প্রধান মেনু খুলুন

১৪ থেকে ১৭ শতক সময়কালের ইউরোপিয় স্থাপত্যকে রেনেসাঁ স্থাপত্য বলা হয়, যা প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সভ্যতা এবং তার বস্তুবাদী সংস্কৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের চেতনাগত পুনরুদ্ধার ও বিকাশকে নির্দেশ করে। স্টাইলের দিক থেকে গথিক স্থাপত্যকে অনুসরণ করে, রেনেসাঁ স্থাপত্য পরিণতি পায় ব্যারক স্থাপত্যে। ফ্লোরেন্সে উদ্ভব লাভ করে তা ধীরে ধীরে ইতালির অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে, যার পেছনের কারিগরদের একজন হলেন ফিলিপ্পো ব্রুনেলেস্কি। এর প্রভাব পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাত্রায় বিস্তার লাভ করে ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড, রাশিয়াসহ ইউরোপের অন্যান্য অনেক স্থানে।

রেনেসাঁ স্টাইল মূলত গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন অংশের প্রতিসমতা, অনুপাত, জ্যামিতিক ও নিয়মিত আকারের ওপর; যার নমুনা আমরা দেখি বিভিন্ন প্রাচীন স্থাপত্যে - বিশেষ করে প্রাচীন রোমান স্থাপত্যে। রেনেসাঁ স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য - যেমন স্তম্ভ, পিলাস্টার, আর্চ, গম্বুজ, নিশে ও অ্যাডেকুল এর ব্যবহার - মধ্যযুগের জটিল ও অনিয়মিত আকারের স্থাপত্যকে বাতিল করেছে।

উৎপত্তিসম্পাদনা

রেনেসাঁ শব্দটি এসেছে "la rinascita" থেকে, যার অর্থ পুনরুৎপত্তি। এর প্রথম ব্যবহার দেখা যায় জর্জিও ভাসারি এর লেখা Vite de' più eccellenti architetti, pittori, et scultori Italiani বইয়ে। যদিও রেনেসাঁ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ফরাসি ইতিহাসবিদ জুল মিশেল, এর একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন সুইস ইতিহাসবিদ জ্যাকব বার্কহার্ড।