কালিঞ্জর দুর্গ

একটি ভারতীয় দুর্গ

কালিঞ্জর দুর্গ (হিন্দি: कालिंजर दुर्ग) ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বান্দা জেলায় অবস্থিত একটি দুর্গ। দুর্গটি বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের বিন্ধ্য পর্বতে অবস্থিত, যা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান খাজুরাহো থেকে ৯৭.৭ কিলোমিটার দূরে। এটি ভারতের বৃহত্তম এবং মজবুত দুর্গের মধ্যে গণনা করা হয়। এই দুর্গে অনেক প্রাচীন মন্দির রয়েছে। যার অধিকাংশই তৃতীয় থেকে পঞ্চম শতাব্দীর গুপ্ত শাসনামলে নির্মিত হয়েছে। দুর্গের শিব মন্দির সম্পর্কে একটি বিশ্বাস আছে যে,"সমূদ্রমন্থন থেকে নির্গত কালকুট বিষ পান করার পর হিন্দুদের প্রভু শিব এখানেই তপস্যা করেছিলেন এবং তার শিখাকে শান্ত করেছিলেন।" কার্তিক পূর্ণিমা উপলক্ষে কার্তিক মেলা এখানকার একটি প্রসিদ্ধ সাংস্কৃতিক উৎসব।

কালিঞ্জর দূর্গ
ভারত অংশ
বান্দা, উত্তর প্রদেশ , ভারত
E. view of the Fort at Kalinjar. May 1814.jpg
দুর্গের একটি দৃশ্য
স্থানাঙ্ক২৪°৫৯′৫৯″ উত্তর ৮০°২৯′০৭″ পূর্ব / ২৪.৯৯৯৭° উত্তর ৮০.৪৮৫২° পূর্ব / 24.9997; 80.4852
ধরনদুর্গ
সাইটের তথ্য
নিয়ন্ত্রন করেউত্তর প্রদেশের সরকার
জনসাধারনের জন্য উন্মুক্তহ্যাঁ
সাইটের ইতিহাস
নির্মিত১০ শতাব্দী
উপকরণগ্রানাইট পাথর
যুদ্ধমাহমুদ গজনভি ১০২৩, শের শাহ সুরি ১৫৪৫, যুক্তরাজ্য ১৮১২
রক্ষীসেনা তথ্য
পূর্বের
কমান্ডার
চন্ডেলা সাম্রাজ্য
রক্ষীসেনাযুক্তরাজ্য ১৯৪৭

প্রাচীনকালে এই দুর্গটি জেজাকভুক্তি সাম্রাজ্যের (জয়শক্তি চন্ডেল) অন্তর্ভৃক্ত ছিল। পরবর্তিতে এটি ১০ম শতাব্দী পর্যন্ত চন্ডেল রাজপুত ও রেওয়ার সোলাঙ্কী সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। এই রাজাদের শাসনামলে মাহমুদ গজনভি, কুতুবুদ্দীন আইবেক, শের শাহ শুরী এবং হুমায়ুন আক্রমণ করেও ব্যর্থ হন। কালিঞ্জর দুর্গ জয়ের সময় শের শাহ শুরী কামানের গোলার আঘাতে মৃত্যুবরণ করেন। মুঘল শাসনামলে সম্রাট আকবর দুর্গটি দখল করে নেন। অতপর রাজা ছত্রসাল বুন্দেলার মুঘলদের থেকে বুন্দেলখন্ড স্বাধীন করেন, তখন থেকে দুর্গটি বুন্দেলদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং ছত্রসাল দুর্গটি দখল করে নেন। তারপর ইংরেজরা দুর্গটি দখল করে নেয়। ভারতের স্বাধীনতার পরে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বর্তমানে এটি ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগে অধীনে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি খুবই উত্তম ভাবে নির্মিত একটি দুর্গ।

ভৌগলিক অবস্থানসম্পাদনা

যে পাহাড়ের উপর কালিঞ্জর দুর্গ নির্মিত হয়েছে, তা দক্ষিণ-পূর্ব বিন্ধ্যাচল পর্বতমালার একটি অংশ। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২০৩ ফুট (৩৬৭ মিটার) উচু এবং ২১,৩৩৬ বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।[১] পাহাড়ের এই অংশ ১,১৫০ কিঃমিঃ চওড়া এবং ৬-৮ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। পূর্ব দিকে কালিঞ্জরী পর্বতমালা রয়েছে। যা আকারে ছোট কিন্তু উচ্চতায় এর সমান।

