হরসুন্দর চক্রবর্তী

হরসুন্দর চক্রবর্তী (ইংরেজি: Harasundar Chakrabarty) (১৯০৫ - ২১ মে, ১৯৭৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী। ১৯২১ সালে ছাত্রাবস্থায় তিনি অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯২৪ সালে অনুশীলন সমিতির সদস্য হন। নিখিল বঙ্গ ছাত্র সমিতির (এ.বি.এস.এ) প্রতিষ্ঠায় তার বিশিষ্ট ভূমিকা ছিলো। ১৯৩০ সনে মেদিনীপুরে লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে এ.বি.এস.এ প্রেরিত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্ব দেন। এ-সময় তার উপর পুলিসি অত্যাচার হয় এবং তিনি কারারুদ্ধ থাকেন। ১৯৩৩ সনে জাতীয় কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশনে অভ্যর্থনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক হন। নেলী সেনগুপ্ত ঐ অধিবেশনের সভানেত্রী ছিলেন। কংগ্রেসের অধিবেশন ঐ সময় বেআইনি ঘোষিত হয়েছিলো এবং তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দুবছর কারাদণ্ড ভোগ করেন। মুক্তিলাভের পর কংগ্রেস সমাজতন্ত্রী দলে যোগ দেন। জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে লিপ্ত থাকার অপরাধে বহুবার তিনি ব্রিটিশ রাজের জেলে কারাবরণ করেন। প্রায় ৩৬ বছর আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।[১][২]

হরসুন্দর চক্রবর্তী
জন্ম
আন্দোলনব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন

জন্ম ও শিক্ষাসম্পাদনা

হরসুন্দর চক্রবর্তীর জন্ম ময়মনসিংহের চরপাড়ায়। তার পিতার নাম রামসুন্দর চক্রবর্তী।[২][৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, সংশোধিত ও পরিমার্জিত পঞ্চম সংস্করণ, দ্বিতীয় মুদ্রণ, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ৮৪৩, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  2. দরজি আবদুল ওয়াহাব, ময়মনসিংহের চরিতাভিধান, ময়মনসিংহ জেলা দ্বিশতবার্ষিকী উদযাপন কর্তৃপক্ষ, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ, এপ্রিল ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ৫৩০।
  3. ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী, জেলে ত্রিশ বছর, পাক-ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ধ্রুপদ সাহিত্যাঙ্গন, ঢাকা, ঢাকা বইমেলা ২০০৪, পৃষ্ঠা ২১৩।