সামরিক

সংগঠিত সংস্থা প্রধানত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি এবং পরিচালনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল

সামরিক শব্দের দুটি ব্যাপক অর্থ আছে। প্রথম অর্থে, সৈন্য ও সৈন্য সমাবেশ বোঝায়। দ্বিতীয় অর্থে, সামরিক বাহিনীকে সামগ্রিকভাবে বোঝায়। বহু বছরে মিলিটারি ইউনিটগুলো বিভিন্ন আকার ও আকৃতি লাভ করেছে। মিলিটারি ইউনিটগুলো, সামন্তরাজের নেতৃত্বে লড়াইয়ের জন্য গুটিকয় সাধারণ কৃষকের সমন্বেয় গঠিত মধ্যযুগীয় দলের মত ক্ষুদ্র আয়তন হতে, ১৯৪৪ সালের ডি-ডে’র জন্য গঠিত অধিক্রম বাহিনীর মত বৃহৎ আয়তন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এগুলো সাকা জুলুর ইম্পির মত কঠোরভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে পারে, আবার নাইটস টেম্পলারের মত প্রায় স্বতন্ত্রও হতে পারে। কিছু রাষ্ট্র - যেমন স্পার্টা বা আধুনিক কালের প্রুশিয়া - সামরিক বিক্রমকে সরকারের কেন্দ্রে স্থান দেয়।
সৈন্য সমাবেশের কার্যক্রম ইতিহাসের সুরু থেকে হয়ে আসছে।
বর্তমান কালে, যুদ্ধ ও অন্যান্য দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক ভূ-অবস্থানে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। অনেক সাম্রাজ্যের আবির্ভাব ও পতন সাধন; নতুন রাষ্ট্রের গঠন ও বিলুপ্তি সাধন হয়েছে। ব্যাপক সামাজিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে এবং সামরিক শক্তি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এখনও আধিপত্য করছে। বর্তমান সমাজে সামরিক ভূমিকা পূর্বাপেক্ষা অধিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন দেশে সামরিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য সংখ্যা (২০০৯)

শব্দের ব্যুৎপত্তি ও কিছু সংজ্ঞাসম্পাদনা

সামরিক বিজ্ঞানসম্পাদনা

সামরিক ইতিহাসসম্পাদনা

প্রাচীনকাল থেকে সংঘর্ষের মাধ্যমে ইতিহাসের গতি বয়ে চলেছে। যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, যুদ্ধাস্ত্রের বিবর্তন, সামরিক বাহিনীর প্রকৃতি ও সমরকুশলতা, যুদ্ধের প্রকৃতি ও প্রভাবকে তুলে ধরা হল সামরিক ইতিহাস।

সামরিক বাহিনী ও সমাজসম্পাদনা