প্রধান মেনু খুলুন
জেনেভা শহরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য স্থাপনা

জেনেভা (ইংরেজি: Geneva), (ফরাসি: Genève, জার্মান: Genf এই শব্দ সম্পর্কেGenf , হচ্ছে জুরিখের পর সুইজারল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল শহর। এবং রোম্যানডি (সুইজারল্যান্ডের ফরাসি ভাষী অঞ্চল) অংশের সবচেয়ে জনবহুল শহর। রোন নদীজেনেভা লেক যেখানে মিলিত হয়েছে, সেই স্থানটিতে এই শহরের অবস্থান। জেনেভা রিপাবলিক অ্যান্ড ক্যান্টন অফ জেনেভা-এর রাজধানী।

জুন ২০০৮-এর হিসাব অনুযায়ী জেনেভার জনসংখ্যা ১,৮৬,৮২৫,[১] এবং ২০০৭ সালের আদমশুমারী অনুসারে মেট্রোপলিটান অঞ্চলে মোট বাড়ি আছে ৮,১২,০০০টি।[২]

জেনেভার বিশ্বব্যাপী কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু, এবং অনেক সময়ই এটিকে গ্লোবাল সিটি বা বৈশ্বিক শহর বলে অভিহিত করা হয়। বিশেষ করে বিভিন্ন বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংগঠন, যেমন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর এখানে অবস্থিত।[৩] এছাড়াও আন্তর্জাতিক সংগঠন রেড ক্রসের সদরদপ্তরও এখানেই অবস্থিত।[৪] জেনেভা শহরেই জাতি সংঘের মানবাধিকার সম্পর্কিত জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়েছিলো, যা যুদ্ধকালীন অযোদ্ধা ও যুদ্ধবন্দীদের মানবাধিকার রক্ষার একটি সনদ হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. (ফরাসি) Statistiques de la ville de Genève। "Population résidante en ville de Genève"। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. (ফরাসি) Projet d’agglomération franco-valdo-genevois। "Acte de candidature au Label Grand Projet, on page 6" (PDF)। ২০০৮-১০-০১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-১৩ 
  3. Paul Hofmann (১৯৯০-০৬-২৪)। "Staying on the Safe Side; Geneva"The New York TimesThe New York Times Company। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৪-১৯ 
  4. Finn-Olaf Jones (২০০৭-০৯-১৬)। "36 Hours in Geneva"The New York TimesThe New York Times Company। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০২-০২ 

আরো পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা