অণিমা হোড়

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, শ্রমিকনেত্রী এবং সমাজকর্মী

অণিমা হোড় (জন্ম:? - মৃত্যু: ১৪ এপ্রিল ১৯৮৪) একজন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, শ্রমিকনেত্রী এবং সমাজকর্মী।

অণিমা হোড়
জন্ম
বগুড়া, ব্রিটিশ ভারত, (বর্তমান বাংলাদেশ বাংলাদেশ)
মৃত্যু১৪ এপ্রিল, ১৯৮৪
নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
 ভারত
পরিচিতির কারণব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, শ্রমিকনেত্রী এবং সমাজকর্মী
রাজনৈতিক দলস্বাধীনতার পুর্বে যুগান্তর দল, স্বাধীনোত্তর কালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস,
আন্দোলনব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন

অণিমা হোড়ের পিতা বগুড়া জেলার স্বাধীনতা সংগ্রামী যোগেন্দ্রনাথ সরকার ছিলেন গুপ্ত বিপ্লবী দলের সক্রিয় সদস্য। অণিমা তার বাল্যকাল থেকেই বিপ্লবীদের গোপন খবর আদানপ্রদান করতেন। তিনি তার স্বামী স্বাধীনতা সংগ্রামী বিজয়কুমার হোড়ের প্রভাবে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন।

অণিমা হোড় ১৯৫৭ সালের উত্তরবঙ্গের বর্তমান আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন।[১] তিনি চা-বাগান শ্রমিকদের দুর্দশার বিষয় বিধানসভায় তুলে ধরেন এবং নারী শ্রমিকদের সমান মজুরির দাবিতে জোরাল বক্তব্য রাখেন। তিনি শাসকদল কংগ্রেসের সদস্য হয়েও কয়েকটি বিষয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবিও বিধানসভায় রাখেন। তিনি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করেন। তারই প্রচেষ্টায় সরকার পাটের নিম্নতম দাম বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। তিনি বেরুবাড়ী পাকিস্তানকে হস্তান্তরের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। বাংলার একমাত্র প্রতিনিধি হিসাবে তিনি 'দেরাদুনে অল ইন্ডিয়া কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট স্কিম'-এর কর্মশালায় যোগ দেন।[২]

তিনি পরে জনতা দলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি উত্তরবঙ্গের 'জোন অফ আর্ক' নামে পরিচিত ছিলেন।[২]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "General Elections, India, 1957, to the Legislative Assembly of West Bengal" (PDF)Constituency-wise Data। নির্বাচন কমিশন। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৪ 
  2. স্বাধীনতা সংগ্রামী চরিতাভিধান (যেন ভুলে না যাই) প্রথম খণ্ড পরিমার্জিত দ্বিতীয় সংস্করণ - ডাঃ ননীগোপাল দেবদাস