প্রধান মেনু খুলুন

স্যালি মার্গারেট ফিল্ড (ইংরেজি: Sally Margaret Field; জন্ম: ৬ নভেম্বর ১৯৪৬)[১] হলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী ও পরিচালক। তিনি দুটি একাডেমি পুরস্কার, তিনটি প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার,[২] দুটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, একটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন এবং একটি টনি পুরস্কার ও দুটি বাফটা পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেছেন।

স্যালি ফিল্ড
Sally Field (11205).jpg
২০১৮ সালে বুকএক্সপো আমেরিকায় ফিল্ড
স্থানীয় নাম
Sally Field
জন্ম
স্যালি মার্গারেট ফিল্ড

(1946-11-06) ৬ নভেম্বর ১৯৪৬ (বয়স ৭২)
পেশাঅভিনেত্রী, পরিচালক
কার্যকাল১৯৬২-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীস্টিভ ক্রেইগ
(বি. ১৯৬৮; বিচ্ছেদ. ১৯৭৫)

অ্যালান গ্রেইসম্যান
(বি. ১৯৮৪; বিচ্ছেদ. ১৯৯৩)
সঙ্গীবার্ট রেনল্ডস (১৯৭৭-১৯৮০)
সন্তান
পিতা-মাতা

ফিল্ড টেলিভিশনের পর্দায় অভিনয় দিয়ে তার পেশাদার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিটকম গিজেট (১৯৬৫-১৯৬৬), দ্য ফ্লাইং নান (১৯৬৭-১৯৭০) ও দ্য গার্ল উইথ সামথিং এক্সট্রা (১৯৭৩-১৯৭৪) দিয়ে তার অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন। ১৯৭৬ সালে টেলিভিশন মিনি ধারাবাহিক সাইবিল-এ মাল্টিপল পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডারে ভোগা এক নারী চরিত্রে অভিনয় দিয়ে তিনি প্রসংসিত হন এবং এই কাজের জন্য তিনি সীমিত ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ মুখ্য অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার লাভ করেন। তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মুন পাইলট (১৯৬২) চলচ্চিত্রে অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে, তবে ১৯৭০-এর দশকে স্টে হাংরি (১৯৭৬), স্মোকি অ্যান্ড দ্য ব্যান্ডিট (১৯৭৭), হিরোজ (১৯৭৭), দ্য এন্ড (১৯৭৮) ও হুপার (১৯৭৮) চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সফলতা অর্জন করেন। ১৯৭৯ সালে নর্মা রাই ও ১৯৮৪ সালে প্লেসেস ইন দ্য হার্ট চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দুবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার অর্জনের পর ১৯৮০-এর দশকে তার কর্মজীবন আরও ব্যপ্তি লাভ করে। তিনি ১৯৮০-এর দশকে স্মোকি অ্যান্ড দ্য ব্যান্ডিট টু (১৯৮০), অ্যাবসেন্স অব ম্যালিস (১৯৮১), কিস মি গুডবাই (১৯৮২), মার্ফিস রোম্যান্স (১৯৮৫), স্টিল ম্যাগনোলিয়াস (১৯৮৯) এবং ১৯৯০-এর দশকে মিসেস ডাউটফায়ার (১৯৯৩) ও ফরেস্ট গাম্প (১৯৯৪)-এর মত ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Sally Field Biography (1946-)"ফিল্ম রেফারেন্স। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৮ 
  2. "Sally Field - Television Academy"এমি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা