প্রধান মেনু খুলুন

আলবার্ট রোজ-ইন্স

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার

আলবার্ট রোজ-ইন্স (ইংরেজি: Albert Rose-Innes; জন্ম: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৮ - মৃত্যু: ২২ নভেম্বর, ১৯৪৬) পোর্ট এলিজাবেথে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার ছিলেন। পাশাপাশি নীচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন।

আলবার্ট রোজ-ইন্স
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৮৬৮-০২-১৬)১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৮
পোর্ট এলিজাবেথ, দক্ষিণ আফ্রিকা
মৃত্যু২২ নভেম্বর ১৯৪৬(1946-11-22) (বয়স ৭৮)
পূর্ব লন্ডন, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ১৪ ৭০
ব্যাটিং গড় ৩.৫০ ৭.৭৭
১০০/৫০ ০ / ০ ০ / ০
সর্বোচ্চ রান ১৩ ২০
বল করেছে ১২৮ ৬০৮
উইকেট ১৮
বোলিং গড় ১৭.৮০ ১৭.২৭
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৪৩ ৫/৪৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২ / ০ ৫ / ০
উৎস: ক্রিকইনফো, ১০ মার্চ ২০১৭

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে খেলোয়াড়ী জীবন শুরুর সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকারও প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৮৮৮-৮৯ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের মধ্যকার ঐ খেলাটিই দক্ষিণ আফ্রিকার অভিষেক টেস্ট ছিল। এরপূর্বে রোজ অগণিতসংখ্যক বা এগারোজনের বেশী খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলে খেলেছিলেন। আরজে ওয়ারটনের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দল দক্ষিণ আফ্রিকায় পদার্পণ করলে পোর্ট এলিজাবেথে উভয় দলের সদস্য সংখ্যা সমান হয় ও নতুন যুগের সূচনা ঘটে। রোজ শূন্য ও ১৩ রান তোলেন। কিন্তু ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৫/৪৩ লাভে সক্ষমতা দেখান।[১] খেলাটিতে অংশগ্রহণের ফলে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এরফলে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে পাঁচ-উইকেট পেয়েছেন তিনি।[২] ফলশ্রুতিতে দুই সপ্তাহ পর কেপটাউনে দ্বিতীয় টেস্টেও তার অংশগ্রহণ ছিল। প্রথম ইনিংসে জে ব্রিগসের রেকর্ড গড়া ৮/১১ ও খেলায় ১৫/২৮ বোলিং পরিসংখ্যানের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা দল ইনিংস ও ২০২ রানে পরাজিত হওয়াসহ ২-০ ব্যবধানে সিরিজের পরাজয়বরণ করে।

এরপর রোজ আরও পাঁচটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। তন্মধ্যে কিম্বার্লির পক্ষে তিনটি ও ট্রান্সভালের পক্ষে দুইটিতে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি স্লো লেফট-আর্ম বোলিং করতেন ও একটি সাময়িকীতে তাকে ‘ব্যাটসম্যানদের ত্রাসরূপে’ তুলে ধরা হয়। কিম্বার্লির পক্ষে খেলাকালীন প্রথম কারি কাপের খেলায় ৫/৫৫ লাভে করেন। এরফলে প্রতিপক্ষ ট্রান্সভাল পরাজিত হয়।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

সমারসেটের ওয়েলসে জন্মগ্রহণকারী ‘মার্গারেট ইভলিন’ নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন তিনি। এ দম্পতির এক পুত্রসন্তান ছিল।

২২ নভেম্বর, ১৯৪৬ তারিখে ৭৮ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্ব লন্ডনে তার দেহাবসান ঘটে। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের সূচনালগ্নে অংশগ্রহণকারী অনেক ক্রিকেটারের ন্যায় তার মৃত্যুসম্পর্কীয় তথ্যাদিও অজ্ঞাত রয়ে গেছে। ফলশ্রুতিতে উইজডেনেও তার দেহাবসানের কথা তুলে ধরা হয়নি।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

আরও পড়ুনসম্পাদনা

  1. World Cricketers - A Biographical Dictionary by Christopher Martin-Jenkins, published by Oxford University Press (1996).
  2. The Wisden Book of Test Cricket, Volume 1 (1877-1977) compiled and edited by Bill Frindall, published by Headline Book Publishing (1995).
  3. www.cricketarchive.com/Archive/Players.

বহিঃসংযোগসম্পাদনা