প্রধান মেনু খুলুন

মনমোহন দত্ত

এটা মহর্ষি মনোমোহন দত্তের ছবির প্রতিরুপ। এই ছবির মালিক আমি। এবং সবাই। এখানে কোনো ছবি না থাকায় আমি এটা ব্যবহার করছি।

মনমোহন দত্ত ছিলেন মলয়া সংগীতের জনক, মরমী সাধক, কবি, বাউল, সমাজ সংস্কারক ও অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। মনমোহন দত্তের লেখা গানগুলো সুর দিয়েছেন ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ এর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা আফতাব উদ্দিন।

মনমোহন দত্ত
জন্ম১২৮৪ বঙ্গাব্দের ১০ই মাঘ
মৃত্যু১৩১৬ বঙ্গাব্দের ২০শে আশ্বিন
বাসস্থানসাতমোড়া ,ব্রাক্ষণবাড়ীয়া,
জাতীয়তাব্রিটিশ ভারতীয়
জাতিসত্তাবাঙালি
পেশাকবিরাজি
পরিচিতির কারণলোকশিল্পী ও সাধক
দাম্পত্য সঙ্গীসাধ্বী সৌধামনি দত্ত
সন্তানএক ছেলে

জন্ম ও বংশপরিচয়সম্পাদনা

মনমোহন দত্ত ব্রিটিশ ভারতের ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার অর্ন্তগত সাতমোড়া গ্রামে ১২৮৪ বঙ্গাব্দের ১০ই মাঘ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল পদ্মনাথ দত্ত ও মাতার নাম ছিল হর মৌহিনি। তাদের পারিবারিক পেশা ছিলো কবিরাজি। মনমোহন দত্তের পূর্বপুরুষরা সোনার গাঁও ভট্টগ্রামের জমিদার ও এ অঞ্চলের প্রধান সাঁজওয়াল ছিলেন। সাঁজওয়াল বলতে সে সময় যারা বাদশাদের সৈন্য সামন্ত যোগান দিত তাদের বোঝায়। পরে ঐ বংশের একটা অংশ সাতমোড়া গ্রামে বসতি স্থাপন করে।

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

মনমোহন তার শিক্ষা জীবন শুরু করেন তারই গ্রামের এক বৃদ্ধ রামজীবন চক্রবর্তী ব্রাহ্মণের পাঠশালায়। পরবর্তীতে তিনি গ্রামের স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে পঞ্চম শ্রেণী পাস করেন। তিনি মোক্তারি সম্বন্ধে শিক্ষালাভ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

পরিবারসম্পাদনা

ছইফুল্লাকান্দি গ্রামের সাধ্বী সৌধামনি দত্তের সাথে ১৩০৮ সনের ২৮শে ভাদ্র সোমবার মনমোহন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি মাত্র সন্তান ছিল, নাম শ্রী সুধীরচন্দ্র দত্ত ।

সঙ্গীত সাধনাসম্পাদনা

মনমোহন দত্তের চিন্তাভাবনার পরিচয় তার গানেই পাওয়া যায় । সমকালীন নানা কুসংস্কার, সামাজিক বিভেদ, সাম্প্রদায়িকতাসহ বিভিন্ন কুপ্রথার বিরুদ্ধে তিনি গানের মাধ্যমে প্রতিবাদ তুলে ধরেন। তার গানে স্রষ্টা ও সৃষ্টির অলৌকিক সর্ম্পকও খুব সাবলীলভাবে ফুটে উঠে। তার গান নিয়ে শিল্পকলা একাডেমী,[১] জাতীয় নাট্যশালাসহ[২] দেশের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় সংস্থা বিভিন্ন সময় গবেষণাসহ স্মরণনভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারের অনুসারীরা মনমোহনের ভাব সঙ্গীতের দ্বারা বেশ প্রভাবিত। তাঁর স্বল্প জীবনকালে প্রায় হাজার খানেক গান, কবিতা এবং আধ্যাত্মিক সাধন প্রণালী এবং মনুষত্ত্ব অর্জনের পথের দিশা সংক্রান্ত গান লিখে গেছেন।

রচনাবলীসম্পাদনা

তার উল্লেখযোগ্য রচনাবলীর মধ্যে রয়েছে:

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সংলাপের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে 'দেবতার গ্রাস'"দৈনিক প্রথম আলো। ২০১৬-০৩-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১২-০৪ 
  2. "জাতীয় নাট্যশালায় রাজ হিমাদ্রী"দৈনিক প্রথম আলো [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]