হুগলি মাদ্রাসা
হুগলি মোহসিনীয় মাদ্রাসা সংক্ষেপে হুগলি মাদ্রাসা পশ্চিমবঙ্গের একটি অন্যতম প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলার প্রখ্যাত সমাজসেবক হাজী মুহাম্মদ মহসিন।
হুগলি মোহসিনীয় মাদ্রাসা | |
---|---|
অবস্থান | |
, , ৭১২১০২ | |
স্থানাঙ্ক | ২২°৫৩′১৭″ উত্তর ৮৮°২৪′০৬″ পূর্ব / ২২.৮৮৮১২৫° উত্তর ৮৮.৪০১৬৫২° পূর্ব |
তথ্য | |
বিদ্যালয়ের ধরন | সরকারি |
প্রতিষ্ঠাকাল | ১৮১৭ |
প্রতিষ্ঠাতা | হাজী মুহাম্মদ মহসিন |
শ্রেণি | ১-১০ |
ভাষা | বাংলা ও ইংলিশ |
ইতিহাস
সম্পাদনাহাজী মুহাম্মদ মহসিন বাংলার একজন স্বনামধন্য সমাজসেবক, ১৮০৬ সালে একটি ওয়াকফ (দাতব্য এনডাওমেন্ট) প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য তার সব সম্পত্তি দান করেন। তার মৃত্যুর পাঁচ বছর পর, চুঁচুড়া শহরে গঙ্গার তীরে স্থাপিত হয় মাদ্রাসা-ই-মাহসানিয়া। পরে এই মাদ্রাসা হুগলি মাদ্রাসা নামে পরিচিত হয়[১]। ১৮৩৬ সালে 'মহসিন এনডাওমেন্ট ফান্ডের' দ্বারা হুগলি মহসিন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হুগলি মাদ্রাসা কলেজ কর্তৃক পরিচালিত হত। ১৯১৫ সালে মাদ্রাসার সিলেবাসটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক সংশোধিত হয় এবং আধুনিক শিক্ষা চালু হয়। ১৯৪০ সাল থেকে হুগলি মাদ্রাসা একটি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ হিসাবেও কাজ করছে। স্বাধীনতার পরে এবং ১৯৬২ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ডের অফিস এই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছিল। বর্তমানে এটি সম্পূর্ণরূপে সরকারি মাদ্রাসা এবং পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষা বিভাগের স্কুল শিক্ষা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।
উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী
সম্পাদনাহুগলি মাদ্রাসা এর প্রাক্তন ছাত্র হলেন স্যার সৈয়দ আমির আলী, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, তাজউদ্দিন আহমদ এবং শাহ আজিজুর রহমান, শামসুল ওলামা গোলাম সালমানী (হুগলি মাদ্রাসার সাবেক হেড মৌলভী), বিজ্ঞানী আতাউর রহমান, বাংলা আক্ষরিক মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী অন্যতম।
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ↑ TwoCircles.net। "Two-hundred-year-old Hooghly Madrasa facing closure – TwoCircles.net" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-০৪।