রিচার্ড স্নেল

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার

রিচার্ড পিটার স্নেল (ইংরেজি: Richard Snell; জন্ম: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮) ডারবানে জন্মগ্রহণকারী সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

রিচার্ড স্নেল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরিচার্ড পিটার স্নেল
জন্ম১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮
ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ৪২
রানের সংখ্যা ৯৫ ৩২২
ব্যাটিং গড় ১৩.৫৭ ১৬.১০
১০০/৫০ ০/০ ০/২
সর্বোচ্চ রান ৪৮ ৬৩
বল করেছে ১,০২৫ ২,০৯৫
উইকেট ১৯ ৪৪
বোলিং গড় ২৮.৩১ ৩৫.৭৭
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৪/৭৪ ৫/৪০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ৭/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং উদ্বোধন করে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন রিচার্ড স্নেল

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ট্রান্সভাল দলের পক্ষে খেলেছিলেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে স্টিভেন জ্যাকের সাথে অবিস্মরণীয় উদ্বোধনী জুটি গড়ে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও ৪২টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণের সুযোগ ঘটেছিল রিচার্ড স্নেলের। ১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গন থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট খেলায় প্রত্যাবর্তন ঘটলে তিনি দলের অন্যতম সদস্যরূপে খেলেন ও প্রথম টেস্ট উইকেট পান। ১৯৯৩ সালে হিরো কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭.১-২-১২-৪ বোলিং করে সকলকে বিমোহিত করেন। এরপর ১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে বেনসন এন্ড হেজেস বিশ্ব সিরিজে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫/৪০ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। এটিই তার সেরা বোলিং নৈপুণ্য ছিল। ১৯৯৬ সালে ব্লুমফন্তেইনের চেভ্রোলেট পার্কে অনুষ্ঠিত ওডিআইয়ে ৬৩ রান তুলেন। ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে এটিই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ছিল।[১]

অবসরসম্পাদনা

১৯৯৮ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন।[২] এরপর থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে কাজ করেন। তারপর পারিবারিক শিল্পজাত পরিচ্ছন্ন সেবা ও সরবরাহকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রেনো ইন্ডাস্ট্রিয়াল আফ্রিকায় যোগ দেন।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা