ভৈরব পৌরসভা বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার অন্তর্গত একটি পৌরসভা[১][২][৩]

ভৈরব পৌরসভা
স্থানীয় সরকার
নেতৃত্ব
মেয়রফখরুল আলম আক্কাছ
নির্বাচন
ভোটদান ব্যবস্থাএফপিটিপি
সভাস্থল
ভৈরব পৌরসভা কার্যালয়
ওয়েবসাইট
bhairabmunicipality.gov.bd

ইতিহাস =

পৌরসভার সাধারণ তথ্য

  • পৌরসভার সংক্ষিপ্ত বিবরণ (৫০০ শব্দের মধ্যে)

অবস্থান ও সীমানাঃ১২০২৯ টি পরিবার সম্বলিত ১১৮৩০০ জনসংখ্যা অধ্যুষিত ভৈরব একটি উপজেলা সদর ও প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা । প্রাচীন এই পৌরসভাটি রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক পথে ৮৪ কিঃ মিঃ উত্তর পূর্বে অবস্থিত । ভৈরব ১৯৫৮ সালে পৌরসভা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে । ১৩.০৭ বর্গ কিঃ মিঃ বিস্তৃত মেঘনা নদীর উত্তর তীরে মেঘনা ও পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদীর সঙ্গমস্থলে ভৈরব পৌরসভার অবস্থান । এটি দেশের প্রাচীন দ্বিতীয় নৌ-বন্দরও । পৌর এই শহরটির সাথে দেশের সব অঞ্চলের নৌ-সড়ক ও রেলপথে উত্তম যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে । বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সড়ক ও রেলপথ এই শহরের উপর দিয়ে গিয়েছে । এর মধ্যে অন্যতম হলো ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ সড়ক, ঢাকা-চট্রগ্রাম, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-ভৈরব-কিশোরগঞ্জ রেলপথ । এছাড়াও দেশের দুইটি বৃহত্তম সড়ক সেতু ও রেলসেতু  এই পৌরসভায় অবস্থিত ।

লোকসংখ্যাঃ১২ টি ওয়ার্ডে বিভক্ত ভৈরব পৌরসভার মোট লোকসংখ্যা প্রায় ১১৮৩০০ জন । এদের মধ্যে পুরুষ ৬২২২০ জন এবং নারী ৫৬০৮০ জন । ২০০১ সালে আদম শুমারী অনুযায়ী ভৈরব পৌরসভার লোকসংখ্যা ছিল ৯১২৮০ জন । পুরুষ ৪৬৯৬২ জন, নারী ৪৪৩১৮ জন । বর্তমানে ভৈরব পৌরসভার প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে ৯০৫১ জন । ২০০৪ সালে ঘনবসতির হার ছিল ৭৬৬৫ জন । ভৈরব পৌরসভার জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার ২.০২ শতাংশ । বর্তমানে পৌর এলাকার ভোটারের সংখ্যা ৫৯১৪২জন এর মধ্যে পুরুষ ২৯০৬০ জন নারী ৩০০৮২ জন । হোল্ডিং সংখ্যা ১২০২৯ ।


ভৌত অবকাঠামো, রাস্তা ও অন্যান্যঃ একবিংশ শতাব্দীর শহরাঞ্চলের অবকাঠামো ও ভৌত সেবার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রুত গতিতে । ভৈরব পৌরসভার ভৌত অবকাঠামো ও রাস্তা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হলেও এ পর্যায়ে বর্তমানে যে অবকাঠামো রয়েছে তা হলো সড়ক মোট ৪৮.৪৫ কিঃ মিঃ [১১.১০ কিঃ মিঃ পীচ ঢালা (কার্পেটিং), ৬.১০ কিঃ মিঃ এইচবিবি এবং বাকী ১৯.৩৫ কিঃ মিঃ ঢালাই রাস্তা (সিসি)] ড্রেন মোট- ১৭.০৯ কিঃ মিঃ (২.৭৪ কিঃ মিঃ আরসিসি এবং ১৪.৩৫ কিঃ tঃ ইটের গাথুনি) । ভৈরব পৌরসভার মালিকাধীন বাজার রয়েছে ২টি, বাসটার্মিনাল ১টি, লঞ্চঘাট ১টি, যানবাহনের মধ্যে জীপ ১টি, আবর্জনা বহনকারী ট্রাক ৩টি, মটর সাইকেল ২টি, পৌর এলাকার মাত্র ১৫% জনগণের জন্য রয়েছে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, এছাড়াও ভৈরব পৌর এলাকায় যেসব অবকাঠামো রয়েছে তা হলো উপজেলা কমপে­ক্স ১টি, ভূমি অফিস ১টি, সাব রেজিষ্টার অফিস ১টি, থানা ৩টি, টাউন ফাঁড়ি (পুলিশ) ১টি, রেলওয়ে জংশন ১টি, বাসষ্ট্যান্ড ৩টি, খেয়াঘাট ৩টি, ফায়ার ষ্টেশন ২টি, পোষ্ট অফিস ৩টি, ডাকবাংলো ৩ টি, ষ্টেডিয়াম ১টি, অডিটরিয়াম ২টি, সিনেমা হল ২টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩৫টি, মসজিদ ৭৮টি, মন্দির ৫টি, গোরস্থান ৯টি, শ্মশান ২টি, ঈদগাহ ৭টি, এতিমখানা ২টি, প্রেসক্লাব ১টি, পাঠাগার ৪টি, হাসপাতাল ১টি, পশুহাসপাতাল ১টি, ক্লিনিক ৪টি, মাতৃসদন ১টি, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র ১টি, পাবলিক টয়লেট ৫টি, পৌর নিউমার্কেট ১টি, কাঁচা বাজার ১টি, মাছের পাইকারী বাজার ১টি, গোহাটা ১টি, পাকা সেতু ১১টি, কালভার্ট ২৪টি, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ ১টি, বাণিজ্যিক ব্যাংক ২১টি, জুটমিল ১টি, কোল্ড ষ্টোরেজ ২টি, ষ্টিল এন্ড গ্যালভানাইজিং প­ান্ট ১টি, লৌহ দূরীকরণ প­ান্ট ১টি, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ প­ান্ট ১টি, সিলিকেট ফ্যাক্টরী ২টি, ওভার হেড ট্যাংক ১টি, জ্বালানী তেল ডিপো ৩টি, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ২টি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ উপকেন্দ্র রয়েছে ১টি ।


ভৈরব পৌরসভার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ ভৈরব পৌরসভা তার সময়োপযোগী উন্নয়ন চাহিদা ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবনতার কথা বিবেচনা করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে- শহরের বাকী সড়ক ও ড্রেনগুলোর উন্নয়ন সাধন, মাস্টার   প্ল­্যান অনুযায়ী পানি নিস্কাসন ব্যবস্থা, একটি ট্রাক টার্মিনাল, একটি কাঁচা বাজার, একটি কসাইখানা, পৌর এলাকার বস্তি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন ও একটি সুপার মার্কেট নির্মাণ । এছাড়াও একটি ল্যান্ডফিল্ড সাইট নির্মাণসহ সড়ক বাতি স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে । অধিকন্তু পৌরসভা শহরের যানবাহন সুচারুরূপে চলাচলের সুবিধার্থে একটি কার্যকরী বাইপাস সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও  রয়েছে, যা অত্যন্ত আধুনিক ও দূরদর্শী পদক্ষেপ । ভৈরববাসী মনে করে ভৈরব পৌরসভার উপরোক্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভৈরব হবে একটি আধুনিক  যুগোপযোগী শহর।

প্রশাসনিক এলাকা ভৈরব উপজেলা বিস্তারিত জানতে এখানেঃসম্পাদনা

ভৈরব উপজেলাসম্পাদনা

  • English

ভৈরব উপজেলা (কিশোরগঞ্জ জেলা)  আয়তন: ১৩৯.৩২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৪°০২´ থেকে ২৪°১১´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৫৪´ থেকে ৯১°০২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে বাজিতপুর উপজেলা, দক্ষিণে রায়পুরা ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর উপজেলা, পূর্বে সরাইল উপজেলা, পশ্চিমে কুলিয়ারচর ও বেলাবো উপজেলা।

জনসংখ্যা ২৪৭১৬৬; পুরুষ ১২৫৬২১, মহিলা ১২১৫৪৫। মুসলিম ২৩৫৮৪৭, হিন্দু ১১২৪৬ এবং অন্যান্য ৭৩।

জলাশয় প্রধান নদ-নদী: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা।

প্রশাসন ভৈরব থানা গঠিত হয় ১৯০৬ সালে এবং থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৩ সালে। পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৫৮ সালে।

উপজেলা
পৌরসভা ইউনিয়ন মৌজা গ্রাম জনসংখ্যা ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%)
শহর গ্রাম শহর গ্রাম
৩২ ৮৪ ৯৩২৫৪ ১৫৩৯১২ ১৭৭৪ ৫৩.৬ ৩২.৩
পৌরসভা
আয়তন (বর্গ কিমি) ওয়ার্ড লোকসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%)
১৫.৭২ ১২ ২৬ ৯৩২৫৪ ৫৯৩২ ৫৩.৬
ইউনিয়ন
ইউনিয়নের নাম ও জিও কোড আয়তন (একর) লোকসংখ্যা শিক্ষার হার (%)
পুরুষ মহিলা
আগানগর ২১ ৬৩৩১ ১৩৯৬৪ ১৩৩৪২ ২৩.৫৪
কালিকাপ্রসাদ ৪৭ ৩২৪১ ১৩৪৩৫ ১৩৪৭১ ৩২.২৩
গজারিয়া ৩৫ ৪৭৩৭ ১১৪১১ ১১৭১৭ ৩২.৮৫
শিবপুর ৭১ ১৬৬৯ ১০৪০০ ১০৬৯১ ৩৫.০৬
শিমুলকান্দি ৮৩ ২৮৬৬ ১২৯৭৩ ১২৫৯৪ ৩৭.১৪
শ্রীনগর ২৭৪৩ ৬৬২৪ ৬৮৭৯ ৩৩.০০
সাদেকপুর ৫৯ ৩১৬০ ৮০৫০ ৮৩৬১ ৩৩.৭৫

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ নীলকুঠি (শিমুলকান্দি), ইমামবাড়ি (শিমুলকান্দি), গজারিয়া গ্রামের জগবন্ধুর অট্টালিকা, তিতুমিয়ার অট্টালিকা, ভৈরব বাজারে কারুকার্য খচিত রবীন সাহার অট্টালিকা।

মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল ভৈরবের বিভিন্ন স্থানে পাকবাহিনী  হামলা চালিয়ে ৪০০ নিরীহ লোককে হত্যা করে। শুধুমাত্র ইব্রাহিমপুরে তারা ২৫০ জনকে হত্যা করে। এছাড়া মানিকদী মসজিদে ও আশুগঞ্জে বহু লোককে হত্যা করে। ১৩ ডিসেম্বর পাকসেনারা ভৈরব রেলসেতুটি বিধ্বস্ত করে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন স্মৃতি ভাস্কর্য ১ (দুর্জয় ভৈরব, ভৈরব বাসস্ট্যান্ড); স্মৃতিসৌধ ১ (হালগড়া খেয়াঘাট, পানাউল্লার চর)।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান  মসজিদ ২০৮, মন্দির ৭, মাযার ১৩, আখড়া ২। উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: সিদ্দিকচর জামে মসজিদ, তিয়ারীর চর জামে মসজিদ, আগানগর জামে মসজিদ, শিমুলকান্দি জামে মসজিদ, শম্ভুপুর জামে মসজিদ, মানিকদী জামে মসজিদ, কালিকা প্রসাদ মুন্সীবাড়ি জামে মসজিদ, কালীবাড়ির মাতৃমন্দির, গোপাল জিওর মন্দির, কালিকা প্রসাদের অষ্টমী স্নানের ঘাট।

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৪০.৭%; পুরুষ ৪৪.৮%, মহিলা ৩৬.৬%। কলেজ ৫, টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ১, সমাজকল্যাণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ২, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯, প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯৫, কিন্ডার গার্টেন ১২, মাদ্রাসা ৯। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: হাজী আসমত কলেজ (১৯৪৭), ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (১৯৮০), রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ (১৯৮৭), কে বি হাইস্কুল (১৯১৯), বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫৪), শ্রীনগর হাইস্কুল (১৯৬১), ভৈরব এম পি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬২), কালিকা প্রসাদ হাইস্কুল (১৯৬৪), জগন্নাথপুর পুরাতন প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৯৫)।

পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী দৈনিক: একুশে কাগজ; সাপ্তাহিক: নিরপেক্ষ অরুণিমা, দিনের গান, উজান স্রোত; অবলুপ্ত সাপ্তাহিক: দিশারী, গ্রাম বাংলা, মফস্বলচিত্র; পাক্ষিক: ভৈরব।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য মৈত্রী সেতু, ভৈরব রেলসেতু, মেঘনা নদীর তীরের বোটানিক্যাল গার্ডেন।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১৪, নাট্যদল ৪, নাট্যমঞ্চ ১, সিনেমা হল ৩, মহিলা সংগঠন ৩।

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৩০.০৮%, অকৃষি শ্রমিক ১০.১৭%, শিল্প ১.৫১%, ব্যবসা ২৩.৫৪%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৮৭%, চাকরি ৮.৮৬%, নির্মাণ ১.৬৯%, ধর্মীয় সেবা ০.২০%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ২.১৪% এবং অন্যান্য ১৭.৯৪%।

কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৪৩.৩৪%, ভূমিহীন ৫৬.৬৬%। শহরে ২৬.৪১% এবং গ্রামে ৫৩.৪০% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।

