চোষক মুখী

মাছের প্রজাতি

চোষক মুখী (বৈজ্ঞানিক নাম: Hypostomus plecostomus) (ইংরেজি: suckermouth catfish বা common pleco সাকার ফিস অথবা সাকার মাউথ ক্যাটফিস) হচ্ছে Loricariidae পরিবারের Hypostomus গণের একটি স্বাদুপানির মাছ

চোষক মুখী
Hypostomus plecostomus
Hypostomus plecostomus - Raphaël Covain.png
মূল্যায়িত নয় (আইইউসিএন ৩.১)
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Actinopterygii
বর্গ: Siluriformes
পরিবার: Loricariidae
গণ: Hypostomus
প্রজাতি: H. plecostomus
দ্বিপদী নাম
Hypostomus plecostomus
(Linnaeus, 1758)
প্রতিশব্দ

Acipenser plecostomus Linnaeus, 1758[১]
Hypostomus guacari Lacepède, 1803[২]
Loricaria flava Shaw, 1804[৩]
Plecostomus bicirrosus Gronow, 1854[৪]
Plecostomus brasiliensis Bleeker, 1864[৫]
Plecostomus plecostomus (Linnaeus, 1758)[৬]
Pterygoplichthys plecostomus (Linnaeus, 1758)[৬]

বর্ণনাসম্পাদনা

এই মাছ এই পর্যন্ত দুই ধরনের পাওয়া গেছে একটির রং সাদা ও ছোপ ছোপ দাগ অপরটি কালো এবং তার উপর সাদা ডোরাকাটা দাগ। বর্তমানে বাংলাদেশের নদ-নদীতে দ্বিতীয়টি ব্যাপকভাবে পাওয়া যাচ্ছে। এটি সাধারণ একুরিয়ামের জন্য আদর্শ মাছ একুরিয়াম এর ময়লা খেয়ে বেঁচে থাকে এবং স্বাদু পানির দানব হচ্ছে এই মাছ এই মাছ ময়লা সহ অন্যান্য মাছের খাদ্য খেয়ে থাকে এবং দ্রুত বংশবিস্তার করে থাকে। তাই যে জায়গায় এই মাছ বেশি পরিমাণে থাকে অই জায়গায় অন্যান্য মাছ কম থাকে । তবে এই মাছ বিষাক্ত এবং খেতে বিস্বাদ। এটা আমাদের দেশীয় মাছ নয় ফলে অনেকেই এই মাছের সাথে পরিচিত নয়।তাই সতর্ক থাকা ভালো।

বিস্তৃতিসম্পাদনা

এই মাছ কোস্টারিকা, পানামা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় ব্যাপকভাবে বিস্তৃত তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এটি প্রবেশ করেছে। এবং চীন,মায়ানমার এরপর বাংলাদেশেও এটি প্রবেশ করেছে । [৭]

বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা এবং সংরক্ষণসম্পাদনা

আইইউসিএন বাংলাদেশ (২০০০) এর লাল তালিকা অনুযায়ী এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে ২০২০ সালে শেষ দিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও জলাশয়ে পাওয়া যাচ্ছে এই মাছ যা দেশের জন্য হুমকি সরুপ । । [৭]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Linnaeus, Carl (১৭৫৮)। Systema naturae per regna tria naturae :secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis। Stolkholm (Holmiae): Laurence Salvius (Laurentii Salvii)। পৃষ্ঠা 238। 
  2. Lacepède, B. G. E. (১৮০৩)। Histoire naturelle des poissons, volume 5। Hureau & Monod। পৃষ্ঠা 144–145, plate 4 (fig. 2)। 
  3. Shaw, George (১৮০৪)। General zoology or systematic natural history, volume 5, part 1। London: G. Kearsley। পৃষ্ঠা 38, plate 101। 
  4. Gronow, Laurence Theodore (১৮৫৪)। Catalogue of fish। London: Woodfall and Kinder। পৃষ্ঠা 158 
  5. Bleeker, Pieter (১৮৬৪)। Natuurkundige Verhandelingen van de Hollandsche Maatschappij der Wetenschappen te Haarlem, series 2, volume 20: Description des espèces de Silures de Suriname, conservées aux Musées de Leide et d'Amsterdam। Haarlem: De Erven Loosjes। পৃষ্ঠা 7। 
  6. Froese, Rainer, and Daniel Pauly, (eds.)। "Synonyms of Hypostomus plecostomus"। FishBase। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১১ 
  7. গাউছিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী, এ কে আতাউর রহমান (অক্টোবর ২০০৯)। "স্বাদুপানির মাছ"। আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; আবু তৈয়ব, আবু আহমদ; হুমায়ুন কবির, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমাদ, মোনাওয়ার। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ২৩ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ২০৩–২০৪। আইএসবিএন 984-30000-0286-0 |আইএসবিএন= এর মান পরীক্ষা করুন: invalid prefix (সাহায্য)