তিসি

উদ্ভিদের প্রজাতি
(Flax থেকে পুনর্নির্দেশিত)

তিসি(ইংরেজি:Linseed, বৈজ্ঞানিক নামঃ linum usitatissimum) তেল ও আঁশ উৎপাদনকারী গুল্ম। মিশরে লিনেন জাতীয় বস্ত্র তৈরীতে এর ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে তেল বীজ ও আঁশ হিসাবে ব্যবহার হয়।

তিসি
Flax
Linum usitatissimum - Köhler–s Medizinal-Pflanzen-088.jpg
The flax plant
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Malpighiales
পরিবার: Linaceae
গণ: Linum
প্রজাতি: L. usitatissimum
দ্বিপদী নাম
Linum usitatissimum
Linnaeus.

বর্ণনাসম্পাদনা

এটি ৩০ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ উঁচু হয়। ফুলনীল, সাদা বা হালকা গোলাপী হয়। প্রতিটা ফুলে পাঁচটি করে পাপড়ি থাকে। ভোর বেলা ফুল ফোটে এবং বিকালে ঝড়ে যায়। কাণ্ডের বাকল বা ছাল থেকে আঁশ তৈরি হয়। আশ সংগ্রহের জন্য উদ্ভিদের কাণ্ড পানির নিচে ৭-২১ দিন রেখে আঁশ সংগ্রহ করা হয়। জাগ দেওয়া ও আঁশ সংগ্রহ পাট হতে আঁশ সংগ্রহের মতো।

পুষ্টিমূল্য/উপাদানসম্পাদনা

তিসিবীজের পুষ্টিগুণ
প্রতি ১০০ গ্রাম (৩.৫ আউন্স)-এ পুষ্টিমান
শক্তি২,২৩৪ কিজু (৫৩৪ kcal)
২৮.৮৮ g
চিনি১.৫৫ g
খাদ্য আঁশ২৭.৩ g
৪২.১৬ g
সুসিক্ত স্নেহ পদার্থ৩.৬৬৩ g
এককঅসুসিক্ত৭.৫২৭ g
বহুঅসুসিক্ত২৮.৭৩০ g
২২.৮ g
৫.৯ g
১৮.২৯ g
ভিটামিনপরিমাণ দৈপ%
থায়ামিন (বি)
১৪৩%
১.৬৪৪ মিগ্রা
রিবোফ্লাভিন (বি)
১৩%
০.১৬১ মিগ্রা
নায়াসিন (বি)
২১%
৩.০৮ মিগ্রা
প্যানটোথেনিক
অ্যাসিড (বি)
২০%
০.৯৮৫ মিগ্রা
ভিটামিন বি
৩৬%
০.৪৭৩ মিগ্রা
ফোলেট (বি)
২২%
৮৭ μg
ভিটামিন সি
১%
০.৬ মিগ্রা
খনিজপরিমাণ দৈপ%
ক্যালসিয়াম
২৬%
২৫৫ মিগ্রা
লৌহ
৪৪%
৫.৭৩ মিগ্রা
ম্যাগনেসিয়াম
১১০%
৩৯২ মিগ্রা
ফসফরাস
৯২%
৬৪২ মিগ্রা
পটাসিয়াম
১৭%
৮১৩ মিগ্রা
জিংক
৪৬%
৪.৩৪ মিগ্রা

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মার্কিন সুপারিশ ব্যবহার করে শতাংশ অনুমান করা হয়েছে।
উৎস: ইউএসডিএ ফুডডাটা সেন্ট্রাল

প্রোটিন, তেল, কার্বোহাইড্রেট, ছাই, আঁশ বিদ্যমান।

ফসলসম্পাদনা

তিসি বীজ দু ধরণের হয়, বাদামী অথবা হলুদ রঙের। হলুদ রঙের বীজগুলিকে golden linseeds ও বলে।[১] তিসি ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পাকে। পাকলে গাছ এবং ফল সোনালী বা কিছুটা তামাটে রং ধারণ করে। ফল ভালভাবে পাকার পরই ফসল কেটে বা উপড়িয়ে নেয়ার পর গাছগুলো ছোট ছোট আঁটি বেঁধে বাড়ির আঙ্গিনায় স্তুপ করে রাখা যায়। জীবনকাল ১০০-১১৫ দিন।

চিত্রশালাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Grant, Amanda (২০০৭-০৩-০৬)। "Superfoods"The Guardian। London। ২০১৬-০৯-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।