জন মরিসন
জন ফ্রান্সিস ম্যাকলিন মরিসন, এমএনজেডএম (ইংরেজি: John Morrison; জন্ম: ২৭ আগস্ট, ১৯৪৭) ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৩ সময়কালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। এ সময়ে তিনি ১৭ টেস্ট ও ১৮টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন।
ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
পূর্ণ নাম | জন ফ্রান্সিস ম্যাকলিন মরিসন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জন্ম | ওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ড | ২৭ আগস্ট ১৯৪৭|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ডাকনাম | মিস্ট্রি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বোলিংয়ের ধরন | স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ভূমিকা | ব্যাটসম্যান, ধারাভাষ্যকার | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জাতীয় দল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ১২৮) | ২৯ ডিসেম্বর ১৯৭৩ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
শেষ টেস্ট | ১৯ মার্চ ১৯৮২ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ২০) | ৯ মার্চ ১৯৭৫ বনাম ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
শেষ ওডিআই | ১৭ মার্চ ১৯৮৩ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ঘরোয়া দলের তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বছর | দল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৬৫ – ১৯৬৭ | সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৬৭ – ১৯৮৪ | ওয়েলিংটন | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ |
ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিউজিল্যান্ড দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন 'মিস্ট্রি' ডাকনামে পরিচিত জন মরিসন।
প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট
সম্পাদনামারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রভূতঃ খ্যাতি কুড়িয়েছেন। পাশাপাশি বামহাতি স্পিন বোলার হিসেবে খুবই কৃপণতার সাথে বোলিং করতেন। ফলশ্রুতিতে মিস্ট্রি ডাকনামে আখ্যায়িত হয়েছেন।[১] বেশ কয়েক মৌসুম ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঝারিমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। এরপর ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে ওয়েলিংটনের সদস্যরূপে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে অপরাজিত ১৮০ রানের মনোমুগ্ধকর ইনিংস উপহার দেন। পরবর্তীতে এটিই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল। ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ অস্ট্রেলিয়া সফরে নিউজিল্যান্ড দলের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন।
১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে অকল্যান্ডের বিপক্ষে নিজস্ব সেরা বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫/৬৯ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করানোর পর জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রায় অগ্রসর হয় ওয়েলিংটন দল। ১০৬ রান করে এ লক্ষ্যমাত্রার দিকে ধাবিত হলেও শেষ পর্যন্ত তার দল মাত্র ৪ রানে হেরে যায়।
টেস্ট ক্রিকেট
সম্পাদনা১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন টেস্টের সিরিজে অংশ নেন। ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জন মরিসনের টেস্ট অভিষেক ঘটে। ৪১.৫০ গড়ে ২৪৯ রান তুলে নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তন্মধ্যে ১১৭ রানের ইনিংস খেলেন যা তার খেলোয়াড়ী জীবনের একমাত্র শতরানের ইনিংস ছিল। এ সেঞ্চুরিটি করেন সিডনিতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে। টেস্টে তার সুন্দর সূচনালগ্নটি আর ফিরে না পেলেও ১৯৭৫-৭৬ মৌসুমে ডেরিক রবিন্স একাদশের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান।
৯ মার্চ, ১৯৭৫ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অভিষেক ঘটে তার।
অবসর
সম্পাদনাক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৯৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ওয়েলিংটনের সিটি কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৩ সালে ওয়েলিংটনের সিটি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী হবার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি ঘটে।
খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নেয়ার পর ধারাভাষ্যকারের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন ও ১৯৯৮ সাল থেকে ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ডের ওয়েলিংটন সিটি কাউন্সিলে যুক্ত হন।[২] কাউন্সিলর হিসেবে মরিসন ওয়েলিংটনে অসি রুলস খেলা আয়োজনে কাজ করে যান।[৩] ২০১৩ সালের অ্যানজাক দিবসে সেন্ট কিল্ডা বনাম সিডনি সোয়ান্সের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মে, ২০১৩ সালে ওয়েলিংটন মেয়র নির্বাচনে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেন।[৪] তবে, সেলিয়া ওয়াড-ব্রাউনের কাছে পরাজিত হন।[৫]
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ↑ "Mystery and the Mouth"। ২২ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২।
- ↑ "I Wish I Was John Cleese"। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২।
- ↑ "Aussie Rules Coming to Wellington?"। 3 News। ১৮ এপ্রিল ২০১২।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ McBride, Kerry (২৩ মে ২০১৩)। "Morrison throws hat in ring for mayor"। The Dominion Post। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Katie Chapman; Tessa Johnstone; Kerry McBride (১২ অক্টোবর ২০১৩)। "Three more years for Wade-Brown"। The Dominion Post। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০১৩।
আরও দেখুন
সম্পাদনাবহিঃসংযোগ
সম্পাদনা- ইএসপিএনক্রিকইনফোতে জন মরিসন (ইংরেজি)
- ক্রিকেটআর্কাইভে জন মরিসন (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) (ইংরেজি)
- Wellington City Council website profile