চম্পাবত জেলা

উত্তরাখণ্ডের একটি জেলা

চম্পাবত উত্তর ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের একটি জেলা। চম্পাবত শহরটি প্রশাসনিক সদর দফতর। চম্পাবত জেলা গঠিত হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। জেলাটি পাঁচটি তহশিলে বিভক্ত, সেগুলি হল: বড়কোট, চম্পাবত, লোহাঘাট, পাটিপূর্ণগিরি

চম্পাবত জেলা
জেলা
অদ্বৈত আশ্রম
অদ্বৈত আশ্রম
ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থান
ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৯°২০′ উত্তর ৮০°০৬′ পূর্ব / ২৯.৩৩° উত্তর ৮০.১০° পূর্ব / 29.33; 80.10
দেশ ভারত
রাজ্যউত্তরাখণ্ড
বিভাগকুমায়ুন
সদর দপ্তরচম্পাবত
আয়তন
 • মোট১,৭৬৫.৭৮ বর্গকিমি (৬৮১.৭৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা
 • মোট২,৫৯,৬৪৮
 • জনঘনত্ব১২৬/বর্গকিমি (৩৩০/বর্গমাইল)
ভাষাসমূহ
 • সরকারিহিন্দি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+০৫:৩০)
যানবাহন নিবন্ধনইউকে
ওয়েবসাইটchampawat.nic.in

চম্পাবত জেলা উত্তরাখণ্ডের পূর্ব কুমায়ুন বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। এই জেলাটি উত্তরে পিথোরাগড় জেলা, পূর্বে নেপাল, দক্ষিণে উধম সিং নগর জেলা, পশ্চিমে নৈনিতাল জেলা এবং উত্তর পশ্চিমে আলমোড়া জেলা দিয়ে ঘেরা।

২০১১-এর হিসাব অনুযায়ী এটি উত্তরাখণ্ডের ১৩টি জেলার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন জনবহুল অঞ্চল। এর আগে আছে একমাত্র রুদ্রপ্রয়াগ জেলা[১]

ইতিহাস এবং পুরাণসম্পাদনা

উত্তরাখণ্ডের চম্পাবত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র এবং একসময় চন্দ শাসকদের রাজধানীও ছিল। চম্পাবত এইভাবে ইতিহাসে সমৃদ্ধ, এবং পাশাপাশি এখানে প্রচুর ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীতে এইখানেই ভগবান বিষ্ণু ‘কুর্মাবতার’ (কচ্ছপরূপে আবির্ভূত) হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন।

এই অঞ্চলে অবস্থিত অসংখ্য মন্দিরের কারণে চম্পাবত বহু তীর্থযাত্রীকে আকর্ষণ করে। মন্দিরগুলি সুন্দরভাবে নির্মিত এবং খোদাই করা। তাদের মধ্যে কিছু মন্দির চন্দ শাসকদের সময়ে তৈরী।

চম্পাবতের ক্রান্তেশ্বর মহাদেব এবং বালেশ্বর মন্দিরের জন্য উৎসর্গীকৃত নাগনাথ মন্দিরটি হল চম্পাবতের বিশেষ দর্শনীয় স্থান।[২]

অর্থনীতিসম্পাদনা

২০০৬ সালে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক চম্পাবতকে দেশের ২৫০টি সর্বাধিক পিছিয়ে পড়া জেলার (মোট ৬৪০টি জেলার) মধ্যে একটি জেলা ঘোষণা করেছে।[৩] উত্তরাখণ্ডের তিনটি জেলা বর্তমানে পশ্চাৎপদ অঞ্চল অনুদান তহবিল কর্মসূচির অধীনে (বিআরজিএফ) অর্থ সাহায্য পায়। চম্পাবত জেলা তাদের মধ্যে একটি।[৩]

বিধানসভা কেন্দ্রসম্পাদনা

চম্পাবত জেলায় দুটি বিধানসভা কেন্দ্র আছে, ঐ দুটি হল লোহাঘাট এবং চম্পাবত।

জনসংখ্যার উপাত্তসম্পাদনা

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, চম্পাবত জেলার জনসংখ্যা ২৫৯,৬৪৮ জন।[১] এই জনসংখ্যা ভানুয়াতু দেশের জনসংখ্যার প্রায় সমান।[৪] এই জনসংখ্যা অনুসারে ভারতের ৬৪০টি জেলার মধ্যে এটি ৫৭৯তম স্থানে রয়েছে।[১] জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব ১৪৭ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (৩৮০ জন/বর্গমাইল)।[১] এই জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২০০১ - ২০১১ এর দশকে ১৫.৬৩% ছিল।[১] চম্পাবত জেলাতে এক হাজার পুরুষ প্রতি ৯৮০ জন মহিলা (যৌন অনুপাত) রয়েছে।[১] এখানে সাক্ষরতার হার ৭৯.৮৩%, যা ভারতের গড় সাক্ষরতার হারের থেকে বেশি।।[১]

জেলার প্রধান প্রথম ভাষা হল কুমায়ুনি ভাষা।[৫]

২০০১ভারতীয় আদমশুমারি হিসাবে, চম্পাবত জেলার জনসংখ্যা হল ২২৪,৫৪২ জন, যার মধ্যে আছে ২১৬,৬৪৬ জন হিন্দু, শতকরা হিসেবে ৯৬.৫%। এখানে মুসলিম আছে ৬,৬৪২ জন, যা এখানকার জনসংখ্যার ৩.০%। এখানে ৬২৬ জন খ্রিস্টান আছে, যা শতকরা হিসেবে ০.৩%।[৬]লুয়া ত্রুটি: bad argument #1 to 'formatNum' (infinite)।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৯-৩০ 
  2. "Champawat"Uttarakhand Tourism Development Board। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৯ 
  3. Ministry of Panchayati Raj (৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "A Note on the Backward Regions Grant Fund Programme" (PDF)। National Institute of Rural Development। ৫ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  4. US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১০-০১Vanuatu 224,564 July 2011 est. 
  5. C-16 Population By Mother Tongue – Uttarakhand (প্রতিবেদন)। Office of the Registrar General & Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৯ 
  6. "Uttarakhand - Districts of India: Know India"। National Portal of India। ২০০৯-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৪-০৪ 
  7. Decadal Variation In Population Since 1901

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

টেমপ্লেট:Champawat district টেমপ্লেট:Districts of Uttarakhand