উইলিয়াম আমহার্স্ট

ব্রিটিশ কূটনীতিক

ইউলিয়াম পিট আমহার্স্ট, ১ম আমহার্স্ট, রয়েল গুলফিক অর্ডার (জিসিএইচ), মহামান্য প্রিভি কাউন্সিল (পিসি), (১৪ জানুয়ারি ১৭৭৩ থেকে ১৩ মার্চ ১৮৫৭) একজন ব্রিটিশ কূটনৈতিক এবং উপনিবেশ প্রশাসক। তিনি ১৮২৩ থেকে ১৮২৮ পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের গভর্ণর জেনারেল ছিলেন।


দ্যা আর্ল আমহার্স্ট

Earl Amherst.JPG
ফোর্ট উইলিয়াম প্রেসিডেন্সির গভর্ণর - জেনারেল
কাজের মেয়াদ
1 August 1823 – 13 March 1828
সার্বভৌম শাসকGeorge IV
প্রধানমন্ত্রী
পূর্বসূরীJohn Adam
As Acting Governor-General
উত্তরসূরীWilliam Butterworth Bayley
As Acting Governor-General
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৪ জানুয়ারি ১৭৭৩
বাথ, সমারসেট
মৃত্যু১৩ মার্চ ১৮৫৭
Knole House, Kent
জাতীয়তাব্রিটিশ
দাম্পত্য সঙ্গী(1) Hon. Sarah Archer
(1762–1838)
(2) Lady Mary Sackville
(1792–1864)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীক্রাইস্ট চার্চ, অক্সফোর্ড

শৈশব ও শিক্ষাসম্পাদনা

বাথ, সমারসেটে জন্ম। পিতার নাম উইলিয়াম আমহার্স্ট (একজন ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা) মাতার নাম এলিজাবেথ। তিনি ছিলেন জেফরি আমহার্স্ট, ১ম ব্যারন আমহার্স্ট এর ভাতুপেষ্পৗত্র। ১৭৯৭ সালে তিনি তার পিতামহের পদবীর উত্তরাধিকারী হন। তিনি ওয়েস্ট মিনিস্টার স্কুল এবং ক্রাইস্ট চার্চ, অক্সফোর্ডে শিক্ষা লাভ করেন।[১]

চীনের বিশেষ রাষ্ট্রদূতসম্পাদনা

১ে৮১৬ সালে উইলিয়াম আমহার্স্ট চীনের রাজদরবারে কীন রাজবংশ বিশেষ রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োজিত হন। তার এই নিয়োগের উদ্দেশ্য ছিল চীন ও গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়ন করা। কিন্তু মর্যাদা হানীকর এক প্রথা পালনে সম্মত না হবার কারণে তিনি চৈনিক সম্রাটের দরবারে প্রবেশ করতে পারেননি। চীন থেকে ফিরে যাবার পথে কোরিয়ার উপকূলে তার জাহাজডুবি হয়। তবে তিনি ও তার সঙ্গীরা প্রানে রক্ষা পান।

ভারতের গভর্ণর জেনারেলসম্পাদনা

আগস্ট ১৮২৩ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮২৮ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলের প্রধান ঘটনা হল ১৮২৪ সালে সংগঠিত প্রথম বার্মা যুদ্ধ। এই যুদ্ধের ফলে আসাম, আরাকান এবং তানিনথারি এলাকা ব্রিটিশ সম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।[২]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Lundy, Darryl। "Peerage.com"। The Peerage। [অনির্ভরযোগ্য উৎস?]
  2. Karl Marx, "War in Burma—The Russian Question—Curious Diplomatic Correspondence" contained in the Collected Works of Karl Marx and Frederick Engels: Volume 12 (International Publishers: New York, 1979) p. 202.