প্রধান কৃষি ফসল ধান, পাট, চীনাবাদাম, সরিষা, আলু, ডাল, তিল, মরিচ, ধনিয়া, আদা, হলুদ, শাকসবজি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি কার্পাস তুলা।

প্রধান ফল-ফলাদি আম, জাম, পেয়ারা, কলা।

মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার মৎস্য ৭, গবাদিপশু ১৭৫, হাঁস-মুরগি ১৮২, হ্যাচারি ১।

যোগাযোগ বিশেষত্ব পাকারাস্তা ১২৭.২২ কিমি, আধা-পাকারাস্তা ৬.১০ কিমি, কাঁচারাস্তা ১২৫.২১ কিমি; নৌপথ ৬.৪৮ নটিক্যাল মাইল; রেলপথ ১২.২৭ কিমি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন পাল্কি।

শিল্প ও কলকারখানা জুটমিল, রাইসমিল, চিড়ামিল, স্টিল মিল, বিস্কুট ফ্যাক্টরি, সাবান ফ্যাক্টরি, বিড়ি ফ্যাক্টরি, রিরোলিং ইন্ডাস্ট্রিজ, সিলিকেট ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়েল্ডিং কারখানা।

কুটিরশিল্প স্বর্ণশিল্প, তাঁতশিল্প, লৌহশিল্প, মৃৎশিল্প, বুননশিল্প, বাঁশের কাজ, বেতের কাজ।

হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার ৪০, মেলা ৩। ভৈরব বাজার, শিমুলকান্দি বাজার, গজারিয়া বাজার, চকবাজার, সিদ্দিক বাজার উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য মাছ, বিড়ি, বিস্কুট, লুঙ্গি, গামছা।

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ উপজেলার সবক’টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পল্লিবিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ৫১.৩১% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

পানীয়জলের উৎস নলকূপ ৯৩.৭১%, পুকুর ০.১১%, ট্যাপ ২.০১% এবং অন্যান্য ৪.১৭%। এ উপজেলার ২৯.৯৫% অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ উপজেলার ৩৯.৭৪% (গ্রামে ২৪.৬২% ও শহরে ৬৫.১৬%) পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ৪৫.৫১% (গ্রামে ৫৫.৩৮% ও শহরে ২৮.৯০%) পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। ১৪.৭৫% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৫, রেলওয়ে হাসপাতাল ১, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ২, কমিউনিটি ক্লিনিক ৭, ক্লিনিক ৬।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ১৯৭৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮ ও ২০০৪ সালের বন্যায় এ উপজেলার ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদিপশু ও অন্যান্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং বহু লোকের প্রাণহানি ঘটে।

এনজিও ব্র্যাক, প্রশিকা, আশা, গ্লোবাল ভিলেজ, নীড, আরডিএ।  [শরীফ আহমেদ]

তথ্যসূত্র   আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো; ভৈরব উপজেলা সাংস্কৃতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন ২০০৭।

আয়তন ও জনসংখ্যাসম্পাদনা

লোকসংখ্যাঃ১২ টি ওয়ার্ডে বিভক্ত ভৈরব পৌরসভার মোট লোকসংখ্যা প্রায় ১১৮৩০০ জন । এদের মধ্যে পুরুষ ৬২২২০ জন এবং নারী ৫৬০৮০ জন । ২০০১ সালে আদম শুমারী অনুযায়ী ভৈরব পৌরসভার লোকসংখ্যা ছিল ৯১২৮০ জন । পুরুষ ৪৬৯৬২ জন, নারী ৪৪৩১৮ জন । বর্তমানে ভৈরব পৌরসভার প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে ৯০৫১ জন । ২০০৪ সালে ঘনবসতির হার ছিল ৭৬৬৫ জন । ভৈরব পৌরসভার জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান হার ২.০২ শতাংশ । বর্তমানে পৌর এলাকার ভোটারের সংখ্যা ৫৯১৪২জন এর মধ্যে পুরুষ ২৯০৬০ জন নারী ৩০০৮২ জন । হোল্ডিং সংখ্যা ১২০২৯ ।

শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণসম্পাদনা

শিক্ষার হার :

শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণ

দর্শনীয় স্থানসম্পাদনা

কৃতী ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

জনপ্রতিনিধিসম্পাদনা

বর্তমান মেয়র- ফখরুল আলম আক্কাছ

সাবেক মেয়রগণের তালিকা
ক্রমিক নাম মেয়াদকাল

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "ভৈরব পৌরসভা"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০ 
  2. "ভৈরব পৌরসভা"BDMayor। ১১ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০ 
  3. "কিশোরগঞ্জ সকল পৌরসভার মেয়রগণ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ১১ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০২০