বাংলা বর্ণমালার চতুর্থ ব্যঞ্জনবর্ণ

(আ-ধ্ব-ব: [gha], প্রাচীন ব্রাহ্মীরূপ: 𑀖, দেবনাগরী:घ) হলো বাংলা বর্ণমালার চতুর্থ ব্যঞ্জনবর্ণ। 'ঘ' হলো একটি পূর্ণমাত্রাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ।

বর্ণনাসম্পাদনা

'ঘ' বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের চতুর্থ ব্যঞ্জনবর্ণ হওয়ার সাথে সাথে ক-বর্গীয় ধ্বনিরও চতুর্থ ধ্বনি। 'ঘ' ভারত উপমহাদেশের ভাষাগুলোর একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।

ব্যবহারসম্পাদনা

স্বরবর্ণ ঘ'র সাথে যুক্ত হলে
ঘা
ঘি
ঘী
ঘু
ঘূ
ঘৃ
ঘে
ঘৈ
ঘো
ঘৌ

যুক্তবর্ণ(আদিতে)সম্পাদনা

পৃথক রূপ যুক্তরূপ শব্দ
ঘ্ + ন ঘ্ন কৃতঘ্ন
ঘ্ + য ঘ্য শ্লাঘ্য
ঘ্ + র ঘ্র ব্যাঘ্র

ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্যসম্পাদনা

'ঘ' প্রথাগতভাবে কন্ঠ্যধ্বনি অভিহিত হয়। কিন্তু কালের ব্যবধানে এর উচ্চারণস্থান পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এটি জিহ্বামূল বা পশ্চাত্তালু থেকে উচ্চারিত হয়।[১] [২]এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি। কারণ এটি উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আগত বাতাস স্বরতন্ত্রী খোলার সময় সবলে বেরিয়ে আসে। তাছাড়াও স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় বলে এটি একটি ঘোষ ধ্বনি।

উদাহরণসম্পাদনা

•ঘর্ম
ঘর্ষণ
ঘড়ি
ঘাস
ঘি
ঘুঘু


কম্পিউটিং কোডসম্পাদনা

অক্ষর
ইউনিকোড নাম বাংলা অক্ষর ঘ
এনকোডিং দশমিক হেক্স
ইউনিকোড 2456 U+0998
ইউটিএফ-৮ 224 166 152 E0 A6 98
সংখ্যাসূচক অক্ষরের তথ্যসূত্র ঘ ঘ

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

  •   উইকিমিডিয়া কমন্সে সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন
  •   উইকিঅভিধানে -এর আভিধানিক সংজ্ঞা পড়ুন

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. আবদুল হাই, মুহম্মদ। ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব। ঢাকা। পৃষ্ঠা ৫০। 
  2. ব্যবহারিক বাংলা অভিধান। ঢাকা: বাংলা একাডেমি। পৃষ্ঠা ৩৮০।