একটি স্বর্ণযুগ হচ্ছে প্রচেষ্টার ক্ষেত্রের একটি সময়, যখন দুর্দান্ত কাজগুলি সম্পন্ন হয়। এই শব্দটির উৎপত্তি গ্রীকরোমান কবিদের থেকেই হয়েছিল, যারা এটি এমন এক সময়কে বোঝাতে ব্যবহার করেছিলেন যখন মানবজাতি আরও উন্নত ও উৎকৃষ্ট সময় অতিবাহিত করছিল।

একটি স্বর্ণযুগ রূপকটি প্রায়শই পৌরাণিক অতীতে হারিয়ে যাওয়া জ্ঞানের সর্বোচ্চ বিন্দুকে প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়

যখন কোন যুগকে স্বর্ণযুগ বলা হয় কারণ এই যুগটি বহুমুখীতার জ্ঞান ছিল। অর্থনীতিতে সামাজিক বিকাশও দেখা যায় সমাজেও বহু পণ্ডিতের উপস্থিতি থাকে। বিদ্বান কবিগণদের জন্মের সাথে সাথে শক্তিশালী রাজারাও আত্মপ্রকাশ করে।

প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেসিওড তাঁর োওয়ার্ক এন্ড ডেস কবিতায় এই শব্দটি চালু করেছিলেন, তিনি উল্লেখ করে সেই সময়ের কথা যখন "স্বর্ণ বর্ণের" মানুষ বাস করত। এটি পাঁচ মানব যুগের একটি, স্বর্ণযুগের পরে রৌপ্য যুগ, ব্রোঞ্জ যুগ, বীর যুগ (ট্রোজান যুদ্ধ সহ) এবং সবশেষে বর্তমান লৌহ যুগ[১] রোমান কবি ওভিড এই ধারণাটিকে চারটি "ধাতব যুগ" (স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ এবং লোহা) হিসাবে আরও পরিমার্জন করেছিলেন। [২]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Bartlett, R.C. (২০০৬)। "An Introduction to Hesiod's Works and Days"The Review of Politics68 (2): 177–205। ডিওআই:10.1017/S003467050600009X 
  2. Ovid, Metamorphoses. Trans. A.D. Melville. Oxford: Oxford University Press, 1986. pp. ix–xi

বহিঃসংযোগসম্পাদনা