প্রধান মেনু খুলুন

এডিলেইড ওভাল বা অ্যাডিলেইড ওভাল (ইংরেজি: Adelaide Oval) অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাংশে অ্যাডিলেড শহরের একটি বিখ্যাত খেলার মাঠ যা ১৮৭১ সালে নির্মিত হয়। এ মাঠটি শহরের কেন্দ্র ও নর্থ অ্যাডিলেইডের মধ্যবর্তী অ্যাডিলেড পার্কল্যাণ্ডে অবস্থিত।

অ্যাডিলেড ওভাল
Completed Adelaide Oval 2014 - cropped and rotated.jpg
অবস্থাননর্থ অ্যাডিলেড, সাউথ অস্ট্রেলিয়া
স্থানাঙ্ক৩৪°৫৪′৫৬″ দক্ষিণ ১৩৮°৩৫′৪৬″ পূর্ব / ৩৪.৯১৫৫৬° দক্ষিণ ১৩৮.৫৯৬১১° পূর্ব / -34.91556; 138.59611স্থানাঙ্ক: ৩৪°৫৪′৫৬″ দক্ষিণ ১৩৮°৩৫′৪৬″ পূর্ব / ৩৪.৯১৫৫৬° দক্ষিণ ১৩৮.৫৯৬১১° পূর্ব / -34.91556; 138.59611
মালিকদক্ষিণ অস্ট্রেলীয় সরকার
পরিচালকবিনোদন ও ক্রীড়া কার্যালয়
ধারণক্ষমতা৩৫,০০০ (৫৩,৫০০ আসনে বর্ধিত)[১]
মাঠের আয়তন১৬৭ x ১২৪ মিটার
উন্মোচন১৮৭১
ভাড়াটিয়া
সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (১৮৭১-বর্তমান)
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল (১৮৭৭-বর্তমান)
সাউথ অ্যাডিলেড ফুটবল ক্লাব (এসএএনএফএল) (১৮৮২-১৯০৩, ১৯০৫-৯৪)
অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দল (১৮৮৪-বর্তমান)
ওয়েস্ট অ্যাডিলেড ফুটবল ক্লাব (এসএএনএফএল) (১৯৪০-৫৭)
স্টার্ট ফুটবল ক্লাব (এসএএনএফএল) (১৯৮৭-৯৭)
অ্যাডিলেড র‌্যামস (এসএল/এনআরএল) (১৯৯৭-৯৮)
অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স (বিবিএল) (২০১১-বর্তমান)
পোর্ট অ্যাডিলেড ফুটবল ক্লাব (এএফএল) (২০১১, ২০১৪)
অ্যাডিলেড ফুটবল ক্লাব (এএফএল) (২০১৪)
ওয়েবসাইট
www.adelaideoval.com.au
লোগো

একবিংশ শতকে পদার্পণ করে এটি সাউথ অস্ট্রেলিয়ান রেডব্যাকস এবং অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স - এ দুই দলের নিজস্ব মাঠ হিসেবে পরিচিত। সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (এসএসিএ) কর্তৃপক্ষ ১৮৭১ সাল থেকে অ্যাডিলেড ওভালে তাদের কার্যালয় পরিচালনা করছে।

ইতিহাসসম্পাদনা

অ্যাডিলেড ওভালের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে সেই ১৮৭১ সাল থেকে। নির্মিত হবার অল্প কিছুদিন বাদেই এসএসিএ গঠনের পর অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় টেস্ট ক্রিকেট মাঠের মর্যাদা পেয়ে আসছে। জন পিকারিং এবং হেনরি ইয়র্ক স্পার্কস স্টেডিয়াম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।[২]

অধিকাংশ সময়ই মাঠটি ক্রিকেট এবং অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবল খেলায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে রাগবি লীগ, রাগবি ইউনিয়ন, ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয় ও এতে ব্যাপকসংখ্যক দর্শক সমাগম ঘটে থাকে। এছাড়াও, কনসার্টের আয়োজন করা হয় এখানে।

সাউথ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ওভাল পরিচালিত হয়। ২০০৬ সালে মাঠের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ছিল ৩৬,০০০।[৩] ১৯৩২ সালে অনুষ্ঠিত বডিলাইন টেস্টে সর্বোচ্চ ৫০,৯৬২ দর্শক সমাগমের রেকর্ড লিপিবদ্ধ করা হয়। অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলকে শহরে ফিরিয়ে আনতে ৫৭৫ মিলিয়ন ডলারের পুণঃগঠনে ব্যয় করা হবে। এরফলে স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা ৫৪,৫০০-তে দাঁড়াবে। ফলাফল হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে অ্যাডিলেড এবং পোর্ট অ্যাডিলেডের ফুটবল ক্লাব তাদের নিজেদের মাঠ হিসেবে ব্যবহার করবে।[৪]

ব্যবহারসম্পাদনা

টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিকেট বর্ষপঞ্জীতে উল্লিখিত সময়ে অস্ট্রেলিয়া দিবস উপলক্ষে প্রচলিত অস্ট্রেলিয়া ডে টেস্টের পরিবর্তে ২৬ জানুয়ারি তারিখে একদিনের আন্তর্জাতিক খেলা আয়োজিত হয়। এছাড়াও, প্রতি চার বছর অন্তর ৫-টেস্টের অ্যাশেজ সিরিজের একটি টেস্ট অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এ টেস্টগুলো ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মূলতঃ অস্ট্রেলিয়া ও সফরকারী আন্তর্জাতিক দলগুলোর বিশেষ মৌসুমের কারণে। ২০১১ সালে অ্যাডিলেড ওভালে প্রথমবারের মতো টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সফরকারী ইংল্যান্ড দল ১ উইকেটের ব্যবধানে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলকে পরাভূত করে।

উল্লেখযোগ্য টেস্টসম্পাদনা

এই মাঠ অস্ট্রেলিয়ার জন্য অন্যতম পয়া মাঠ।

২০০৩ , ২য় টেস্ট [৫]সম্পাদনা

ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের ২য় টেস্ট এ অস্ট্রেলিয়া হেরে যায়। একমাত্র এশীয় দেশ হিসেবে এই মাঠে এটাই প্রথম জয়। ভারত ম্যাচ যেতে ৪ উইকেটে। পন্টিং ২৪২ রানের ইনিংস খেললেও রাহুল দ্রাবিড় , কুম্বলে ও আগরকারের দুরন্ত প্রদর্শনে ম্যাচে আধিপত্য পায় ভারত। ম্যাচ সেরা হন রাহুল দ্রাবিড়

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Hilferty, Tim (১১ এপ্রিল ২০০৯)। "50,000 Adelaide Oval capacity not enough, says expert" 
  2. "Out Among the People"The Advertiser (Adelaide, SA : 1931 - 1954)। Adelaide, SA: National Library of Australia। ১৬ জানুয়ারি ১৯৫১। পৃষ্ঠা 4। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৩ 
  3. SACA – Adelaide Oval – Overview আর্কাইভইজে আর্কাইভকৃত ১৭ আগস্ট ২০০৩ তারিখে 28 December 2006
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৩ 
  5. "2nd Test" 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা