পেনেলোপি ফিটজেরাল্ড

ব্রিটিশ লেখিকা

পেনেলোপি ম্যারি ফিটজেরাল্ড (জন্ম: নক্স; ১৭ ডিসেম্বর ১৯১৬ - ২৮ এপ্রিল ২০০০) একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও জীবনীকার ছিলেন। তার অফশোর উপন্যাসটি ১৯৭৯ সালে বুকার পুরস্কার অর্জন করে। ২০০৮ সালে দ্য টাইমস তাকে "১৯৪৫ সালের পর থেকে ৫০ সেরা ব্রিটিশ লেখক" তালিকায় স্থান প্রদান করে।[১] ২০১২ সালে দি অবজারভার তার সর্বশেষ উপন্যাস দ্য ব্লু ফ্লাওয়ার-কে সেরা ১০ ঐতিহাসিক উপন্যাসের একটি হিসেবে স্থান দেয়।[২]

পেনেলোপি ফিটজেরাল্ড
পেনেলোপি ফিটজেরাল্ড.jpg
স্থানীয় নাম
Penelope Fitzgerald
জন্মপেনেলোপি ম্যারি নক্স
(১৯১৬-১২-১৭)১৭ ডিসেম্বর ১৯১৬
লিংকন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু২৮ এপ্রিল ২০০০(2000-04-28) (বয়স ৮৩)
লন্ডন, ইংল্যান্ড
পেশাঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমারভিল কলেজ, অক্সফোর্ড
সময়কাল
  • ২০শ শতাব্দী
উল্লেখযোগ্য রচনা
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গীডেসমন্ড ফিটজেরাল্ড
(বি. ১৯৪১; মৃ. ১৯৭৬)
সন্তান

জীবনীসম্পাদনা

পেনেলোপি ফিটজেরাল্ড ১৯১৬ সালের ১৭ই ডিসেম্বর লিংকনের ওল্ড বিশপ্‌স প্যালেসে জন্মগ্রহণ করেন।[৩] তার জন্মনাম পেনেলোপি ম্যারি নক্স। তার পিতা এডমুন্ড নক্স পরবর্তীকালে পাঞ্চ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তার মাতা ক্রিস্টিনা (বিবাহপূর্ব হিকস) লিংকনের বিশপ এডওয়ার্ড হিকসের কন্যা ও অক্সফোর্ডের প্রথমদিকের নারী শিক্ষার্থীদের একজন ছিলেন। পেনেলোপি ভাষাবিদ ও অপরাধধর্মী গল্পলেখক রোনাল্ড নক্স, তথ্যগুপ্তিবিদ ডিলউইন নক্স, বাইবেল বিষয়ক পণ্ডিত উইলফ্রেড নক্স, এবং ঔপন্যাসিক ও জীবনীকার উইনিফ্রেড পেকের (বিবাহপূর্ব নক্স) ভাইঝি।[৪]

তিনি ওয়াইকোম্ব অ্যাবি নামে একটি স্বাধীন বালিকা বোর্ডিং স্কুলে পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি ১৯৩৮ সালে সমারভিল কলেজ, অক্সফোর্ড থেকে প্রথম স্থান নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং শিক্ষার্থীদের সংবাদপত্র আইসিসের "বর্ষসেরা নারী" খেতাবে ভূষিত হন।[৩] তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বিবিসিতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৪২ সালে তিনি ডেসমন্ড ফিটজেরাল্ডকে বিয়ে করেন। ১৯৪০ সালে অক্সফোর্ডে থাকাকালীন তাদের পরিচয় হয়েছিল। ডেসমন্ড তখন আইন নিয়ে অধ্যয়ন করছিলেন এবং আইরিশ গার্ডের সৈনিক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। তাদের বিয়ের ছয়মাস পর ডেসমন্ডের রেজিমেন্টকে উত্তর আফ্রিকায় প্রেরণ করা হয়। তিনি লিবিয়ায় ওয়েস্টার্ন ডেজার্ট ক্যাম্পেইনে মিলিটারি ক্রস লাভ করেন, কিন্তু বেসামরিক জীবনে ফিরে আসার পর মদ্যপ হয়ে পড়েন।[৩] এই দম্পতির তিন সন্তান ছিল। তারা হলেন পুত্র ভ্যাল্পি, এবং দুই কন্যা টিনা ও মারিয়া।[৩]

রচনাবলিসম্পাদনা

জীবনীসম্পাদনা

  • এডওয়ার্ড বার্ন-জোন্স (১৯৭৫)
  • দ্য নক্স ব্রাদার্স (১৯৭৭)
  • শার্লট মিউ অ্যান্ড হার ফ্রেন্ডস: উইথ আ সিলেকশন অব হার পোয়েমস (১৯৮৪)

উপন্যাসসম্পাদনা

  • দ্য গোল্ডেন চাইল্ড (১৯৭৭)
  • দ্য বুকশপ (১৯৭৮)
  • অফশোর (১৯৭৯)
  • হিউম্যান ভয়েসেস (১৯৮০)
  • অ্যাট ফ্রেডিস (১৯৮২)
  • ইনোসেন্স (১৯৮৬)
  • দ্য বিগিনিং অব স্প্রিং (১৯৮৮)
  • দ্য গেট অব অ্যাঞ্জেলস (১৯৯০)
  • দ্য ব্লু ফ্লাওয়ার (১৯৯৫, যুক্তরাজ্য; ১৯৯৭, যুক্তরাষ্ট্র)

ছোটগল্প সংকলনসম্পাদনা

  • দ্য মিন্স অব এসকেপ (২০০০)
    • পেপারব্যাক সংস্করণ (২০০১)-এ ২টি অতিরিক্ত গল্প রয়েছে।

প্রবন্ধ ও পর্যালোচনাসম্পাদনা

  • আ হাউজ অব এয়ার (যুক্তরাষ্ট্র শিরোনাম: দি আফটারলাইফ), সম্পাদনা করেছেন টেরেন্স ডুলি এবং ভূমিকা লিখেছেন হারমিওনি লি (২০০৫)

পত্রসম্পাদনা

  • সো আই হ্যাভ থট অব ইউ। দ্য লেটারস অব পেনেলোপি ফিটজেরাল্ড, সম্পাদনা করেছেন টেরেন্স ডুলি এবং প্রারম্ভিকা লিখেছেন এ. এস. বাইয়াট (২০০৮)।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The 50 greatest British writers since 1945"দ্য টাইমস। ৫ জানুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১ 
  2. স্কিডেলস্কি, উইলিয়াম (১৩ মে ২০১২)। "The 10 best historical novels"দি অবজারভার। লন্ডন। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১ 
  3. হলিংহার্স্ট, অ্যালান (৪ ডিসেম্বর ২০১৪)। "The Victory of Penelope Fitzgerald"নিউ ইয়র্ক রিভিউ অব বুকস৬১ (১৯)। 
  4. টার্নার, জেনি (১৯ ডিসেম্বর ২০১৩)। "In the Potato Patch"লন্ডন রিভিউ অব বুকস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা