এস ডি রুবেল

বাংলাদেশী গায়ক

এস ডি রুবেল (জন্ম ১৮ সেপ্টেম্বর) একজন বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।[১] তিনি প্রায় ১৪০০ বাংলা গান এবং শতাধিক চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ’অনেক বেদনা ভরা আমার জীবন’, ‘লাল বেনারসি জড়িয়ে তুমি যে’, ‘তোমার নীল নীল নীল চোখে’, মন যেন মায়াবী পাখি, অনেক দিনের স্বপ্ন, ও চাঁদ, আমার একটা সাথী ছিল,অপরাধী, তোমাকে দেখার পর, ঈদ মুবারক, আজকের দিনটার কোনো নাম নেই, আমার একটা তুমি ছিল, বুজবে কে মন, মন চায় মন, মন চাইলে আইস বন্ধু, আমি পারবোনা কিছুতেই, এভাবেই ভালোবাসা হয়, এলো বৈশাখ, ‘তুমি যুগ যুগ করেছ শাসন’ ইত্যাদি।

এস ডি রুবেল
S D Rubel Singer.jpg
জন্ম
সাধন ধর রুবেল

১৮ সেপ্টেম্বর
শাহরাস্তি, চাঁদপুর, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
পেশাসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার

জন্ম, প্রাথমিক ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

এস ডি রুবেল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় থাকেন। তার শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্য কেটেছে চাঁদপুরে। তিনি চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে ও চাঁদপুর সরকারি কলেজে যথাক্রমে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি পাশ করেছেন। এরপর তিনি ঢাকা কলেজ থেকে রসায়ন শাস্ত্রে বি.এসসি (অনার্স) এবং এম.এসসি (রসায়ন শাস্ত্রে) পাশ করেন।

তিনি একজন সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও চাঁদপুর জেলা সঙ্গীত নিকেতনে যথাক্রমে ২ বছর ও ৫ বছরের ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত এবং বিভিন্নমুখী গানের উপর প্রাতিষ্ঠানিক তালিম নিয়েছেন। এবং পরবর্তীতে ঢাকা ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যালয় থেকে নজরুল সঙ্গীত ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের উপর ৫ বছরের একটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া উনি চাঁদপুর জেলা অনন্যা থিয়েটারের সাথে পাচবছর একজন নাট্য অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া নাটক, সিনেমা, মিউজিক ভিডিও, ডকুমেন্টারি, মিউজিক্যল ফিল্ম, সামাজিক সচেতনামূলক অনুষ্ঠান, ম্যাগাজিন, টিভি বিজ্ঞাপন ইত্যাদি নির্মানের সাথে একজন প্ররিচালক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

পেশাগত জীবনসম্পাদনা

এস ডি রবেল সঙ্গীত শিল্পে তার নিজের লেখা সুর ও কন্ঠে "অশ্রু "একক অ্যালবাম এর মাধ্যমে প্রথম সংগীত শিল্পী হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেন। "অনেক বেদনা ভরা আমার এ জীবন", 'লাল বেনরশী' গানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। গায়কের পাশাপাশি তিনি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি প্রায় ৮-১০টির মত নাটক ও টেলিফিল্মের প্রযোজনা করেছেন। এস ডি রুবেল প্রায় ১৪০০ নতুন বাংলা গানে, অডিও অ্যালবাম এর জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় ১০০ টি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, এছাড়া ২ টি চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। এস ডি রুবেল বাংলাদেশের প্রথম গায়ক যিনি প্রথম, গায়ক থেকে নায়ক হয়েছেন এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। এস ডি রুবেল অন্যদিকে নাটক, মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপন,ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, ডকু ড্রামা পরিচালনা করেছেন এবং করেছেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রযোজনা ।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক উপকমিটির সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান রুবেল । তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালে কলেজ ছাত্রলীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

সঙ্গীত শিল্পীসম্পাদনা

এস ডি রুবেল বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী,গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক, চলচ্চিত্র ও টিভি অনুষ্ঠান নির্মাণ পরিচালক, অভিনেতা ও প্রযোজক । তিনি ১৪০০ নতুন বাংলা গানে এবং শতাধিক বাংলা চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ’অনেক বেদনা ভরা আমার জীবন’, ‘লাল বেনারসি জড়িয়ে তুমি যে’, ‘তোমার নীল নীল নীল চোখে’, ‘বঙ্গবন্ধু তোমার জন্মশতবার্ষিকীতে কি দিবো বলো উপহার’, ‘শেখ হাসিনা তুমি জনতার কন্ঠস্বর‘, ‘সম্প্রীতি’, ‘পরিচয় বাঙ্গালী’, ‘আমার একটা সাথি ছিল দেশের বাড়িতে’, ‘মন যেন মায়াবী পাখী’, ‘বিধি রে আমার কোনো দুঃখ নাই’, ‘এলো বৈশাখ, ‘এই শহরে আমি একা’, ‘দূরে চলে গেছো’, ‘রুপ কারিগর’, ‘বুকেতে পাথর বেধেছি’, ‘অনেক দিনের স্বপ্ন তুমি’, ‘এই সুন্দর পৃথিবীতে এসেছি আমি (ফিল্মগান)’, ‘আমার ভালোবাসা তোমার প্রতি রইল (ফিল্মগান)’, ‘এভাবেই ভালোবাসা হয় (ফিল্মগান)’, ‘আজ থেকে আমি তোমার হলাম (ফিল্মগান) ’, ‘দেখো নীল আকাশে পাখি উড়ে’, ‘আমি পারবোনা তোমাকে ভুলে যেতে’, ‘পৃথিবী ঘুমিয়ে গেছে’, ‘পাখিদের নীড়ে ফেরা গোধূলী বেলায়’, ‘ও চাঁদ তোমার মতো একটি চাঁদ আমারো আছে’, ‘তুমি এতো বছর পরে আইয়া’, ‘কাছে কীবা দূরে যেখানেই থাকো’, ‘তুমি কী ভোরের শেফালী’, ‘তুমি যুগ যুগ করেছ শাসন’, ‘মনে কী পড়ে সেই আমাকে’, ‘অপরাধী প্রিয় ফুল’সহ আরো অসংখ্য জনপ্রিয় গান।

এস ডি রুবেল তার নিজের লেখা, সুর ও কন্ঠ দেয়া পরিচয় বাঙ্গালী গানটি দিয়ে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। উল্লেখ্য যে এই পরিচয় বাঙ্গালী গানটি নিয়ে সংসদেও প্রাসঙ্গিক আলোচনা/সমালোচনা হয়েছিল। এরপর তিনি "অনেক বেদনা ভরা জীবন", 'লাল বেনারশী' এবং উপরে উল্লেখিত গানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। গায়কের পাশাপাশি তিনি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তিনি প্রায় ৮-১০টির মত নাটক ও টেলিফিল্মের প্রযোজনা করেছেন। এস ডি রুবেল প্রায় ১৪০০ নতুন বাংলা গানে, অডিও অ্যালবাম এর জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় ১০০ টি চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন, এছাড়া ২ টি চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। এস ডি রুবেল বাংলাদেশের প্রথম গায়ক যিনি প্রথম, গায়ক থেকে নায়ক হয়েছেন এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। এস ডি রুবেল অন্যদিকে নাটক, মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপন,ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, ডকু ড্রামা পরিচালনা করেছেন এবং করেছেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রযোজনা ।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক উপকমিটির সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান রুবেল । তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালে কলেজ ছাত্রলীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালকসম্পাদনা

সঙ্গীত শিল্পীর পাশাপাশি এস ডি রুবেল গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবেও জনপ্রিয় হয়েছেন। নিচে এ বিষয়ে আলোকপাত করা হলো:

এস ডি রুবেলের কথা ও সুরে গান গেয়েছেন এই প্রজন্মের অনেক জনপ্রিয় শিল্পী।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সুবীর নন্দি, মমতাজ, কনক চাঁপা, রিজিয়া পারভীন, আগুন, দিলশাত নাহার কণা, বেবী নাজনিন, সামিনা চৌধুরী, কানিজ সুবর্ণা, কলকাতা জিবাংলা স্টার খ্যাত তারকা অবন্তি সিথি, সানন্দা ঘোষ,ক্লোস আপ ওয়ান তারকা রন্টি দাশ, ক্লোস আপ ওয়ান তারকা সাব্বির, ক্লোস আপ ওয়ান তারকা রাজীব ও সিকৃতি সহ আরো অনেক গুণী তারকারা এসডি রুবেলের কথা, সুরে সঙ্গীত পরিচালনায় গান পরিবেশন করেছেন। এছাড়া উনার নিজের সুরারোপিত এবং নিজের গাওয়া উল্লেযোগ্য গানগুলো নি¤œরুপ:

‘বঙ্গবন্ধু তোমার জন্মশতবার্ষিকীতে কি দিবো বলো উপহার’, ‘শেখ হাসিনা তুমি জনতার কন্ঠস্বর‘, সম্প্রীতি, পরিচয় বাঙ্গালী’, ‘আমার একটা সাথি ছিল দেশের বাড়িতে’, ‘মন যেন মায়াবী পাখী’, ‘বিধি রে আমার কোনো দুঃখ নাই’, ‘এলো বৈশাখ’, ‘এই শহরে আমি একা, রুপ কারিগর, বুকেতে পাথর বেধেছি’, ‘অনেক দিনের স্বপ্ন তুমি’, ‘মন বান্ধিয়ারে’, ‘আমার কাছে তোমার দাবি’, ‘মন চায় মন’, ‘মন চাইলে আইসো বন্ধ’ু, ‘দেয়ালের গায়ে নয়’, ‘এভাবেই ভালোবাসা হয় (ফিল্মগান)’, ‘আজ থেকে আমি তোমার হলাম (ফিল্মগান)’, ‘দেখো নীল আকাশে পাখি উড়ে’, ‘পৃথিবী ঘুমিয়ে গেছে’, ‘কাছে কীবা দূরে যেখানেই থাকো’, ‘তুমি কী ভোরের শেফালী’, ‘তুমি যুগ যুগ করেছ শাসন’, ‘মনে কী পড়ে সেই আমাকে’, ‘অপরাধী প্রিয় ফুল’সহ আরো অসংখ্য জনপ্রিয় গান।

এস ডি রুবেল ৭০০ এর ও বেশি গানের সুরকার হিসেবে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন এবং প্রায় ১০০ এর মতো গান উনি গীতিকার হিসেবে লিখেছেন।

এস ডি রুবেল এভাবেই ভালোবাসা হয় এবং বৃদ্ধাশ্রম চলচ্চিত্রে হিরো চরিত্রে অভিনয় ছাড়াও চলচ্চিত্র দুটির সঙ্গীত পরিচালনা করেও প্রসংশা কুড়িয়েছেন।

চলচ্চিত্রসম্পাদনা

  • এভাবেই ভালোবাসা হয়- ২০১১ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘এভাবেই ভালোবাসা হয়’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে এস ডি রুবেলের। এ ছবিটিতে উনি একাধারে চিত্রনায়ক ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। এই চলচ্চিত্রটিতে এস ডি রুবেলসহ যারা অভিনয় করেন- চিত্র নায়িকা শাবনূর, অভিনেতা মিশা সওদাগর, কাবিলা, ইলিয়াস কোবরা, চিত্রনায়িকা নেহা ও দীঘি সহ আরো অনেকে। চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর দর্শকের ভালোবাসায় জনপ্রিয় হয়।
  • বৃদ্ধাশ্রম - ‘বৃদ্ধাশ্রম’একটি সামাজিক প্রেম, পারিবারিক গল্প, এবং সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক একটি চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রটির মুল কাহিনীকার হিসেবে ছিলেন এস ডি রুবেল এবং পরবর্তীতে সংলাপ রচনা করেন জনাব কমল সরকার। এস ডি রুবেলের পরিচালনায় চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন হাসান ইমাম, প্রবীর মিত্র, এস ডি রুবেল, চিত্রনায়িকা ফারহানা হক ববি, আফজাল শরীপ, শম্পা রেজা, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, জাহানারা আহমেদ, দীপক কর্মকার, হাফিজুর রহমান সুরুজ সহ আরো অনেকে। এছাড়াও চলচ্চিত্রটিতে গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন এসডি রুবেল। ইতোমধ্যেই চলচ্চিত্রটি সেন্সরবোর্ড কর্তৃক প্রশংসিত হয়ে আনকাট সেন্সর সনদ লাভ করে। বর্তমানে চলচ্চিত্রটি মুক্তির অপেক্ষায় আছে।

এছাড়াও দীর্ঘদিন যাবত তিনি চলচ্চিত্র, নাটক, টিভি ম্যাগাজিন, টিভি বিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও, ডকুমেন্টারি সহ বিভিন্নমুখী প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রায় দেড় শতাধিক চলচ্চিত্রে ও নাটকে গান পরিবেশন করেছেন।

অ্যালবামসম্পাদনা

একক অ্যালবামসম্পাদনা

তার প্রায় এই পর্যন্ত ৩৭টির মত একক এ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে।[২]

মিশ্র ও দ্বৈত অ্যালবামসম্পাদনা

তার এই পর্যন্ত প্রায় ৪০০ (চারশত) মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে।[৩]

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

এস ডি রুবেল পরপর ৩ বার(২০১৭-২০১৮-২০১৯) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পীদের মাঝে শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে জাতীয় সম্মাননা ও “সি আই পি“ সম্মাননা পেয়েছেন । এছাড়া বাচসাস পুরস্কার সহ শতাধীক সরকারি বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন দেশে বিদেশে বারবার ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "রুমান্টিক গায়ক এস ডি রুবেলের আজ জন্মদিন"। ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৮ 
  2. "এইডসবিষয়ক গানে এস ডি রুবেল"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৮ 
  3. "এস ডি রুবেলের 'আমার মন পাড়ায়'"সমকাল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা