প্রধান মেনু খুলুন

ব্সোদ-নাম্স-স্গোম-পো-গো-খার-বা

ইংল্যান্ডে যাত্রা করার পূর্বে অন্যান্য তিন ছাত্রের সঙ্গে ব্সোদ-নাম্স-স্গোম-পো-গো-খার-বা

ব্সোদ-নাম্স-স্গোম-পো-গো-খার-বা (ওয়াইলি: bsod nams sgom po go khar ba) (১৮৯৮-১৯১৯) একজন তিব্বতী সমর আধিকারিক ছিলেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

বিদেশে শিক্ষাসম্পাদনা

ত্রয়োদশ দলাই লামা তিব্বতকে আধুনিক করার উদ্দেশ্যে ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে ব্যাং-ঙ্গোস-পা-রিন-স্গাং (ওয়াইলি: byang ngos pa rin sgang), দ্বাং-'দুস-নোর-বু (ওয়াইলি: dbang 'dus nor bu), ম্খ্যেন-রাব-কুন-ব্জাং (ওয়াইলি: mkhyen rab kun bzang) এবং ব্সোদ-নাম্স-স্গোম-পো-গো-খার-বা নামক চারজন তিব্বতীকে ইংল্যান্ডে আধুনিক শিক্ষালাভের উদ্দেশ্যে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।[১] ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪শে এপ্রিল তাঁরা ইংল্যান্ড পৌছে শিক্ষালাভের উদ্দেশ্যে ভর্তি হন। পরবর্তীকালে তিনি দক্ষিণ লন্ডনের উলুইচ অঞ্চলের রয়্যাল মিলিটারি অ্যাকাডেমীতে সমরবিদ্যা নিয়ে শিক্ষালাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের সেনাবাহিনীর সাথে একজন সমর আধিকারিক হিসেবে শিক্ষালাভ করেন।[২]

তিব্বতেসম্পাদনা

ব্রিটিশ সামরিক কৌশল সম্বন্ধে শিক্ষালাভ করে চারজন ছাত্রের মধ্যে ব্সোদ-নাম্স-স্গোম-পো-গো-খার-বা প্রথম তিব্বত ফিরে আসেন। লাসা শহরে তিনি তিব্বতী সেনাবাহিনীকে আধুনিক কলাকৌশল শেখাতে উদ্যোগী হন। এরপর তাঁকে শিগাৎসে অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি দ্রুত সেখানে একটি সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সক্ষম হন।[৩] এরপর তাঁকে রাজনৈতিক কারণে খাম্স অঞ্চলের সীমান্তে স্থানান্তরিত করা হয়।[৪] ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে লাসা শহরে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু ঘটে বলে মনে করা হলেও,[n ১] ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় বলেও অনেকে মনে করেন।[৬]

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. "Gongkar returned to Tibet by the middle of March 1919. A telegram dated 17.12.1919 from the Political Officer Sikkim to Secretary Foreign & Political Department, Government of India, reads : "Tibetan trade agent at Gyantse reported that Mr. Gongkar died at Lhasa from malaria about a month ago.[৫]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Harris, Clare & Tsering Shakya (2003) Seeing Lhasa: British depictions of the Tibetan capital 1936-1947, আইএসবিএন ৯৭৮-১৯৩২৪৭৬০৪০, p. 40 }}
  2. Lamb, Alastair (1966) Tom Browns From Central Asia, in: McKay, Alex (2003) The History of Tibet, deel III: The Modern Period: 1895-1959, Rootledge, New York en Londen, আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৩০৮৪৪১, pag. 327
  3. Bell, Charles (1924) Tibet, Past and Present, D.K. Fina Art Press, Delhi, p. 163, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭৫৩৬০৮৭৭
  4. Ford, Robert W., Wind Between the Worlds, New York: David McKay Company, Inc, 1957, p. 109
  5. K. Dhondup, The Thirteenth Dalai Lama's Experiment in Modern Education. The Tibet Journal, 1984, 9(3): 38-58. p. 46
  6. Macdonald, David (1932) Twenty Years in Tibet, in: McKay, Alex (2003) The History of Tibet, deel III: The Modern Period: 1895-1959, Rootledge, New York, আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৩০৮৪৪১, pag. 327-328