লাল বাঁশ সাপ

সরীসৃপের প্রজাতি

Oreocryptophis porphyraceus, দাঁড়াশ সাপের একটি প্রজাতি, যা সাধারণত লাল বাঁশ সাপ বা থাই বাঁশ দাঁড়াশ সাপ নামে পরিচিত।[১] দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যম থেকে উচ্চ উচ্চতার বনভূমি আচ্ছাদিত পাহাড় ও উপপ্রজাতির ভিত্তিতে চিরহরিৎ ক্রান্তীয় বনাঞ্চল থেকে শুকনো মৌসুমী বনে এদের পাওয়া যায়। এটি Oreocryptophis গণের একমাত্র প্রজাতি, কিন্তু পূর্বে একে Elaphe গণে অন্তর্ভুক্ত করা হত।[১]

লাল বাঁশ সাপ
Oreocryptophis
Gfp-red-mountain-racer.jpg
লাল বাঁশ দাঁড়াশ সাপ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
বর্গ: Squamata
উপবর্গ: Serpentes
পরিবার: Colubridae
গণ: Oreocryptophis
প্রজাতি: O. porphyraceus
দ্বিপদী নাম
Oreocryptophis porphyraceus
(ক্যান্টর, ১৮৩৯)
প্রতিশব্দ
  • Elaphe porphyracea
  • Oreophis porphyraceus
  • Simotes vaillanti
  • Liopeltis kawkamii

ভৌগোলিক বিস্তৃতিসম্পাদনা

ভারত (দার্জিলিং, সিকিম, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ (মিয়াও, নামদাফা - চ্যাংলাং জেলা, ইটানগর - পাপুম পারে জেলা), মায়ানমার, ভুটান, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, নেপাল, দক্ষিণ চীন (তিব্বত, সিছুয়ান, ইউন্নান, হংকং, হাইনান, উত্তর দিকে হনান এবং কানসু; ওয়েই হে নদীর দক্ষিণে), তাইওয়ান, পশ্চিম মালয়েশিয়া (ক্যামেরন হাইল্যান্ডস, পাহাং), ইন্দোনেশিয়া (সুমাত্রা)। তবে নাম বসতি হল "ভারত: আসাম, মিশমি পাহাড়।" উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানেও এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়।[২]

আবাসস্থলসম্পাদনা

এই সাপেদের জন্য শীতল এবং খুব আর্দ্র পরিস্থিতি সবচেয়ে উপযুক্ত। অনেক সময় এদের এমনকি ৮০০ মিটারের অধিক উচ্চতায়, চিরহরিৎ আর্দ্র অতিবৃষ্টি অরণ্য বা মৌসুমী ক্রান্তীয় অরণ্যেও পাওয়া যায়। তারা বেশিরভাগ সময় পাতার আবর্জনায়, মস কার্পেটের নীচে বা পাথর এবং কাঠের নীচে লুকিয়ে কাটায়।

খাদ্যাভাসসম্পাদনা

এরা প্রাথমিকভাবে বন্য ইঁদুর এবং অন্যান্য ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ভক্ষণ করে। এছাড়া ব্যাঙ তাদের সম্ভাব্য খাদ্য হতে পারে।

উপ-প্রজাতিসম্পাদনা

উপ-প্রজাতি ভৌগোলিক বিস্তৃতি
O. p. porphyraceus ভুটান; ভারত; লাওস; মায়ানমার; নেপাল; চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
O. p. coxi উত্তর-পশ্চিম থাইল্যান্ড
O. p. kawakamii তাইওয়ান
O. p. laticinctus ইন্দোনেশিয়া, উপদ্বীপীয় মালয়েশিয়া, সুমাত্রা
O. p. vaillanti চীন, ভিয়েতনাম
O. p. pulcher চীন

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Oreocryptophis porphyraceus"The Reptile Database। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৬-০৫ 
  2. Hakim, Jonathan; Trageser, Scott; Ghose, Animesh; Das, Kanai; Rashid, Muhammad; Rahman, Shahriar (২০২০-০৯-২৩)। "Amphibians and reptiles from Lawachara National Park in Bangladesh"Check List16: 1239–1268। ডিওআই:10.15560/16.5.1239 
  • Boulenger, George A. 1890 The Fauna of British India, Including Ceylon and Burma. Reptilia and Batrachia. Taylor & Francis, London, xviii, 541 pp.
  • Cantor, T. E. 1839 Spicilegium serpentium indicorum [parts 1 and 2]. Proc. Zool. Soc. London, 7: 31-34, 49-55.
  • Das, I. 1999 Biogeography of the amphibians and reptiles of the Andaman and Nicobar Islands, India. In: Ota, H. (ed) Tropical Island herpetofauna.., Elsevier, pp. 43–77
  • Gray, J. E. 1853 Descriptions of some undescribed species of reptiles collected by Dr. Joseph Hooker in the Khassia Mountains, East Bengal, and Sikkim Himalaya. Ann. Mag. Nat. Hist. (2) 12: 386 - 392
  • Grossmann, Wolfgang and Klaus Dieter Schulz. 2000 Elaphe porphyracea laticincta Schulz & Helfenberger. Sauria 22 (2):2
  • Gumprecht, A. 2003 Anmerkungen zu den Chinesischen Kletternattern der Gattung Elaphe (sensu lato) Fitzinger 1833. Reptilia (Münster) 8 (6): 37-41
  • Lenk, P.; Joger, U. & Wink, M. 2001 Phylogenetic relationships among European ratsnakes of the genus Elaphe Fitzinger based on mitochondrial DNA sequence comparisons. Amphibia-Reptilia 22 (3): 329-339
  • Schulz, Klaus-Dieter 1996 A monograph of the colubrid snakes of the genus Elaphe Fitzinger. Koeltz Scientific Books, 439 pp.
  • Schulz, Klaus-Dieter (Ed.) 2013 Old World Ratsnakes. A Collection of Papers. Bushmaster Publishing, 432 pp.
  • Utiger, Urs, Notker Helfenberger, Beat Schätti, Catherine Schmidt, Markus Ruf and Vincent Ziswiler 2002 Molecular systematics and phylogeny of Old World and New World ratsnakes, Elaphe Auct., and related genera (Reptilia, Squamata, Colubridae). Russ. J. Herpetol. 9 (2): 105-124.

বহিঃসংযোগসম্পাদনা