সিভানদা মান (তামিল: சிவந்த மண் 'অর্থ' লাল মাটি) হচ্ছে ১৯৬৯ সালে মুক্তিপাপ্ত একটি তামিল চলচ্চিত্র। প্রণয়ধর্মী-মারপিটধর্মী এই চলচ্চিত্রটির প্রযোজক-পরিচালক ছিলেন সি ভি শ্রীধর যিনি চলচ্চিত্রটির কাহিনীও লিখেছিলেন। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছিলেন শিবাজি গণেশন এবং কাঞ্চনা, এছাড়াও ছিলেন এস ভি রঙ্গ রায়, এম এন নম্বিয়ার, আর মুথুরমণ, নাগেশ, জবর সীতারাম, তেঙ্গাই শ্রীনিবাস, শান্তাকুমারী এবং সাচু। চলচ্চিত্রটির কাহিনী হচ্ছে একজন পুলিশ মহাপরিদর্শকের ছেলে এবং একজন রাজকন্যাকে নিয়ে, তারা দুজন তাদের অঞ্চলের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে।

সিভানদা মান
সিভানদা মান পোস্টার.png
ডিভিডি প্রচ্ছদ
পরিচালকসি ভি শ্রীধর
প্রযোজকসি ভি শ্রীধর
রচয়িতাসি ভি শ্রীধর
শ্রেষ্ঠাংশেশিবাজি গণেশন
কাঞ্চনা
সুরকারমনয়ঙ্গত সুব্রমণিয়ন বিশ্বনাথন
চিত্রগ্রাহকএন বলকৃষ্ণ
সম্পাদকএম এন শঙ্কর
প্রযোজনা
কোম্পানি
চিত্রালয়া ফিল্মস
মুক্তি
  • ৯ নভেম্বর ১৯৬৯ (1969-11-09)
দৈর্ঘ্য১৭৯ মিনিট
দেশভারত
ভাষাতামিল

চলচ্চিত্রটি ছিলো তামিল চলচ্চিত্র জগতের প্রথম চলচ্চিত্র যেটার শুটিং ফ্রান্স এবং সুইজারল্যান্ডে হয়েছিলো। ১৯৬৯ সালের ৯ই নভেম্বর তারিখে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিলো দিওয়ালি উৎসবের দিনে এবং একটি বড় ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রতে রূপান্তরিত হয়েছিলো। চলচ্চিত্রটি পরিচালক নিজেই হিন্দি ভাষায় পুনঃনির্মাণ করে ধরতী নামে মুক্তি দিয়েছিলেন ১৯৭০ সালে যেখানে ওয়াহিদা রেহমান এবং রাজেন্দ্র কুমার অভিনয় করেছিলেন।

কাহিনীসম্পাদনা

পর্তুগিজরা ভারতের তামিলনাড়ুর একটি অঞ্চল বসন্তপুরীতে একটি সেনা ঘাঁটি স্থাপন করতে চায়। তারা এলাকার দুর্নীতিবাজ শাসক দিওয়ানের কাছে যায় এবং পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে রাজি হলে তাকে রাজা করার সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি পরবর্তীকালে সম্মত হন, তবে স্থানীয় জনগণের মধ্যে কেউই এর বিরুদ্ধে খুশি এবং প্রতিবাদ করেন না। তাই তিনি তাদের প্রচুর সংখ্যক হত্যা শুরু করেন। গোলাগুলিতে বাবাকে হারানো আনন্দ শপথ করে বলেছিল যে তার বন্ধু মহাপরিদর্শক চন্দ্রশেকারের ছেলে ভারত থেকে বিদেশ থেকে ফিরে এলে তার ক্ষোভের প্রতিশোধ নেবে। এদিকে, বসন্তপুরীর রাজকন্যা চিত্রলেখা জেরিখে বাস করছেন, এবং তাঁর সমাস্থানম বিপদে রয়েছে তা সম্পূর্ণ অজানা। তিনি স্থানীয় একটি দৈনিকে ভরের ছবি দেখেন এবং জানতে পারেন যে তিনিও বসন্তপুরী থেকে এসেছেন। তিনি পড়েন যে তিনি বার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম এসেছিলেন এবং তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে আগ্রহী হন। সেই রাতে চিত্রলেখা তাঁর সাথে একটি ক্লাবে গিয়ে তার অভিনয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন জানায়, নিজের সত্য পরিচয় গোপন করার জন্য নিজেকে "বাসন্তী" হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য। দ্রুত, তারা উভয় একে অপরের জন্য পড়ে।

