১ম সহস্রাব্দ

সহস্রাব্দ

অ্যানো ডোমিনি বা প্রচলিত যুগের প্রথম সহস্রাব্দ ১ থেকে ১০০০ বছর জুড়ে বিস্তৃত একটি সহস্রাব্দ হিসেবে গণনা করা হয় (প্রথম থেকে দশম শতাব্দী; জ্যোতিষশাস্ত্রে: জেডি ১৭২১৪২৫.৫ -২০৮৬৬৬৭.৫)[১]। পূর্ববর্তী সহস্রাব্দের তুলনায় এই সময়কালে বিশ্বের জনসংখ্যা বেশ ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১ খ্রিস্টাব্দে প্রায় ২০০ মিলিয়ন জনসংখ্যা থেকে ১০০০ খৃষ্টাব্দ অব্দি মাত্র ৩০০ মিলিয়নের মতো জনসংখ্যা হয়েছিল।[২]

সহস্রাব্দ:
শতাব্দী:
যীশু খৃষ্টরোম সাম্রাজ্যমক্কার বৃহত্তম মসজিদদাবাহুন শাসক আত্তিলা৭৯ খৃষ্টাব্দে আগ্নেয়গিরি ভিসুভিয়াসের অগ্লুৎপাতমধ্যযুগের প্রাথমিক পর্বতিওতিহুয়াকানপাইলেটের দরবার
ওপর থেকে বামদিকে:যীশু খৃষ্টের ছবি যিনিখৃষ্ট ধর্মের প্রধান ব্যক্তি; কলোসিয়ামরোম সাম্রাজ্যের বিস্ময়কর সৃষ্টি ; কাবা শরীফমক্কার বৃহত্তম মসজিদ,ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থান; নতুন ধরনের বোর্ড খেলা দাবা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে ওঠে; মধ্যযুগের প্রথম দিকে পশ্চিমী রোম সাম্রাজ্যের পতনের সূচনা; ৭৯ খৃষ্টাব্দে পর্বত ভিসুভিয়াস এর অগ্লুৎপাতে নিহত "রিং লেডি" নামে পরিচিত একজন তরুণীর মস্তকের খুলির অবশিষ্টাংশ; হুনিক সাম্রাজ্যের নেতা আত্তিলা দ্য হুন যিনি পূর্ব ইওরোপের বেশিরভাগ দখল করেছিলেন (মেক্সিকো শহরে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব এনথ্রোপলজিতে সংরক্ষিত তিওতিহুয়াকান ম্যুরাল (দেয়ালে নির্মিত চিত্র) ধারার চিত্র)
নতুন সহস্রাব্দে ১ম খৃষ্টাব্দের বিশ্ব মানচিত্র

পশ্চিমা ইউরেশিয়াতে (ইউরোপ এবং নিকট প্রাচ্য), প্রথম সহস্রাব্দ ছিল প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগে উত্তরণের সময় । প্রথম শতাব্দী রোমান সাম্রাজ্যের শীর্ষাবস্থান দেখেছিল যা পরবর্তীতে প্রত্নতাত্ত্বিক যুগে ধীরে ধীরে পতনের সম্মুখীন হয় এবং সে সাথে খ্রিস্টান ধর্মের উত্থান ও মহান অভিবাসনের সূচনা হয়। সহস্রাব্দের দ্বিতীয়ার্ধ ইউরোপের আদি মধ্যযুগ হিসেবে পরিচিত এবং পশ্চিমে ভাইকিং সম্প্রসারণ ও পূর্বে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের উত্থান দ্বারা চিহ্নিত।

পূর্ব এশিয়ায় প্রথম সহস্রাব্দ এক ব্যাপক সাংস্কৃতিক অগ্রগতির সময় ছিল। এ সময় পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটেছিল। চীনে, দশম শতাব্দীতে পাঁচটি রাজবংশ এবং দশ রাজত্বের সময়কালে নতুন বিচ্ছিন্নতা উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত হান রাজবংশের স্থান দখল করে নেয় জিন রাজবংশ এবং তারপর তাং রাজবংশের আবির্ভাব ঘটে। জাপানে, লোহার সরঞ্জামের ব্যবহারের দরুণ কৃষকদের উৎপাদনশীলতা এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির ফলে জনসংখ্যার ব্যাপক বর্ধনশীল প্রবণতা দেখা যায়। জাপানে ইয়ামতো আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। গুপ্ত সাম্রাজ্য গঠনের আগ পর্যন্ত প্রথম সহস্রাব্দ জুড়ে ভারতীয় উপমহাদেশ অসংখ্য রাজ্যে বিভক্ত ছিল। আরব থেকে পশ্চিম এশিয়া, ভারত, উত্তর আফ্রিকা এবং আইবেরিয়ান উপদ্বীপে ইসলাম ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল যা ইসলামী স্বর্ণযুগে (–০০-১২০০) চূড়ান্ত রূপলাভ করেছিল।

মেসোমেরিকাতে (উত্তর আমেরিকার একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল যা প্রায় বেলিজ হয়ে মধ্য মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, নিকিরাগুয়া ও উত্তর কোস্তারিকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল) প্রথম সহস্রাব্দ ব্যাপক বিকাশের সময়কাল ছিল যা ক্লাসিক যুগ (২০০-৯০০) নামে পরিচিত। এসময় তেওতিহুয়াকান (মেসোআমেরিকান শহর) একটি মহানগরীতে পরিণত হয় এবং এর সাম্রাজ্য পুরো মেসোআমেরিকাতে আধিপত্য করত। দক্ষিণ আমেরিকায় প্রাক-ইনকা ও উপকূলীয় সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছিল। সেখানে প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক ধাতুশিল্প এবং উৎকৃষ্ট মৃৎশিল্প তৈরি করা হতো। উত্তর আমেরিকায় সহস্রাব্দের শেষ দিকে মিসিসিপি নদ এবং ওহিও নদীর উপত্যকায় মিসিসিপি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। অসংখ্য শহর নির্মিত হয়েছিল এ সময় যার মধ্যে বৃহত্তম শহর কাহোকিয়া বর্তমান ইলিনয় রাজ্যে গড়ে উঠেছিল। কাহোকিয়ায় সন্ন্যাসীদের স্তূপ বা ঢিবি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ৯০০-৯৫০ খৃষ্টাব্দে।

সাব-সাহারান আফ্রিকাতে, বান্টু অভিবাসন প্রায় ৫ম শতাব্দীর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাতে পৌঁছে গিয়েছিল। অন্যদিকে ট্রান্স সাহারান ক্রীতদাস ব্যবসা ৯ম শতাব্দীর মধ্যে সাহারা এবং সোয়াহিলি উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।

১ম সহস্রাব্দে যত সভ্যতা, রাজ্য ও রাজবংশসম্পাদনা

আফ্রিকা এশিয়া/ ওশেনিয়া ইওরোপ কলম্বিয়া পুর্ব আমেরিকা
উত্তর আফ্রিকা
East Africa
সাহারা/ পশ্চিম আফ্রিকা
মধ্য / দক্ষিণ আফ্রিকা
পশ্চিম এশিয়া
পূর্ব এশিয়া
মধ্য এশিয়া


দক্ষিণ এশিয়া

দক্ষিণপূর্ব এশিয়া
ওশেনিয়া
দক্ষিণ-পূর্ব ইওরোপ
ইতালি
লাইবেরিয়া
পশ্চিম/মধ্য ইউরোপ
পূর্ব ইওরোপ
উত্তর ইওরোপ
মেসোআমেরিকা
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর আমেরিকা

ঘটনাবলিসম্পাদনা

এখানে জাতিসংঘ জিওস্কীম অনুসারে ঘটনাগুলো সাজানো হয়েছে

১ম সহস্রাব্দের বিভিন্ন ঘটনা ও ট্রেন্ডসমূহ
  আফ্রিকা আমেরিকা এশিয়া ইওরোপ ওশেনিয়া
১ম শতাব্দী ৭০ সাল: কান্দাকে আমানিখাতাশান জেরুজালেম বিদ্রোহে রোমান সম্রাটের সাহায্যার্থে কুশাইট অশ্বারোহী সেনা প্রেরণ করেন[৩]১০০ সাল: আকসুম রাজ্যের উত্থান

১০০ সাল: খোয়েখোয়েগণ আফ্রিকার দক্ষিণ উপকূলে পৌঁছে যায়[৪]

১ সাল: চাহুয়াচি প্রতিষ্ঠা [৫]৫০ সাল: সূর্য পিরামিডের সূচনা[৫] ২৫ সাল: হান রাজবংশ সম্রাট গুয়াংগু অধীনে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়

৩৩ সাল : খৃষ্টধর্মের সূচনা

৭০ সাল: ইহুদী নির্বাসন

৯ সাল: রোম ও জার্মানির সীমানা হিসেবে রাইনের প্রতিষ্ঠা [৬]৪৭ সাল: লন্ডন প্রতিষ্ঠিত হয়

৫৮ সাল: আল্পস কত্তিয়া রোমান প্রদেশে পরিণত হয় [৬]

৭৯ সাল: পম্পেই ধ্বংসযজ্ঞ

১ সাল: ক্যারোলাইন দ্বীপপুঞ্জ উপনিবেশে পরিণত হয়[৭]
২য় শতাব্দী ১৫০ সোয়াহিলি পূর্ব চিহ্ন রাপটা, পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান সি

২০০ বান্টু জনগোষ্ঠী পূর্য় আফ্রিকায় পৌঁছায়[৮]২০০ নক সংস্কৃতির পতন

১৫০ চাহুয়াচি দক্ষিণ পেরুর প্রভাবশালী আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রে পরিণত হয়[৫] ১৮৪ হলুদ টারবান বিদ্রোহ ১০৬ দাচিয়া একটি রোমান প্রদেশে পরিণত হয়[৬]১৬৬ একুইলিয়া অবরোধ[৬]

১৮০ম্যাক্রোম্যানিক যুদ্ধের সমাপ্তি[৬]

 
  আফ্রিকা আমেরিকা এশিয়া ইওরোপ ওশেনিয়া
তয় শতাব্দী ২১২ মিশরীয়রা রোমার নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দেয়[৮]২৩০ আকসুম রাজ্য হিমার এবং সাবা জোটের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়

৩০০ আকসুমরা নিজস্ব মুদ্রা তৈরি করে

২৫০ Rise of লেগুনা ডি লস কেররোস এর উত্থান

২৯২ স্টেলা ২৯ উৎকীর্ণ করা হয়[৫]৩০০ তিকাল এল মিরাদর জয় করে নেন[৫]

২০৮ রেশক্লিফ যুদ্ধ হয় হান রাজবংশের পতনের প্রাক্কালে

২৮০ জিন চীনের পুনঃএকত্রীকরণ করেন

২১২ রোমান নাগরিকত্ব সাম্রাজ্যের সকল মুক্ত মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়[৬]২১৪ হিস্পানিয়া গ্যালেসিয়া, তার্রাকোনেন্সিস, বায়েক্টিকা এবং লুসিতানিয়ায় বিভন্ত হয়ে পড়ে[৬]

২৮৬ দিওক্লেশীয় সাম্রাজ্য পূর্ব পশ্চিমে বিভক্ত হয়ে যায় [৬]

৩০০ পূর্ব পলেনেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ[৯]
৪র্থ শতাব্দী ৩৩৩ আকসুম রাজ্য খৃষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়

৩৫০ মেরো পতনের দ্বারপ্রান্তে চলে আসে [৮]৩৫০ আনোয়ারের রাজা কাজা মাজা

৩৭৮ তেওতিহুয়াকান ওয়াকা, তিকাল এবং উয়াক্সাকতুম মায়া বিজয়ের প্রাক্কালে জয় করে নেয়[১০] ৩১৯ দক্ষিণ এশিয়ায় গুপ্ত সাম্রাজ্যের উত্থান

৩৮৩ ফেই নদীর যুদ্ধ ৯৯৩ শেষ অলিম্পিক খেলা

৩১৩ মিলান অধ্যাদেশ[৬]

৩৭০ পশ্চিম ইওরোপে হুনদের অভিযান[৬]

৩৯৬ গ্রীসে আলারিক ও ভিসিগথদের অভিযান[৬]

 
  আফ্রিকা আমেরিকা এশিয়া ইওরোপ ওশেনিয়া
৫ম শতাব্দী ৪০১ আনু. ট্রান্স সাহারা অঞ্চলে উট প্রধান যাতায়াত বাহনে পরিণত হয়

৪২৯ ভ্যন্ডাল অভিযান[৮]৫০০ নুবিয়া রাজ্য নোবাদিয়া, মাকুরিয়া, আলোদিয়ায় বিভক্ত হয়ে যায়

  ৪২০ দক্ষিণ ও উত্তর রাজবংশসমূহের যুগের সূচনা ৪০৭ ভ্যান্ডালরা এইবেরিয়াতে প্রবেশ করে[১১]৪২১ রোমানরা পারসীয়দের পরাজিত করে[১১]

৪৭৬ রোমান সাম্রাজ্যের পতন[১১]

৫০০ হাওয়াই, ইস্তার দ্বীপপুঞ্জ, সোসাইটি দ্বীপপুঞ্জ, তুয়ামতোস এবং মানগারেভার বসতির সূচনা[৯]
৬ষ্ঠ শতাব্দী ৫২০ কালেবরা ইয়েমেন আক্রমণ করে

৫৩৩ বেলিসারিয়াসের আফ্রিকা অভিযান[৮]৫৪০ নুবিয়া মনোফাইসাইট খৃষ্টানত্ব গ্রহণ করে

৬০০ ওয়ারি পেরু জয় করেন[১২]৬০০ পালেনঙ্ক নির্মাণ[৫] ৫৩৮ জাপানে বৌদ্ধধর্মের সূচনা

৫৭০ ইসলাম ধর্মের মুহাম্মদের মুহাম্মদের জন্ম

৫০৭ ভ্যুইলের যুদ্ধ[১১]৫৩৫ ইতালীতে বাইজেন্টীয় সৈন্যদের আক্রমণ[১১]

৫৮৫ ভিদিগথরা সুয়েভি রাজ্য জয় করে নেয়[১১]

 
  আফ্রিকা আমেরিকা এশিয়া ইওরোপ ওশেনিয়া
৭ম শতাব্দী ৬৪১ আফ্রিকায় মুসলিমদের অভিযান[১৩]৬৯০ জা রাজবংশের প্রতিষ্ঠা

697 কার্থেজ ধ্বংস[১৩]

৬৫০ জোচিতেকাতেল এবং কাকাক্সতলা উপনিবেশ[১২]৭০০ তিওতিহুয়াকান ধ্বংস[১২] ৬১৮ তাং রাজবংশের প্রতিষ্ঠা

৬৩১ ইসলামের উত্থান ৬৫১ ইসলামের পারস্য বিজয়

আনু. ৬৮০ বুলগেরিয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ৭০০ কুক দ্বীপপুঞ্জের বসতি স্থাপন[৯]
৮ম শতাব্দী ৭০২ আকসুমদের আরব আক্রমণ[১৩] ৭০৬ মিশরে আরবি ভাষার প্রবেশ[১৩]

৭৮৯ স্বাধীন মরক্কো[১৩]

৭৩৮ কুইরিগুয়া কোপান থেকে স্বাধীন হয়

৭৫০ পবিত্র কেনোট নির্মিত হয় চিচেন ইৎজায়[১২]

৭৮০ বোনামপাকের [১২]ম্যুরালসমূহ পরিত্যাক্ত হয়

৭৩৮ ভারতে খিলাফতি অভিযান এবং উমাইয়া খিলাফতের ভারত অভিযান ব্যর্থ

৭৫৫ আন শি বিদ্রোহ

৭১৭ কনস্ট্যানটিনোপল অধিগ্রহণ

৭১৮ স্পেনে ইসলামের বিজয়

 
  আফ্রিকা আমেরিকা এশিয়া ইওরোপ ওশেনিয়া
৯বম শতাব্দী   ৮০১ আনু. কানেম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা

৮০১আনু. আকসুম রাজ্যের পতন হয় এবং রাজধানী স্থানান্তরিত হয়

৯০০ আনু. ইগবো ইকউ প্রতিষ্ঠিত হয়[১৪]

  ৮৩৫ গানলু ঘটনা ৮৭২ নরওয়ে একত্রীকরণ

আনু.৮৭৪ আইসল্যান্ডে বসতির সূচনা ৮৯৬ কার্পেথিয়ায় হাঙ্গেরীয় অভিযান

৯০০ নিউজিল্যান্ডে বসতির সূত্রপাত[৯]
১০ম শতাব্দী ৯০৫ তুলুনীয়দের উৎখাত[১৩]৯০৯ ফাতিমীয়দের প্রতিষ্ঠা[১৩]

৯৬৯ মিশরীয় রাজধানী ফুস্তাত অধিগ্রহণ[১৩]

৯৫০ গ্রেট সার্পেন্ট স্তূপ নির্মাণ[১২]৯৯০ টলটেকরা চিচেন ইৎজা বিজয় করে নেয় ৯০৭ পঞ্চ রাজবংশের রাজনৈতিক উত্থানপর্বের সূচনা

৯৬০ সং রাজবংশের প্রতিষ্ঠা

৯৫৮ ডেনমার্কের একত্রীকরণ

৯৮৫ এরিক দ্য রেড গ্রীনল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপন করেন

১০০০ পলিনেশীয়রা পাথর দিয়ে মন্দির নির্মাণ করতে শুরু করে [৯]

উদ্ভাবন, আবিষ্কার ও সূত্রপাতসম্পাদনা

যোগাযোগ গণিত ও বিজ্ঞান কৃষি যাতায়াত যুদ্ধসংশ্লিষ্ট
  1. কাঠের ব্লকে মুদ্রণ
  2. কাগজ[১৫]
  1. বীজগণিত
  2. টলেমীয় পদ্ধতি
  3. ইস্পাত
  1. কফি
  2. হপস (পানীয় দ্রব্যেের সুগন্ধ, মাদকতা, তীব্রতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত এক ধরনের ফুল)
  1. ঘোড়ার খুরবন্ধনী
  2. স্টারআপ (কোন প্রাণীর পিঠে চড়ে বসার জন্য এক ধরনের হাতল বিশেষ)
  3. চৌম্বকীয় কম্পাস
  1. গ্রীক ফায়ার (বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সময় শত্রুপক্ষের জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেয়ার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের অস্ত্র)
  2. গোলাবারুদ[১৫]

