প্রধান মেনু খুলুন

ডুমুরেশ্বরী মাতা হলেন পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপের বাঙালিদের শাক্তরাস উৎসবের শক্তি আরাধনার অন্যতম পৌরাণিক দেবী।

ডুমুরেশ্বরী মাতা
শক্তি, তন্ত্র
ডুমুরেশ্বরী মাতা
অন্তর্ভুক্তিশাক্ত বাঙালির দেবী
বাহনদেবসিংহ, গোঘটক(গোধা)

নামকরণ ও পৌরাণিক ইতিহাসসম্পাদনা

ডুমুর একটি ফল বিশেষ, যা বাংলার শ্মশান সন্নিহিত জলা জায়গায় দেখা মেলে। তাই, আক্ষরিক অর্থে ডুমুরেশ্বরী মাতা কথার অর্থ হলো শ্মশানবাসিনী দেবী। সাধারণ ভাবে আগমবাগিশের কালীমাতাকে শ্মশানবাসিনি মনে করা হলেও নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবের এক অভিনব ও পৌরাণিক মহিষাসুরমর্দিনী দেবীকেই ডুমুরেশ্বরী মাতা রূপে পূজা করা হয়। তার আরাধনা বাংলার হাজার হাজার বছরের শক্তি আরাধনা ও তন্ত্রবিদ্যা চর্চার অতিহ্য বহন করছে। আবহমান কালে নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবে আনুমানিক ১৫০ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের সাথে তার আরাধনা হয়ে আসছে। দেবী এখানে মহিষাসুরমর্দিনী। কিন্তু , অবহমানকালে বাংলায় অধিক পরিচিত ও অধিক প্রচলিত মহিষমর্দিনী মূর্তির সাথে এই ডুমুরেশ্বরী মাতা এর মূর্তির গঠন শৈলীতে কিছুটা পার্থক্য আছে। দেবীর এখানে অস্টভুজা। দেবীর বাহন পৌরাণিক সিংহ বা গোধা।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "রাসে মাতোয়ারা নবদ্বীপ"। ৫ নভেম্বর ২০১৭।