প্রধান মেনু খুলুন

এমা স্টোন

মার্কিন অভিনেত্রী

এমিলি জেন "এমা" স্টোন (জন্ম ৬ নভেম্বর ১৯৮৮) একজন মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি ২০১৫ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের একজন। তিনি একবার করে একাডেমি পুরস্কার, বাফটা পুরস্কার এবং গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার এবং তিনবার স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার লাভ করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি ফোর্বস ম্যাগাজিন প্রকাশিত ১০০ সেলিব্রেটি তালিকায় স্থান করে নেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি অনেক সচেতনামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেছেন, যেমন: স্তন ক্যান্সার

এমা স্টোন
Emma Stone at the 39th Mill Valley Film Festival (cropped).jpg
৩৯তম মিল ভ্যালি চলচ্চিত্র উৎসবে স্টোন, ২০১৬
জন্ম
এমিলি জেন স্টোন

(1988-11-06) ৬ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ৩০)
বাসস্থানলস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া
অন্য নামএমিলি স্টোন, রিলে স্টোন
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল২০০৪–বর্তমান
পুরস্কারপূর্ণ তালিকা

স্টোনের অভিনয় জীবন শুরু হয় ২০০০ সালে দ্য উইন্ড ইন দ্য উইলোস মঞ্চ নাটকে শিশু শিল্পী হিসেবে। তিনি টেলিভিশন অভিনয় শুরু করেন ২০০৪ সালে ভিএইচওয়ান চ্যানেলের ইন সার্চ অফ দ্য নিউ পার্ট্রিজ ফ্যামিলি দিয়ে। টেলিভিশনে কিছু ছোট চরিত্রে অভিনয়ের পর ২০০৭ সালে তিনি সুপারব্যাড চলচ্চিত্র দিয়ে বড় পর্দায় নাম লেখান। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ইয়ং হলিউড পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৯ এর চলচ্চিত্র জোম্বিল্যান্ড এ অভিনয় দিয়ে তিনি ইতিবাচক সাড়া পান।

স্টোন ২০১০ সালে "ইজি এ" চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এর জন্য তিনি বাফটা উঠতি অভিনেত্রী পুরস্কার এবং সেরা অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন অর্জন করেন। ২০১১ সালে অভিনয় করেন ব্যবসাসফল ক্রেজি, স্টুপিড, লাভ এবং প্রশংসিত দ্য হেল্প চলচ্চিত্রে। ২০১২ সালে গুয়েন স্ট্যাসি চরিত্রে "দি অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান" এবং ২০১৪ সালে এর অনুবর্তী পর্ব দি অ্যামেজিং স্পাইডার-ম্যান ২ চলচ্চিত্রে যা তাকে বিপুল খ্যাতি এনে দেয়। ২০১৪ সালে তিনি ব্ল্যাক কমেডি-নাট্যধর্মী বার্ডম্যান চলচ্চিত্রে একজন মাদকসেবীর চরিত্রে অভিনয় করেন। ফলস্বরুপ শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার-এ ভূষিত হন। ২০১৬ সালে লা লা ল্যান্ড চলচ্চিত্রে একজন উঠতি অভিনেত্রী মিয়া ডোলান চরিত্রে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার, বাফটা পুরস্কার, গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার এবং ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে ভল্পি কাপ লাভ করেন।

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

এমিলি জেন স্টোন ১৯৮৮ সালের ৬ নভেম্বর স্কটসডেল, অ্যারিজোনায় জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার বাবা জেফ্রি চার্লস স্টোন ছিলেন একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং মা ক্রিস্টা জিন স্টোন (ইয়েগার) একজন গৃহিণী।[২] দুই ভাই-বোনের মধ্যে এমা বড়, তার ছোট ভাই স্পেন্সার।[৩] তার দাদা কনরাড অস্টবার্গ স্টেন সুইডিশ ছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের পর তার শেষ নাম পরিবর্তন করে "স্টোন" রাখেন। এছাড়া এমার পূর্বপুরুষগণ জার্মান, ইংরেজ, স্কটিশ ও আইরিশ ছিলেন।[৪]

কর্মজীবনসম্পাদনা

প্রারম্ভিক কর্মজীবন (২০০৪-০৮)সম্পাদনা

 
২০১৪ এর মার্চে এমা স্টোন।

স্টোনের অভিনয় জীবন শুরু হয় ২০০০ সালে দ্য উইন্ড ইন দ্য উইলোস মঞ্চ নাটকে শিশু শিল্পী হিসেবে। তিনি টেলিভিশন অভিনয় শুরু করেন ২০০৪ সালে ভিএইচওয়ান চ্যানেলের ইন সার্চ অফ দ্য নিউ পার্ট্রিজ ফ্যামিলি দিয়ে। ২০০৭ সালে গ্রেগ মট্টোলা পরিচালিত সুপারব্যাড দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।[৫] চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয়[৬] এবং এতে অভিনয়ের জন্য তিনি রোমাঞ্চকর নতুন মুখ বিভাগে ইয়ং হলিউড পুরস্কার অর্জন করেন।[৭]

চলচ্চিত্রের তালিকাসম্পাদনা

পুরস্কারসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Emma Stone Biography" (ইংরেজি ভাষায়)। এফওয়াইআই। এপ্রিল ২৩, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১৬ 
  2. Diehl, Jessica; Wolfe, Alexandra। "Hollywood Is Her Oyster"ভ্যানিটি ফেয়ার (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১৬ 
  3. Thomas, Leah (জানুয়ারি ১২, ২০১৫)। "Emma Stone Brings Brother Spencer to the Golden Globes, Adding to the Trend of the Night"বাসল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৭, ২০১৬ 
  4. David, Elliot (২০১০)। "Emma Stone"। Wonderland (ইংরেজি ভাষায়) (23): 177–181। 
  5. Duan, Noel। "Emma Stone's Best Hair Moments"টিন ভোগ (ইংরেজি ভাষায়)। এপ্রিল ১১, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৮ 
  6. "Superbad" (ইংরেজি ভাষায়)। বক্স অফিস মোজো। এপ্রিল ৮, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৮ 
  7. "Emma Stone, une muse qui ne craint pas les défis"L'Express] (ফরাসি ভাষায়)। অক্টোবর ১৪, ২০১৫। অক্টোবর ১৯, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা