রিপাবলিকান পার্টি (পাকিস্তান)

সামরিক ও সিভিল সার্ভিসে মুখ্য নেতাদের উস্কানিতে পশ্চিম পাকিস্তান প্রদেশ গঠনের পক্ষে সমর্থন দেয়া এবং ১৯৫৫ সালের অক্টোবরে মুসলিম লীগ এবং অন্যান্য রাজনীতিবিদদের একটি বিরুদ্ধ দলের দ্বারা পাকিস্তান রিপাবলিকান পার্টি গঠন করা হয়েছিল। দলের সভাপতি ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ খান সাহেব। এই কাজের পেছনে মূল প্ররোচনাকারী ছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা। তিনি এই দলের সহসভাপতি ছিলেন এবং পরে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের উদ্বোধনী রাষ্ট্রপতি হন। কেন্দ্রীয় সংসদীয় নেতা ছিলেন স্যার ফিরোজ খান নূন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৭ – ১৯৫৮)।[১]

দলীয় নেতাগণসম্পাদনা

পাঞ্জাবসম্পাদনা

নবাব মোজাফফর আলী খান কিজিলবাশ, ফজল ইলাহী চৌধুরী (গুজরাত জেলা), সৈয়দ আমজাদ আলী (লাহোর জেলা), সরদার আবদুল হামিদ খান দস্তি (মোজাফফরগড় জেলা), কর্নেল সৈয়দ আবিদ হুসেন ( ঝাং জেলা), সরদার আমির আজম খান, সৈয়দ জামিল হুসেন রিজভী (গুজরাত জেলা), মখদুমজাদা সৈয়দ হাসান মাহমুদ (রহিম ইয়ার খান জেলা), মাহর মুহাম্মদ সাদিক (ফয়সালবাদ জেলা), চৌধুরী আবদুল গনি ঘুমান ( শিয়ালকোট জেলা), বেগম খুদেজা জিএ খান ( ফয়সালাবাদ জেলা), রুকন-উদ-দৌলা শমসের জাং আলী-হাজ নবাব সাজ্জাদ আলী খান (গুজরাওয়ালা জেলা )।

সিন্ধসম্পাদনা

কাজী ফজলুল্লাহ উবেদুল্লাহ (লারকানা জেলা), পীরজাদা আবদুস সাত্তার ( সুক্কুর জেলা), মির্জা মমতাজ হাসান কিজিলবাশ ( খায়রপুর মীর), হাজী মীর আলী আহমেদ খান তালপুর (হায়দরাবাদ জেলা ), হাজী নাজমুদ্দিন লঘারী সিরওয়াল (বদিন জেলা) ও সৈয়দ খায়ের শাহ ইমাম আলী শাহ (নবাবশাহ জেলা)।

উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশসম্পাদনা

ডাঃ খান সাহেব, সরদার আবদুর রশিদ খান, খান জালালউদ্দিন খান জালাল বাবা, খান নূর মুহাম্মদ খান এবং খান সখী জন খান ( বান্নু জেলা )

বেলুচিস্তানসম্পাদনা

নবাব আকবর খান বুগতি (ডেরা বুগতি ), জাম মীর গোলাম কাদির খান (লাসবেলা জেলা) সরদার হাফিজ ও সরদার ওয়ালিদ উমর রিন্দ (তুরবাত)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. আহমেদ কামাল (২০১২)। "আহমেদ, আদেল উদ্দিন"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন 9843205901ওএল 30677644Mওসিএলসি 883871743