জিমি কার্টার

শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী

জিমি কার্টার (ইংরেজি: Jimmy Carter; জন্ম: অক্টোবর ১, ১৯২৪) হচ্ছেন একজন আমেরিকান রাজনীতিবিদ, লেখক এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য; যিনি ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাল্পন করেন। তিনি ২০০২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।

জিমি কার্টার
প্রতিকৃতি জিমি কার্টার
৩৯তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
২০ জানুয়ারী, ১৯৭৭ – ২০ জানুয়ারী, ১৯৮১
উপরাষ্ট্রপতিওয়াল্টার মন্ডলে
পূর্বসূরীজেরাল্ড ফোর্ড
উত্তরসূরীরনাল্ড রেগান
৭৬তম জর্জিয়ার গভর্নর
কাজের মেয়াদ
১২ জানুয়ারী, ১৯৭১ – ১৪ জানুয়ারী, ১৯৭৫
লেফটেন্যান্টলেস্টার ম্যাডক্স
পূর্বসূরীলেস্টার ম্যাডক্স
উত্তরসূরীজর্জ বুসবি
১৪তম জেলা জর্জিয়া রাজ্য সিনেটের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৪ জানুয়ারী, ১৯৬৩ – ১০ জানুয়ারী, ১৯৬৭
পূর্বসূরীজেলা প্রতিষ্ঠিত
উত্তরসূরীহিউ কার্টার
সংসদীয় এলাকাসামার কাউন্টি
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মজেমস আর্ল কার্টার জুনিয়র
(1924-10-01) ১ অক্টোবর ১৯২৪ (বয়স ৯৯)
সমভূমি, জর্জিয়া, ও.স.
রাজনৈতিক দলডেমোক্রেটিক
দাম্পত্য সঙ্গীরোজ্যালেন স্মিথ (বি. ১৯৪৬)
সন্তান
আত্মীয়স্বজনজেমস আর্ল কার্টার সিনিয়র (পিতা)
বেসি গর্ডি (মা)
শিক্ষাজর্জিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেভাল একাডেমি (বিএস)
বেসামরিক পুরস্কারনোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০২)
আরও দেখুন
স্বাক্ষরকালিতে ক্রসইভ স্বাক্ষর
সামরিক পরিষেবা
আনুগত্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
শাখাটেমপ্লেট:দেশের উপাত্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেভি
কাজের মেয়াদ১৯৫৩–১৯৫৩ (সক্রিয়)
১৯৫৩–১৯৬১ (সংচিতি)
পদ লে
সামরিক পুরস্কার আমেরিকান ক্যাম্পেইন পদক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিজয়ী পদক
চীন পরিষেবা পদক
জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষেবা পদক
জর্জিয়ার সমভূমিতে কার্টার পরিবারের দোকান (কার্টারের বয়হুড ফার্মের অংশ)

কর্মজীবন

সম্পাদনা

প্রথম জীবনে জিমি কার্টার ছিলেন একজন চীনাবাদাম বিক্রেতা । তিনি তার বাড়িতে চিনাবাদামের চাষ করতেন। পরবর্তী জীবনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম রাষ্ট্রপতি হন।

রাষ্ট্রপতিকাল

সম্পাদনা

তার রাষ্ট্রপতিকালে ইরান জিম্মি সংকট তৈরী হয়। সেসময় এটি শিরোনামে চলে আসে। ফলে ১৯৮০ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী রোনাল্ড রেগন-এর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবার কোনো ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির নির্বাচনী পরাজয় ঘটে।

পুরস্কার ও সম্মাননা

সম্পাদনা

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা

বহি:সংযোগ

সম্পাদনা