মালিকুল আদিল সাইফুদ্দিন আবু বকর ইবনে নাসিরুদ্দীন মুহাম্মদ (আরবি: سيف الدين الملك العادل أبو بكر بن ناصر الدين محمد‎‎) (আনু. ১২২১ - ৯ ফেব্রুয়ারি ১২৪৮) ১২৩৮ থেকে ১২৪০ সাল পর্যন্ত মিশরের আইয়ুবীয় রাজবংশের সুলতান ছিলেন। তিনি আদিল দ্বিতীয় হিসাবে বেশি পরিচিত।

সাইফুদ্দিন আবু বকর আদিল দ্বিতীয়
মালিকুল আদিল
মিশরের সুলতান
রাজত্ব৬ মার্চ ১২৩৮ – ১২৪০
পূর্বসূরিকামিল
উত্তরসূরিসালিহ আইয়ুব
জন্মআনু. ১২২১
মৃত্যু৯ ফেব্রুয়ারি ১২৪৮
পূর্ণ নাম
আদিল সাইফুদ্দিন আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে আইয়ুব
পিতাকামিল
ধর্মসুন্নী ইসলাম

তার বাবা কামিল ছিলেন সালাউদ্দিনের ভ্রাতুষ্পুত্র। যিনি ১২৩৮ সালে মারা যান, দ্বিতীয় আদিল কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিলেন। দেশ যখন অরাজকতায় ছেয়ে গেলে তার নির্বাসিত সৎভাই সালিহ আইয়ুব সুযোগবুঝে তাকে পদচ্যুত করেন। আদিল পদচ্যুতির আট বছর পরে কারাগারে মারা যান।[১]

ইতিহাসসম্পাদনা

আদিলের সময় আইয়ুবীদের মধ্যে সহিংস শক্তির লড়াই ছড়িয়ে পড়ে। তিনি সিরিয়ায় তার আত্মীয়দের বিরুদ্ধে নিজেকে জোর দিতে পারছিলেন না। গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে আইয়ুবীদের দুর্বল করার বিষয়টি মঙ্গোলরা উত্তর ইরাক জয় করতে ব্যবহার করেছিল। এছাড়াও ১২৩৯ সালে জেরুজালেমের রাজ্যে জাফার শান্তিচুক্তি সমাপ্তির ঠিক পরেই, চ্যাম্পেনের থিওবাল্ড চতুর্থ (ব্যারনদের ক্রুসেড) এর অধীনে একটি ক্রুসেড সেনাবাহিনী এসেছিল। যারা এস্কালন দখল করে এবং তবে শেষপর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আদিল তার সৎভাই সালিহ আইয়ুবের কাছে অভ্যন্তরীণ ইসলামী শক্তির লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছিল। রুনসিম্যানের মতে, দ্বিতীয় আদিল তার প্রিয়তম এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির হাতে সরকারকে দায়িত্ব অর্পণ করে তাঁর মন্ত্রীদের বিরক্ত করেছিলেন। ১২৪০ সালের মে মাসের শেষ দিকে বা জুনের শুরুর দিকে তাকে ষড়যন্ত্রের দ্বারা পদচ্যুত করার পরে, সালিহ আইয়ুব মিশরের সিংহাসন গ্রহণ করেছিলেন।

আদিল দ্বিতীয় ১২৪৮ সালে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত বন্দী অবস্থায় ছিলেন। আবুল ফিদার মতে , তিনি মুগিস ফাতেহুদ্দিন উমর নামে এক নাবালিক পুত্র রেখে গেছেন।[২]

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. First Encyclopaedia of Islam: 1913-1936 (ইংরেজি ভাষায়)। BRILL। ১৯৯৩। আইএসবিএন 978-90-04-09796-4 
  2. "al_adil_2_sultan_von_aegypten"www.manfred-hiebl.de। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২২