তিমুর এয়ার হলো ২০১১ সালের জুলাই মাসে ভিনসেন্ট এভিয়েশন কোম্পানির সাথে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে চালু হওয়া একটি বিমান পরিষেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান। এটি ছিলো পূর্ব তিমুরের (তিমুর-লেস্টে) প্রস্তাবিত জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা।

তিমুর এয়ার
আইএটিএ আইসিএও কলসাইন
BF ETA
প্রতিষ্ঠাকাল২০০৮
কার্যক্রম শুরু২০১১
কার্যক্রম শেষ২০১২
হাবসমূহরাষ্ট্রপতি নিকোলাউ লোবাটো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
দ্বিতীয় হাবসমূহডারউইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
গন্তব্যসমূহ
প্রধান কার্যালয়দিলি, পূর্ব তিমুর
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিজেরেমিয়াস ডেসোসা (প্রতিষ্ঠাতা)
জেমস স্টুয়ার্ট কিম (সিইও)
ওয়েবসাইটflytimorair.com

ইতিহাসসম্পাদনা

২০০৮ সালের ২৭ নভেম্বর তারিখে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন-ভিত্তিক বিমান পরিষেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান স্কাইএয়ারওয়ার্ল্ডের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয় তাদের বিমান পরিষেবা ব্যবস্থাপনা পরিচালনা দক্ষতার সুবিধা গ্রহণের ও একটি এমব্রার ইআরজে-১৯০ (Embraer ERJ-190) দ্বারা যাত্রী পরিবহন করার জন্য,[১] তবে ২০০৯ সালের মার্চ মাসে স্কাইএয়ারওয়ার্ল্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।[২] তিমুর এয়ারের প্রতিষ্ঠাতা জেরেমিয়াস ডেসোসা তিমুর-লেস্টি সরকারকে নতুন এই বিমান সংস্থাটির ১০% মালিকানার ভাগ দিয়েছিলেন।[৩]

২০১২ সালের এপ্রিল মাসে বিমান সংস্থাটি যুক্তরাজ্যের লন্ডন ভিত্তিক বিমান পরিষেবা সম্পর্কিত পরামর্শ দানকারী প্রতিষ্ঠান এভিকন ওয়ার্ল্ডওয়াইড লিমিটেডের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে এবং এভিকন ওয়ার্ল্ডওয়াইড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেমস স্টুয়ার্ট কিমকে তাদের নতুন সিইও হিসেবে নিয়োগ দান করে। ২০১২ সালের মে মাসে বিমান সংস্থাটি স্বল্প যাত্রী বহণ করায় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে দিলি-ডারউইন রুটে স্যাব ৩৪০-এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।[৪][৫] ঐ একই মাসে বিমান সংস্থাটি দিলি-ডারউইন রুটের জেট সরঞ্জামের সাহায্যে বিমান পরিষেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে একটি অপ্রচলিত অপারেটরের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং একই সাথে আশা প্রকাশ করে তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্যান্য রুটেও পরিষেবা শুরু করার।[৬][৭]

গন্তব্যসম্পাদনা

পরিকল্পনা অনুসারে ২০০৯ সালের ২ জুলাই তারিখে প্রাথমিকভাবে দিলির রাষ্ট্রপতি নিকোলাউ লোবাটো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে এবং অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে প্রত্যহিক যাত্রা শুরু হয়।[১][৩] ২০০৯ সালেই আরো অতিরিক্ত কিছু গন্তব্য পথ যোগ করা হবে বলে আশা করা হয়েছিল, তবে সেটি বাস্তবায়িত হয়নি।

দিলি থেকে এর সর্বশেষ প্রাত্যহিক পরিষেবাটি ছিলো ২০১১ সালের ২৬ জুলাই তারিখে ডারউইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অভিমুখে।[৮]

দেশ শহর বিমানবন্দর টীকা সূত্র
অস্ট্রেলিয়া ডারউইন ডারউইন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
পূর্ব তিমুর দিলি রাষ্ট্রপতি নিকোলাউ লোবাটো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কেন্দ্র
ইন্দোনেশিয়া জাকার্তা সুকর্ণ-হাত্তা বিমানবন্দর

বহরসম্পাদনা

এই বিমান সংস্থাটির নিজেস্ব কোনো বাহন ছিলো না; ২০১২ সালের মার্চ মাসে এর পরিবহন বহরে কেবলমাত্র একটি স্যাব ৩৪০ (SAAB 340) বি বিমান যুক্ত ছিলো যেটি ভিনসেন্ট এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করতো।[৯]

পরিসমাপ্তিসম্পাদনা

যাত্রা শুরু করার মাত্র এক বছরের মধ্যে, ২০১২ সালের মে মাসে এই বিমান পরিবহন সংস্থাটি তাদের পরিষেবা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে; কারণ হিসাবে তারা উল্লেখ করে, "পরিবহণ করার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক যাত্রী না-পাওয়া।"[১০]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Timor Air to fly internationally", ABC News online. Retrieved 28 November 2008
  2. O'Sullivan, Matt (১৫ মার্চ ২০০৯)। "Regional turmoil as Queensland carrier collapses"WA Today। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১০ 
  3. Murdoch, Lindsay. "Timor Air set to take to the skies", The Age online, 27 November 2008. Retrieved 28 November 2008.
  4. Bolton, Katrina (১০ মে ২০১২)। "Fledgling Timor Air stops Darwin to Dili flights"ABC News। Australian Broadcasting Corporation। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১২ 
  5. "Fledgling Timor Air shuts Darwin links"Northern Territory News। ১১ মে ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১২ 
  6. "Timor Air inks partnership with jet carrier, CEO says" Air Transport World online Retrieved 17 May 2012
  7. "Timor Air back in the NT skies" Northern Territory News Retrieved 17 May 2012
  8. "New Timor airline ready for boarding"NT News। ২৬ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৩ 
  9. Timor Air fleet[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. Fledgling Timor Air stops Darwin to Dili flights, ABC News, 10 May 2012

বহিঃসংযোগসম্পাদনা