কালিঞ্জর দুর্গের উচ্চতা ভূমি স্তর থেকে প্রায় ৬০ মিটার উঁচুতে। এটি বিন্ধ্যাচল পর্বতমালার অন্যান্য পর্বতমালা যেমন: মঈফা পর্বত, ফতেহগঞ্জ পর্বত, পাথার কাছাড় পর্বত, রসিন পর্বত, বৃহস্পতি কুন্ড পর্বত ইত্যাদি পাহাড়ের মধ্যে নির্মিত। এই পাহাড় বড় বড় পাথর দ্বারা আবৃত।

গ্রীষ্মকালে এখানে তীব্র তাপপ্রবাহ হয় এবং লু-হাওয়া বয়। শীতকালে সকালে সূর্যোদয়ের ২/৩ ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের পরে প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ হয়। সবচেয়ে বেশি শৈত্যপ্রবাহ হয় ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস বর্ষাকাল। বর্ষায় এখানে ভালো বৃষ্টিপাত হয়।

এখানকার প্রধান নদী বাগৈ, যা বর্ষাকালে প্রবাহিত হয়। এটি পাহাড় থেকে প্রায় ১ মাইল দূরে অবস্থিত। এটি পান্না জেলার কৌহারির নিকটে বৃহস্পতি কুণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে এটি কামাসিনে যমুনা নদীর সাথে মিলে যায়। আরেকটি ছোট নদী হল বাণগঙ্গা।[২]

ইতিহাসসম্পাদনা

দূর্গের কিছু চিত্র
হনুমান ফটক
কালিঞ্জর দূর্গ
লাল ফটক
দূর্গের আরেকটি স্থাপনা

কালিঞ্জর (কালঞ্জর) শব্দটি প্রাচীন পৌরাণিক গ্রন্থে উল্লেখ করা হলেও এই দুর্গের সঠিক উৎস এখনও জানা যায়নি। জনমত অনুসারে এটি চন্ডেলা বংশের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্র বর্মা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আবার কিছু ইতিহাসবিদরা মনে করেন যে, এটি কেদার বর্মণ খ্রিস্টীয় দ্বিতীয়-চতুর্থ শতাব্দীতে নির্মাণ করেছিলেন। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে, এর কয়েকটি ফটক আওরঙ্গজেব তৈরি করেছিলেন।

সপ্তদশ শতাব্দীর ফার্সি ইতিহাস গ্রন্থ ফিরিশ্তা অনুসারে, কালিঞ্জর নামক শহরটি সপ্তম শতাব্দীতে কেদার নামক একজন রাজা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে এই দুর্গটি চন্ডেলা শাসনামলেই প্রকাশিত হয়েছিল। চন্ডেলা শাসনামলের কাহিনী অনুসারে দুর্গটি চন্ডেলার একজন রাজা নির্মাণ করেছিলেন।[৩]

চণ্ডেলার শাসকরা কালিঞ্জরধীপতি (কালিনজরের অধিপতি) উপাধি ব্যবহার করতেন বলে দুর্গ নির্মাণের ব্যপারে তাদেরকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।[৪]

এই দুর্গের ঐতিহাসিক পটভূমি অনেক যুদ্ধ এবং আক্রমণে পরিপূর্ণ। এই দুর্গের উপর আধিপত্য অর্জনের জন্য হিন্দু রাজা এবং বিভিন্ন বংশের মুসলিম শাসকরা বহু আক্রমণ করেছিলেন। এবং এই কারণে এই দুর্গটির নিয়ন্ত্রন ক্রমান্বয়ে স্থানান্তরিত হতে থাকে। তবে কেবল চন্ডেলা শাসকগণ ব্যতিত [৫]:২২-২৩, কোনও রাজা দুর্গটি দীর্ঘকাল শাসন করতে পারেন নি।

প্রাচীন ভারতের বৌদ্ধ সাহিত্যে বুদ্ধের ভ্রমণবৃত্তান্ত বিবরণীতে কালিঞ্জরের কথা উল্লেখ রয়েছে। গৌতম বুদ্ধের (খ্রিস্টপূর্ব ৫৪৩-৪০) সময়কালে দুর্গটি চেদি রাজবংশের অধীনে ছিল। অতপর এটি মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসে এবং বিন্ধ্য-আটভিঁ নামে পরিচিত হয়।[৬]

এরপরে শুঙ্গ রাজবংশ এবং পান্ডু রাজবংশ কয়েক বছর এটি শাসন করে। সমুদ্রগুপ্তের প্রয়াগ প্রশাস্তিতে এই দুর্গটিকে বিন্ধ্য আটভিঁ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ক্রমানুসারে বর্ধন ও গুর্জর প্রতিহার রাজবংশ এটি শাসন করে। গুর্জর প্রতিহার রাজবংশ দুর্গটি দ্বিতীয় নাগভট্টের সময় পর্যন্ত শাসন করে। চন্ডেলার শাসকরা তাদের মাণ্ডলিক রাজা ছিল। সেই সময়ের প্রায় প্রতিটি বই ও শিলালিপিতে দুর্গের কথা উল্লেখ রয়েছে।[৭] এটি ২৪৯ খৃষ্টাব্দে হৈহয় রাজবংশের কৃষ্ণরাজ দখল করেছিলেন। চতুর্থ শতাব্দীতে এখানে নাগদের শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। যারা নীলকান্ত মহাদেবের মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। এর পরে এখানে গুপ্ত রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[১]

পরবর্তীকালে এটি জেজাকভূক্তি (জয়শক্তি চন্ডেল) সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। চন্ডেলার শাসকরা এখানে অষ্টম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত শাসন করেছিলেন। চান্ডেল রাজাদের রাজত্বকালে কালিঞ্জর দুর্গ জয়ের জন্য মাহমুদ গজনভি, কুতুবউদ্দিন আইবেক, শের শাহ সুরী এবং হুমায়ুন আক্রমণ করেছিলেন কিন্তু এই দুর্গটি জয় করতে পারেন নি।[৮][৯]

১১২৩ সালে মাহমুদ গজনভি কালিঞ্জর আক্রমণ করেছিলেন এবং এখানকার সম্পত্তি লুট করেছিলেন,[১০][১১] কিন্তু দুর্গটি দখল করতে সক্ষম হননি।

মুঘল সম্রাট বাবর ইতিহাসের একমাত্র সেনাপতি ছিলেন যিনি ১৫২৬ সালে রাজা হাসান খাঁ মেওয়াতপতির কাছ থেকে দুর্গটি জয় করেছিলেন। কিন্তু তিনি তা বেশি দিন ধরে রাখতে পারেননি। শের শাহ সুরি ছিলেন একজন মহান যোদ্ধা। তবে তিনিও এই দুর্গ জয় পারেন নি। ১৫৪৫ সালের ২২শে মে এই দুর্গ জয়ের জন্য চন্ডেলাদের সাথে যুদ্ধ করার সময় তার উক্কা নামক একটি আগ্নেয়াস্ত্র থেকে (কামান) গোলা নিক্ষিপ্ত হয়ে দুর্গের দেওয়ালে আঘাত করে এবং তা ছিটকে শের শাহের উপর বিষ্ফোরিত হয়।[১২][১৩][১৪][১৫][১৬] ১৫৯৯ সালে আকবর এই দুর্গটি জয় করে বীরবলকে উপহার স্বরূপ প্রদান করেছিলেন। এই দুর্গটি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বাবর ও আকবরের যাবতীয় প্রচেষ্টার বিবরণ বাবরনামা, আইনে আকবরী ইত্যাদি গ্রন্থে পাওয়া যায়।[৭] বীরবলের কাছ থেকে এই দুর্গটি বুন্দেল রাজা ছত্রসাল ছিনিয়ে নিয়েছিলেন।[১৭]

এর পরে পান্নার শাসক হরদেব শাহ এটি দখল করেছিলেন। এই দুর্গটি ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে আসে।[৯] ব্রিটিশ শাসকরা এই দুর্গের অনেক অংশ ধ্বংস ও দূষিত করেছিলেন। দুর্গের ক্ষয়ক্ষতির লক্ষণগুলি এখনও এর দেয়াল এবং ভিতরে খোলা উঠোনে দেখা যায়। ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে এটি ব্রিটিশদের দখলে ছিল। ভারতের স্বাধীনতার সাথে সাথে এই দুর্গটি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎসবসম্পাদনা

