প্রাকৃতিক ভূগোল

প্রাকৃতিক ভূগোল (ভূমিবিদ্যা বা ভূপদ্ধতি নামেও পরিচিত) হচ্ছে ভূগোলের প্রধান দুটি শাখার একটি।[১] প্রাকৃতিক ভূগোল প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সেই শাখা যেটি প্রাকৃতিক পরিবেশের মূল অংশগুলো, যেমন: বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জীবমণ্ডল, ভূমণ্ডলের গঠন ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

True-color image of the Earth's surface and atmosphere. NASA Goddard Space Flight Center image.

ভাগসমূহসম্পাদনা

প্রাকৃতিক ভূগোল আরও কতগুলো উপবিভাগে বিভক্ত হয়ে থাকে; এগুলো হলো:

  • ভূমিরূপবিদ্যা - ভূমিরূপবিদ্যা হলো বর্তমানে এবং অতীতে উভয়ে ক্ষেত্রেই পৃথিবীর উপরিভাগ এবং তা কীভাবে গঠিত হলো সেই প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত চর্চা। ক্ষেত্র হিসাবে ভূমিরূপবিদ্যার বেশ কয়েকটি উপ-ক্ষেত্র রয়েছে যা বিভিন্ন পরিবেশের নির্দিষ্ট ভূগঠন নিয়ে কাজ করে, যেমনঃ মরুভূমির ভূমিরূপবিদ্যা এবং পাললিক ভূমিরূপবিদ্যা; এই উপ-ক্ষেত্রগুলি মূল প্রক্রিয়াগুলির দ্বারা একত্রিত হয়, যা প্রধানত প্লেট সঞ্চরণ বা জলবায়ু প্রক্রিয়াগুলির কারণে সংগঠন করে। ভূমিরূপবিদ্যা ভূগঠন ইতিহাস এবং গতিবিদ্যা বোঝার চেষ্টা করে এবং ক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ, সরাসরি পরীক্ষণ এবং সংখ্যাসূচক মডেলিংয়ের (জিওমোরফোমেট্রি) সংমিশ্রনে ভবিষ্যত পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেয়। ভূমিরূপবিদ্যা প্রাথমিক অধ্যয়নগুলি মৃত্তিকা বিজ্ঞানের দুটি প্রধান শাখার অন্যতম পেডোলজির ভিত্তি।

প্রখ্যাত প্রাকৃতিক ভূগোলবিদসম্পাদনা

 
আলেকজেন্ডার ফন হামবোল্ট, প্রাকৃতিক ভূগোলের জনক হিসাবে যাকে আখ্যায়িত করা হয়।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Fundamentals of Physical Geography, 2nd Edition, by M. Pidwirny, 2006
  2. Eratosthenes (২০১০)। Eratosthenes' "Geography"। Fragments collected and translated, with commentary and additional material by Duane W. Roller। Princeton University Pressআইএসবিএন 978-0-691-14267-8 
  3. Avraham Ariel, Nora Ariel Berger (2006)."Plotting the globe: stories of meridians, parallels, and the international". Greenwood Publishing Group. p.12. আইএসবিএন ০-২৭৫-৯৮৮৯৫-৩
  4. Jennifer Fandel (2006)."The Metric System". The Creative Company. p.4. আইএসবিএন ১-৫৮৩৪১-৪৩০-৪
  5. Akbar S. Ahmed (1984). "Al-Beruni: The First Anthropologist", RAIN 60, p. 9-10.
  6. H. Mowlana (2001). "Information in the Arab World", Cooperation South Journal 1.
  7. S. P. Scott (1904), History of the Moorish Empire, pp. 461-2:

    The compilation of Edrisi marks an era in the history of science. Not only is its historical information most interesting and valuable, but its descriptions of many parts of the earth are still authoritative. For three centuries geographers copied his maps without alteration. The relative position of the lakes which form the Nile, as delineated in his work, does not differ greatly from that established by Baker and Stanley more than seven hundred years afterwards, and their number is the same.

অধিক পঠনসম্পাদনা

বহি:সংযোগসম্পাদনা