শতাব্দী ও দশকসমূহসম্পাদনা

প্রথম শতক ০দশক ১০র দশক ২০র দশক ৩০র দশক ৪০র দশক ৫০র দশক ৬০র দশক ৭০র দশক ৮০র দশক ৯০র দশক
দ্বিতীয় শতক ১০০র দশক ১১০র দশক ১২০র দশক ১৩০র দশক ১৪০র দশক ১৫০র দশক ১৬০র দশক ১৭০র দশক ১৮০র দশক ১৯০র দশক
তৃতীয় শতক ২০০র দশক ২১০র দশক ২২০র দশক ২৩০র দশক ২৪০র দশক ২৫০র দশক ২৬০র দশক ২৭০র দশক ২৮০র দশক ২৯০র দশক
চতুর্থ শতক ৩০০র দশক ৩১০র দশক ৩২০র দশক ৩৩০র দশক ৩৪০র দশক ৩৫০র দশক ৩৬০র দশক ৩৭০র দশক ৩৮০র দশক ৩৯০র দশক
পঞ্চম শতক ৪০০র দশক ৪১০র দশক ৪২০র দশক ৪৩০র দশক ৪৪০র দশক ৪৫০র দশক ৪৬০র দশক ৪৭০র দশক ৪৮০র দশক ৪৯০র দশক
ষষ্ঠ শতক ৫০০দশক ৫১০র দশক ৫২০র দশক ৫৩০র দশক ৫৪০র দশক ৫৫০র দশক ৫৬০র দশক ৫৭০রদশক ৫৮০র দশক ৫৯০র দশক
সপ্তম শতক ৬০০র দশক ৬১০র দশক ৬২০র দশক ৬৩০র দশক ৬৪০র দশক ৬৫০র দশক ৬৬০র দশক ৬৭০র দশক ৬৮০র দশক ৬৯০র দশক
অষ্টম শতক ৭০০র দশক ৭১০র দশক ৭২০র দশক ৭৩০র দশক ৭৪০র দশক ৭৫০র দশক ৭৬০র দশক ৭৭০র দশক ৭৮০র দশক ৭৯০র দশক
নবম শতক ৮০০র দশক ৮১০র দশক ৮২০র দশক ৮৩০র দশক ৮৪০র দশক ৮৫০র দশক ৮৬০র দশক ৮৭০র দশক ৮৮০র‌ দশক ৮৯০র দশক
দশম শতক ৯০০র দশক ৯১০র দশক ৯২০র দশক ৯৩০র দশক ৯৪০র দশক ৯৫০র দশক ৯৬০র দশক ৯৭০র দশক ৯৮০র দশক ৯৯০র দশক

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Julian Day Number from Date Calculator"High accuracy calculation for life or science. (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৭-১৪ 
  2. Klein Goldewijk, Kees; Beusen, Arthur; Van Drecht, Gerard; De Vos, Martine (২০১০-০৯-১১)। "The HYDE 3.1 spatially explicit database of human-induced global land-use change over the past 12,000 years"Global Ecology and Biogeography20 (1): 73–86 Goldewijk et al. (2011) estimate 188 million as of the year 1, citing a literature range of 170 million (low) to 300 million (high). Out of the estimated 188 million, 116 million are estimated for Asia (East Asia, South Asia, Southeast Asia, and Central Asia, excluding Western Asia), 44 million for Europe and the Near East, 15 million for Africa (including Roman Egypt and Roman North Africa), 12 million for Mesoamerica and South America. North America and Oceania were at or below one million. For 1000, they estimate the world population at 295 million .। আইএসএসএন 1466-822Xডিওআই:10.1111/j.1466-8238.2010.00587.x 
  3. Jr Ph D Grant Bishop Williams(2009). Abraham's Other Sons. AuthorHouse: pp. 50,51. আইএসবিএন ৯৭৮১৪৩৮৯৯৭০৯৪
  4. Ehret, Christopher (2002). The Civilizations of Africa. Charlottesville: University of Virginia, p. 177, আইএসবিএন ০-৮১৩৯-২০৮৫-X.
  5. "World Timeline of the Americas 200 BC - AD 600"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৯-০২-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০১ 
  6. "World Timeline of Europe 200 BC-AD 400 Roman"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৯-০৩-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০৬ 
  7. "World Timeline of the Oceania 1500 BC-AD 1"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৮-১১-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০২ 
  8. "World Timeline of Africa 332 BC-AD 400"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৯-০২-২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০২ 
  9. "World Timeline of Oceania AD 1-1100"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৯-০৫-২৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০২ 
  10. http://ngm.nationalgeographic.com/print/2007/08/maya-rise-fall/gugliotta-text
  11. "World Timeline of Europe AD 400-800 Early medieval"। The British Museum। ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০৬ 
  12. "World Timeline of the Americas AD 600-1000"। The British Museum। ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০১ 
  13. "World Timeline of Africa AD 600-1500"। The British Museum। ২০০৫। ২০০৯-০৩-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০২ 
  14. Coquery-Vidrovitch, Catherine. The History of African Cities South of the Sahara. Princeton: Markus Wiener Publishers, 2005, p. 45, আইএসবিএন ১-৫৫৮৭৬-৩০৩-১
  15. "Who Built it First"Ancient Discoveries। A&E Television Networks। ২০০৮। ২০০৯-০৪-২৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০৩