কালিঞ্জর দুর্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসবটি হল ৫ দিনের কার্তিক মেলা। যা প্রতি বছর কার্তিক পূর্ণিমা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে হাজার হাজার ভক্তদের সমাগম হয়।[১৮]

চিত্রশালাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Yatra India - Tourist Places in India, Hill Stations in India, Hindi Travel Guide"web.archive.org। ২০১৭-০২-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৮ 
  2. সিংহ, সিংহ। দীওয়ান প্রতিপাল। পৃষ্ঠা ১৬। 
  3. Provinces (India), North-Western; Atkinson, Edwin Thomas (১৮৭৪)। Statistical, Descriptive and Historical Account of the North-western Provinces of India (ইংরেজি ভাষায়)। Printed at the North-western Provinces' Government Press। 
  4. Flood, Finbarr Barry (২০০৯-০৫-০৩)। Objects of Translation: Material Culture and Medieval "Hindu-Muslim" Encounter (ইংরেজি ভাষায়)। Princeton University Press। আইএসবিএন 978-0-691-12594-7 
  5. এস এন, সেন (২০১৩)। এ ট্যাক্সটবুক অব মেডিভিয়াল ইন্ডিয়ান হিস্ট্রী। দিল্লী: প্রাইমস বুক। আইএসবিএন 9789380607344 
  6. পান্ডেয়, বিমল চন্দ্র (১৯৮৩–৮৪)। প্রাচীন ভারত কা ইতিহাস। পৃষ্ঠা ৬৩। 
  7. पौराणिक एवं ऐतिहासिक ग्रन्थों में वर्णित कालिंजर ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৭-০৩-০১ তারিখে। कालिंजर-षष्टम अध्याय।(पीडीएफ) कु.रमिता- शोध कार्य।शोध पर्यवेक्षक:प्रो.बी.एन.राय।ज.लाल नेहरु महाविद्यालय, बांदा।२१ अगस्त, २००१।
  8. "(Heritage) सतयुग का कीर्तिनगर आज का कालिंजर | www.Bundelkhand.in - बुंदेलखंड.इन"web.archive.org। ২০১৭-০২-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৮ 
  9. "तोप और गोलें भी थे बेअसर 800 फीट की ऊंचाई पर बने इस किले पर... - Gajab Dunia - India's #1 Infotainment Hindi Webportal"web.archive.org। ২০১৭-০২-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৮ 
  10. ইখতিয়ার আলম খাঁ, গন্ড চন্ডেল (২০০৭)। হিস্টোরিকল ডিকশনারি অব মডিভিয়াল ইন্ডিয়া। স্কেয়ারক্রো প্রেস। পৃষ্ঠা ৬৬। 
  11. ইক্তিদার আলম খান, গণ্ড চন্ডেল (২০০৭)। হিস্টোরিকল ডিশনারি অব মোডিবিয়াল ইন্ডিয়া। স্কয়ারক্রো প্রেস। পৃষ্ঠা ৬৬। 
  12. Singh; Sheelwant। Csat Paper I 60 Dino Mein (হিন্দি ভাষায়)। McGraw-Hill Education (India) Pvt Limited। আইএসবিএন 978-0-07-107495-7 
  13. "Shēr Shah of Sūr | Indian emperor"Encyclopedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৯ 
  14. Chaurasia, Radhey Shyam (২০০২)। History of Medieval India: From 1000 A.D. to 1707 A.D. (ইংরেজি ভাষায়)। Atlantic Publishers & Dist। আইএসবিএন 978-81-269-0123-4 
  15. Schimmel, Annemarie; Schimmel, Former Professor Emerita Indo-Muslim Culture Department of Near Eastern Languages and Civilizations Annemarie (২০০৪)। The Empire of the Great Mughals: History, Art and Culture (ইংরেজি ভাষায়)। Reaktion Books। আইএসবিএন 978-1-86189-185-3 
  16. Singh, Sarina (২০০৮)। Pakistan & the Karakoram Highway (ইংরেজি ভাষায়)। Lonely Planet। আইএসবিএন 978-1-74104-542-0 
  17. "बरसात में देखें बुंदेलखंड का सौंदर्य: Page 2 of 3 | Grihshobha"web.archive.org। ২০১৭-০২-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৯ 
  18. "कार्तिक पूर्णिमा पर कालिंजर में श्रद्धालुओं की भीड़ - Regional News - Samay Live"web.archive.org। ২০১৭-০২-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-১৯