ভারত এবং চিত্রলেখা পুরো ইউরোপ ভ্রমণ শুরু করার সাথে সাথে উপভোগ করেন, কিন্তু চিত্রলেখ যখন তাঁর স্বদেশের বিপদ সম্পর্কে শুনেন, তখন তাকে ফিরে আসতে হয়। ভরতও আসতে সম্মত, কারণ তিনিও বসন্তপুরিকে বাঁচানোর জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ভারতে বিমান চলার সময়, বিমানের এক পরিচারক ঘোষণা করেছিলেন যে দিওয়ান রাজকন্যাকে বিয়ে করতে চায় এবং তাকে বিমানবন্দরে গ্রহণ করবে। চিত্রলেখা খুশি নন এবং আদেশ দেন যে ফ্লাইটটি অন্যরকম পালাচ্ছে, কিন্তু পরিচারক তাকে পালানোর চেষ্টা করতে বাধা দেয়। ভারত পরিচারকের সাথে লড়াই করে, বিমানটি ক্রমাগত ঘুরতে থাকে এবং প্রক্রিয়াধীন, বিমানটি সমুদ্রে ডুবে যায়। ভরত এবং চিত্রলেখা মারা গেছে বলে ধারণা করা হয়েছে, তবে তারা অজ্ঞান হয়ে একটি দ্বীপে ধুয়েছেন। তারা দুই স্থানীয় চিকিৎসক যারা তাদের বন্ধুত্ব দ্বারা নিরাময়, এবং তাদের ফিরে আসার জন্য একটি বিশেষ ভেলা ব্যবস্থা। ভরত বুঝতে পেরেছিলেন যে "বাসন্তী" আসলে রাজকন্যা চিত্রলেখা, কিন্তু তিনি তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন কেবল তাকে প্রেমিক হিসাবে দেখাবেন, রাজকন্যার মতো নয়।

দুজনেই আনন্দের বাসায় পৌঁছে ভরতকে জীবিত দেখে তিনি অবাক হন। তবে চিত্রলেখা একটি সাধারণ মেয়ের ছদ্মবেশ নিয়েছেন কারণ তিনি চান না যে কেউ জানতে পারে যে রাজকন্যা এখনও বেঁচে আছে এবং ভরতকে সহায়তা করে। তার আসল পরিচয় ভরত বাদে সবার কাছেই একটি গোপন রহিয়াছে। পরের দিন, লোকেরা আবার দিওয়ানে প্রতিবাদ করে যারা তাদের হত্যা শুরু করে; বন্দুকযুদ্ধে আনন্দ মারা গেলেন, বলেছিলেন যে তাঁর মৃত্যুকে আত্মত্যাগ হিসাবে সম্মান করা হবে এবং বসন্তপুরী প্রতিশোধ নেবেন ভরত আনন্দের মাও ছেলের মৃত্যুর ধাক্কায় মারা যান, ফলে বসন্তপুরিকে বাঁচাতে ভরত এবং তাঁর বন্ধুরা আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হন। তারা দিওয়ানের কয়েকজন পুরুষকে হত্যা করে এবং এমন একটি বারে আশ্রয় প্রার্থনা করে যার মালিক ডিকিও তাদের মিত্র হয়ে ওঠে। ভরত, চিত্রলেখা এবং তাদের আরও গ্যাং গোপনে দিওয়ান এবং তার সেনাবাহিনীর সাথে লেনদেন করে।

পরে দিওয়ানের দুর্গে, "বাসন্তী" অবশেষে নিজেকে রাজকন্যা চিত্ররলেখা হিসাবে প্রকাশ করে এবং সবাইকে হতবাক করে দেয়। দিওয়ান তৎক্ষণাৎ তাকে অপহরণ করে এবং একটি গরম এয়ার বেলুন বোর্ড করে। কিন্তু ভরত তাঁর কাছে পৌঁছতে সক্ষম হন এবং তীব্র লড়াইয়ের পরে দিওয়ানকে হত্যা করেন। শান্তি বসন্তপুরীতে ফিরে আসে, যখন ভরত এবং চিত্রলেখা বিবাহিত।

অভিনয়সম্পাদনা

  • শিবাজি গণেশন - ভরত[১]
  • কাঞ্চনা - রাজকন্যা চিত্রলেখা/বসন্তী[২]
  • এস ভি রঙ্গ রায় - পুলিশ মহাপরিদর্শক চন্দ্রশেখর
  • এম এন নম্বিয়ার - দিওয়ান[২]
  • আর মুথুরমণ - আনন্দ[১]
  • নাগেশ - ডিকি[২]
  • জবর সীতারাম - বসন্তপুরী রাজা
  • তেঙ্গাই শ্রীনিবাস - পুরুষ বিমান বালা[২]
  • শান্তাকুমারী - জনকী[২]
  • সাচু - মোহিনী[২]

প্রযোজনাসম্পাদনা

পরিচালক সি ভি শ্রীধর মূলত এই চলচ্চিত্রটি আগে আন্ড্রু সিন্থিয়া রাট্টাম নামে তৈরি করতে চেয়েছিলেন এমজিআরকে নিয়ে।[৩] শ্রীধরের জন্য এই চলচ্চিত্রটি ছিলো প্রথম মারপিটধর্মী চলচ্চিত্র যিনি আগে অনেক প্রণয়ধর্মী এবং নাট্য চলচ্চিত্র বানিয়েছিলেন।[২] সিভানদা মান ছিলো প্রথম তামিল চলচ্চিত্র যেটি ভালো করে বিদেশে শুটিং হয়েছিলো।[৪] চলচ্চিত্রটির ইউরোপের সুইজারল্যান্ড,[৩] ফ্রান্স এবং আল্পসে শুটিং হয়েছিলো।[৫] চলচ্চিত্রটির জন্য একটি কৃত্রিম নদী তৈরি করেছিলেন পরিচালক শ্রীধর, তৈরি করেছিলেন বৌহিনী স্টুডিওতে, নদীটি নষ্ট হয়ে গেলে তিনি আবার তৈরি করেছিলেন।[৬]

সঙ্গীতসম্পাদনা

চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন মনয়ঙ্গত সুব্রমণিয়ন বিশ্বনাথন, গীতিকার ছিলেন কন্নদাসন[৭] 'ওরু রাজা রাণীইদাম' গানটি তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলো,[৮] এছাড়াও আরবীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী বানানো গান 'পাট্টাদু রাণী' গানটিও দর্শক পছন্দ করেছিলো।[৯] সঙ্গীত পরিচালক বিশ্বনাথন বলেছিলেন যে, চলচ্চিত্রটির সঙ্গে মিল রেখে গানটির সুর ওভাবে করা হয়েছিলো, আর এটি মূলত পারস্যের সুর।[১০]

গানের শিরোনাম
নং.শিরোনামগীতিকারকণ্ঠশিল্পীদৈর্ঘ্য
১."ওরু রাজা রাণীইদাম"কন্নদাসনটি এম সুন্দররাজন, পি সুশীলা০৬ঃ৩১
২."মুত্তাতামিড়ুম নেরামেপ্পো"কন্নদাসনসাঁই বাবা, এল আর ঈশ্বরী০৩ঃ২৮
৩."ওরু নালিলেয়া উরাভানদেয়া"কন্নদাসনটি এম সুন্দররাজন, পি সুশীলা০৬ঃ৪১
৪."পাট্টাতু রাণী"কন্নদাসনএল আর ঈশ্বরী০৬ঃ৩৯
৫."পারভাই যুবারাণী"কন্নদাসনটি এম সুন্দররাজন০৩ঃ৩৭
৬."সোল্লাভো সুগামানা"কন্নদাসনপি সুশীলা০৪ঃ১৬
৭."আনন্দমাগ"কন্নদাসনপি সুশীলা০৩ঃ২৭
৮."আম্মা উন মাগানোড়ু"কন্নদাসসিরকাড়ি গোবিন্দরাজ 
৯."তাঙ্গামণি পাইনকিলিয়ুম"কন্নদাসধরপুর সুন্দররাজ বীরমণি 

মুক্তি এবং গ্রহণসম্পাদনা

১৯৬৯ সালের ৯ই নভেম্বর তারিখে দিওয়ালির দিনে সিভানদা মান মুক্তি পায়।[১১] দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকাতে লিখা হয় যে, "আপনি যদি কোনও গল্প আশা করেন, তবে যে কোনো সাধারণ উপাদান আপনি হতাশ হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হন, চলচ্চিত্রটির যোগ্যতা হ'ল এটি দূর্দান্ত আদর্শের জন্য কোনও দাবি তোলে না বা এটি কোনও গল্প দাবি করে না।"[১] চলচ্চিত্রটি ভালোই ব্যবসা করতে পেরেছিলো এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ১০০ দিন চলেছিলো।[১২][১৩] চলচ্চিত্রটির সফলতা দেখে অনেক তামিল চলচ্চিত্র ফ্রান্সে নির্মাণের জন্য অনুপ্রাণিত হয়েছিলো।[১৪] পরিচালক শ্রীধর হিন্দি ভাষায় 'ধরতী' (১৯৭০)[১৫] চলচ্চিত্র এই তামিল সিভানদা মানের পুনঃনির্মাণ হিসেবে বানালেও হিন্দি চলচ্চিত্রটি দর্শক গ্রহণ করেনি।[১৬]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Cinema"The Indian Express। ১৫ নভেম্বর ১৯৬৯। পৃষ্ঠা 8। 
  2. "பொன்விழா படங்கள்: சிவந்த மண்: வெளிநாட்டில் படமாக்கப்பட்ட முதல் தமிழ் படம்" [Golden Jubilee films: Sivantha Mann, the first Tamil film shot abroad]। Dinamalar (তামিল ভাষায়)। ৬ জুলাই ২০১৯। ৬ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  3. Kantha, Sachi Sri (৬ জুন ২০১৪)। "MGR Remembered – Part 18"Ilankai Tamil Sangam। ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  4. Ramachandran, Naman (২০১৪) [2012]। Rajinikanth: The Definitive Biography। New Delhi: Penguin Books। পৃষ্ঠা 87। আইএসবিএন 978-0-14-342111-5 
  5. Velayutham, Selvaraj, সম্পাদক (২০০৮)। Tamil Cinema: The Cultural Politics of India's Other Film IndustryRoutledge। পৃষ্ঠা 174। আইএসবিএন 978-1-134-15446-3 
  6. Rangarajan, Malathi (২১ জুলাই ২০১৬)। "The director's fine cut"The Hindu। ১৭ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  7. "Sivantha Mann"Saregama। ১৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  8. Raman, Mohan (১–১৫ নভেম্বর ২০০৮)। "An auteur no more"Madras Musings। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১২ 
  9. "A musical legend takes a final bow"The Times Kuwait। ২৬ জুলাই ২০১৫। ২৮ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  10. Saqaf, Syed Muthahar (২৫ জুন ২০০৫)। "Melody King"The Hindu। ৫ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  11. Venkataramanan, Geetha (১৪ নভেম্বর ২০১৯)। "Jubilee of Sridhar's film Sivanda Mann celebrated"The Hindu। ২৬ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  12. Jeshi, K. (১ নভেম্বর ২০১৩)। "Released on Deepavali"The Hindu। ১৭ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২০ 
  13. Ganesan, Sivaji; Narayana Swamy, T. S. (২০০৭) [2002]। Autobiography of an Actor: Sivaji Ganesan, October 1928 – July 2001। Chennai: Sivaji Prabhu Charities Trust। পৃষ্ঠা 242। ওসিএলসি 297212002 
  14. "France attracts Hollywood, Bollywood"The Economic Times। ২৫ অক্টোবর ২০০৮। ২ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  15. Guy, Randor (২৪ অক্টোবর ২০০৮)। "Trend-setter"The Hindu। ২ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৯ 
  16. நரசிம்மன், டி.ஏ. (৯ নভেম্বর ২০১৮)। "சி(ரி)த்ராலயா 41: முரசொலி மாறனின் எச்சரிக்கை!" [Si(ri)thalaya 41: Murasoli Maran's warning!]। Hindu Tamil Thisai। ১৭ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২০ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা