পাদনা

বিশখালী, সুগন্ধা

সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য সম্পাদনা

নানান গোত্রের নানান ধর্ম বর্ণের বহু মানুষের বসবাস এখানে। বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষের ও বাস। সুতরাং এখানে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বাঙালি হওয়ার সূত্রে বাঙালির বিরাজমান সমস্ত সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যই এখানে লক্ষ্যনীয়।পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে নবান্ন উৎসব।ঈদ থেকে পুজো পার্বণ।নিজস্ব রন্ধন প্রণালী। এখানে সবাই ধর্মীয় স্বাধীনতায় যার যার ধর্ম শান্তিতে পালন করে।পারিবারিক অনুষ্ঠানে একে অপরের মাঝে ভাব বিনিময় ও করে।

স্বাস্থ্য সম্পাদনা

  • এখানে যারা বসবাস করেন তাদের মধ্যে মেয়ে সংখ্যা বেশি আর এই মেয়েদের স্বাস্থ্য ভালো এবং খুব সুন্দরী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পাদনা

এই উপজেলাতে ৩টি কলেজ, ৪১টি হাই স্কুল, ১১৫টি মাদ্রাসা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০১টি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫০টি ও ১টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে।

কৃষি সম্পাদনা

ধান

অর্থনীতি সম্পাদনা

নলছিটি উপজেলায় প্রধানত কৃষি প্রধান অর্থনীতি। এখানে ধান,পেয়ারা, আমরা,নারিকেল, সুপারি,পান,ডাল,কলা,পেপে ইত্যাদি ফসল উৎপাদন হয় তাছাড়া মৎস্য পালন ডেইরি ফার্ম রয়েছে। বর্তমানে ছোটো খাটো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের তৈরি হয়েছে যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এখানে বেশি ভাগ লোক চাকরিজীবী যারা দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে তাছাড়া অসংখ্য প্রবাসী রয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পাদনা

এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা দুই ধরনের সড়ক পথ ও জলজ পথ।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি সম্পাদনা

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা সম্পাদনা

  • সিদ্ধকাঠী জমিদার বাড়ী
  • । চায়না কবর
  • ফেরিঘাট বাংলো
  • নলছিটি মার্চেন্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • নাংগুলী মালিপুর নিজামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
  • মালিপুর দরবার শরিফ

বিবিধ সম্পাদনা

আরও দেখুন সম্পাদনা

তথ্যসূত্র সম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে নলছিটি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৫ 
  2. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (পিডিএফ)web.archive.org। Wayback Machine। Archived from the original on ৮ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ সম্পাদনা