দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ

১৯২৪ সালের নির্বাক চলচ্চিত্র

'দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ' (ইংরেজিঃ The Last Man On Earth, অনুবাদঃ পৃথিবীর শেষ ব্যক্তি) জন ব্লাইস্টোন নির্মিত, ১৯২৪ সালের আমেরিকান হাস্যরসাত্মক নির্বাক চলচ্চিত্র। ফক্স ফিল্ম কর্পোরেশন প্রযোজিত চলচ্চিত্রটি কিছুটা মেরি শেলি'র ১৮২৬ সালে প্রকাশিত দ্য লাস্ট ম্যান উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। আর্ল ফক্স এটির শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেন।[১] চলচ্চিত্রটি ১৯৩৩ সালে ইটস গ্রেট টু বি এলাইভ নামে পুননির্মাণ করা হয়। ১৯৪৬ সালের সাই-ফাই উপন্যাস মিঃ এডাম এই চলচ্চিত্র হতে অনুপ্রাণিত।

দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ
The Last Man on Earth 1924 poster.jpg
আনুষ্ঠানিক পোস্টার
পরিচালকজন জি. ব্লাইস্টোন
প্রযোজকউইলিয়াম ফক্স
কাহিনিকারডোনাল্ড ডাব্লিউ. লি
জন সোএইন
শ্রেষ্ঠাংশেআর্ল ফক্স
গ্রেস কুনার্ড
গ্ল্যাডিস টেনিসন
ডেরেলিস পারডিউ
মরিস মার্ফি
ক্লারিসা সেলওয়াইন
সুরকারআরনো রেপি
চিত্রগ্রাহকএলেন ডেভি
প্রযোজনা
কোম্পানি
ফক্স ফিল্ম কর্পোরেশন
পরিবেশকফক্স ফিল্ম কর্পোরেশন
মুক্তি
  • ২ নভেম্বর ১৯২৪ (1924-11-02) (যুক্তরাষ্ট্র)
দৈর্ঘ্য৭০ মিনিট
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষানির্বাক
(ইংরেজি ইন্টার টাইটেল)

গল্পসূত্রসম্পাদনা

এলমার নামের একজন পুরুষ(আর্ল ফক্স) তার প্রেয়সি হ্যাটির(ডেরেলিস পারডিউ) সাথে রাগ করে ঘর ছাড়েন, পরিকল্পনা করেন নারীবিহীন জীবন কাটানোর। ১৯৫০ সালে 'মাসকুলাইটিস' নামক এক রোগের মহামারিতে ১৪ বছর তদুর্ধ সকল পুরুষের মৃত্যু হয়। পুরুষ শুন্য পৃথিবী শাসন করে নারী সমাজ। একজন মহিলা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। একজন নারী বিমানচালক গার্টি (গ্রেস কুনার্ড) রেডউড বনের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি কুড়েঘরের চিমনি হতে ধোঁয়া উঠতে দেখে কৌতুহলি হন, জানতে পারেন এখানে এলমার স্মিথ নামে একজন গ্রাম্য পুরুষ নিভৃতে বাস করছেন। এলমার স্মিথকে ধরে এনে, হাসপাতালে তার বংশ বিস্তারের সামর্থ্য পরীক্ষা করা হয়। প্রামাণিত হয় এলমার সামর্থ্যবান। অচীরেই এলমার পৃথিবীর সকল নারীর আকাংক্ষিত পুরুষে পরিণত হন। সরকার তাকে ১০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে গার্টির কাছ থেকে কিনে নেয়, দুইজন নারী সিনেটর, এলমারকে তাদের স্বামী হিসেবে পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। অপরদিকে এলমার তার প্রেয়সি হ্যাটিকে খুঁজে বের করে, অভিমান ভুলে হ্যাটিকে বিয়ে করে।

কুশীলবসম্পাদনা

  • আর্ল ফক্স - এলমার স্মিথ
  • গ্রেস কুনার্ড - গার্টি
  • গ্ল্যাডিস টেনিসন - ফ্রিস্কো কেট
  • ডেরেলিস পারডিউ - হ্যাটি
  • মরিস মার্ফি - এলমারের বন্ধু
  • ক্লারিসা সেলওয়াইন - ডাক্তার প্রডওয়েল
  • ফে হোল্ডারনেস - এলমারের মা
  • ম্যারিয়ন আই- রেড স্যাল
  • হ্যারি ডানকিন্সন - এলমারের বাবা
  • ম্যারি এস্টায়ার - পউলা প্রডওয়েল
  • পাউলিন ফ্রেঞ্চ - ফারলং
  • জেন জন্সটন - ৬ বছর বয়সী হ্যাটি
  • উইলিয়াম স্টিলি - হ্যাটির বাবা
  • বাক ব্ল্যাক - ৮ বছর বয়সী এলমার
  • জিন ডুমাস - হ্যাটির মা

সংরক্ষণসম্পাদনা

দ্য লাস্ট ম্যান অন আর্থ-এর কপি বেলজিয়ামের রাজকীয় চলচ্চিত্র সংরক্ষণাগার এবং নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্ট-এ সংরক্ষিত আছে।[২][৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The Last Man on Earth (1924) THE SCREEN; A Boisterous Fantasy."দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। ডিসেম্বর ১৩, ১৯২৪। 
  2. Blystone, J. G. (১৯২৪), The Last Man On Earth, সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-২৭ 
  3. "Silent Era : Progressive Silent Film List"www.silentera.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-২৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা