জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান যার প্রধান দায়িত্ব শুল্ক-কর আরোপ করা ও তা আদায় করা। এছাড়া, শুল্ক নীতি প্রণয়নসহ চোরাচালাননিরোধ আইন ও বিধি প্রণয়ন বোর্ডের অন্যতম কাজ। এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান। এনবিআর নামে পরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় ঢাকায় ও এটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়েছিল।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সংক্ষেপেএনবিআর
গঠিত১৯৭২
ধরণকর প্রশাসন
আইনি অবস্থাসক্রিয়
উদ্দেশ্যশুল্ক-কর আরোপ, শুল্ক নীতি প্রণয়ন, চোরাচালান নিরোধ
সদরদপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৪′০৯″ উত্তর ৯০°২৪′৩২″ পূর্ব / ২৩.৭৩৫৭° উত্তর ৯০.৪০৮৯° পূর্ব / 23.7357; 90.4089স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৪′০৯″ উত্তর ৯০°২৪′৩২″ পূর্ব / ২৩.৭৩৫৭° উত্তর ৯০.৪০৮৯° পূর্ব / 23.7357; 90.4089
যে অঞ্চলে কাজ করে
বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা
চেয়ারম্যান
আবু হেনা মো: রহমাতুল মুনিম
প্রধান প্রতিষ্ঠান
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়
স্টাফ
৩৪৩৪ কর্মকর্তা ও ১০১৯৫ জন সহায়তাকারী কর্মচারী
ওয়েবসাইটঅফিসিয়াল ওয়েবসাইট

প্রতিষ্ঠার ইতিহাসসম্পাদনা

১. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাষ্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও প্রশাসনের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ। ৩. এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। ৪. জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান চেয়ারম্যান, একই সাথে তিনি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব।

প্রশাসনিক কাঠামো -সম্পাদনা

*আয়কর আধিশাখা -সম্পাদনা

*শুল্ক, আবগারী ও ভ্যাট আধিশাখাসম্পাদনা

রাজস্বনীতি প্রণয়নসম্পাদনা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বাংলাদেশে শুল্ক-কর নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে। বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান তিনটি উৎস হলো - দুই প্রকার পরোক্ষ কর যথা আমদানী শুল্কমূল্য সংযোজন কর এবং দুই প্রকার প্রত্যক্ষ কর যথা আয় কর এবং সম্পদ কর। এছাড়া কতিপয় পণ্যের দেশজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে আবগারী শুল্ক আদায় করা হয়। উপরন্তু প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যে আমদানী পর্যায়ে এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আদায় করা হয়ে থাকে। সরকার ঘোষিত উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিবৃত ও সামাজিক লক্ষ্যসমূহ স্বল্পতম সময়ে অর্জনের উদ্দেশ্য হিসেবে কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার প্রদানের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, উৎপাদনমুখী শিল্পের প্রসার ও রপ্তানি বৃদ্ধি, দেশজ শিল্পের বিকাশ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের দ্বারা দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে দারিদ্রের দুষ্ট চক্র থেকে মুক্তি দেয়া এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন ইত্যাদি সামনে রেখে প্রতি অর্থবছরে প্রণীত জাতীয় বাজেটের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করপরোক্ষ করের বিষয়ে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়ে থাকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এই সব প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ প্রণয়ন করে।

রাজস্ব আদায় কার্যক্রমসম্পাদনা

চোরাচালাননিরোধী কার্যক্রমসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা


আরো দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা