গৌরাঙ্গিনী মাতা হলেন পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপের বাঙালিদের শাক্তরাস উৎসবের শক্তি আরাধনার পৌরাণিক দেবী। তিনি প্রধানত নবদ্বীপের দেবী। তার আরাধনা বাংলার হাজার হাজার বছরের শক্তি আরাধনার অতিহ্য বহন করছে। আবহমান কালে নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবে আনুমানিক ৪০০ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের সাথে তার আরাধনা হয়ে আসছে।

গৌরাঙ্গিনী মাতা
শক্তি
গৌরাঙ্গিনী
অন্তর্ভুক্তিশাক্ত বাঙালির দেবী
বাহনএকজোড়া সিংহ

নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবে দুটি পৃথক স্থানে গৌরাঙ্গিনী মাতার আরাধনা হয়ে আসছে। পুজো শেষে আড়ং এর দিন ঐতিহ্য মেনে ১০৮ জন বেয়ারার কাঁধে চেপে নবদ্বীপ ধামের প্রায় ৪ কিমি পথ পরিভ্রমণ করে দেবীপ্রতিমা সন্নিহিত গঙ্গায় পৌঁছয় নিরঞ্জনের জন্য। প্রায় ৮০০০ লোক দেবী প্রতিমার পিছু নিয়ে দেবীকে অনুসরণ করেন। [১]

পৌরাণিক ব্যাখ্যাসম্পাদনা

পৌরাণিক মতে, বাংলার আরাধ্যা মহিষাসুরমর্দিনী দেবী গৌরাঙ্গিনী রূপে সমগ্র জগৎবাসী ও দেবকূলকে অভয় প্রদান করেন। স্বয়ং, দেবতারা এই রূপে তার আরাধনা করেছিলেন। দেবী এখানে এই অনন্ত বৈষ্ণবী শক্তির আধারভুতা। তিনি প্রবল পরাক্রমশালী। তিনি এই জগৎকে ধারণ করে আছেন। তার বাহন জোড়া সিংহ অনন্ত বীরত্বের প্রতীক। দেবীর সাথে উপস্থিত সরস্বতী ও লক্ষ্মী এবং দেবী স্বয়ং সত্ত্ব-রজ-তম গুণের প্রতীক।

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "রাসে মাতোয়ারা নবদ্বীপ"। ৫ নভেম্বর ২০১৭।