প্রধান মেনু খুলুন

রায়ডাক নদী

বাংলাদেশের নদী

রায়ডাক নদী (ভুটানে নাম ওয়াং ছু বা ওং ছু) হল ব্রহ্মপুত্র নদের একটি উপনদী। এটি একটি আন্তর্জাতিক নদী। এটি ভুটান, ভারতবাংলাদেশ রাষ্ট্রের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

রায়ডাক নদী
ওয়াং ছু
ছিপ্রার কাছে জাতীয় মহাসড়ক ৩১সি থেকে তোলা রায়ডাক নদীর দৃশ্য
ছিপ্রার কাছে জাতীয় মহাসড়ক ৩১সি থেকে তোলা রায়ডাক নদীর দৃশ্য
দেশসমূহ ভুটান ভারত, বাংলাদেশ
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
অঞ্চলসমূহ জলপাইগুড়ি বিভাগ, রংপুর বিভাগ
জেলাসমূহ আলিপুরদুয়ার জেলা, কোচবিহার জেলা, কুড়িগ্রাম জেলা
নগর থিম্পু
Landmark রিংপুং জং, চুখা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, টালা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, তুফানগঞ্জ
মোহনা ব্রহ্মপুত্র নদ
দৈর্ঘ্য ৩৭০ কিলোমিটার ( মাইল)
বৃহত্তর ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীয়মান রায়ডাক নদীর গতিপথের রিলিফ মানচিত্র
বৃহত্তর ব্রহ্মপুত্র নদে বিলীয়মান রায়ডাক নদীর গতিপথের রিলিফ মানচিত্র

পরিচ্ছেদসমূহ

গতিপথসম্পাদনা

ভুটানসম্পাদনা

ওয়াং ছু বা রায়ডাক নদীর উৎস হিমালয় পর্বতমালা। উচ্চগতিতে এই নদী থিম্পু ছু নামে পরিচিত। মূল নদীটি খরস্রোতা। প্রস্তরময় নদীপথে এটির গতি। থিম্পুপারো ছু নদীর মোহনার মধ্যে এই নদীর গতিপথ অত্যন্ত সংকীর্ণ। কিন্তু তারপর এই পথ বিস্তার লাভ করেছে। সেখানে এটি অত্যন্ত খাড়াই ঢালের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এরপর এটি দক্ষিণপূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে একটি তুলনামূলকভাবে মুক্ত উপত্যকায় পড়েছে। কাছাকাছি পার্বত্য অঞ্চল থেকে একাধিক ছোটো নদী এসে এই নদীতে মিশেছ। পারো জংয়ের উজানে এই নদীর অন্যতম প্রধান উপনদী টা ছু এতে এসে বাম দিকে মিশেছে। পশ্চিম দিকে এই নদীর সঙ্গে মিশেছে হা ছুতাশিছো জংয়ে নদীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,১২১ মিটার (৬,৯৫৯ ফু) উঁচুতে। কিন্তু যেখানে এই নদী ডুয়ার্সে প্রবেশ করছে সেখানে এই উচ্চতা মাত্র ৯০ মিটার (৩০০ ফু)।[১][২]

পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশসম্পাদনা

 
উত্তরবঙ্গের নদনদীর মানচিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের আলুপুরদুয়ার জেলায় ডুয়ার্সে প্রবেশ করার পর এই নদী কোচবিহার জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় রায়ডাক ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে।[৩][৪][৫][৬] এই অঞ্চলে এই নদীর নাম দুধকুমার নদী[৭]

রায়ডাক নদীর গতিপথের একক দৈর্ঘ্য ৩৭০ কিলোমিটার (২৩০ মা)। তবে শাখা নদীগুলি নিয়ে শুধুমাত্র ভুটানেই এই নদীর দৈর্ঘ্য ৬১০ কিলোমিটার (৩৮০ মা)।[১][৮]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Physiological Survey"River System of Bhutan। FAO Corporate Document Repository। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  2. "Geography"। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  3. Sharad K. Jain, Pushpendra K. Agarwal, Vijay P. Singh। "Hydrology and Water Resources of India"p. 428। Google books। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  4. "Jalpaiguri district"। Jalpaiguri district administration। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  5. "Cooch Behar district"। Cooch Behar district administration। ২০১১-০৭-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  6. Gulia, K.S.। "Discovering Himalaya, Volume 2"p 112। Google books। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  7. "Dudhkumar River"। Banglapedia। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 
  8. "River Systems"। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৫-০৯ 

গ্যালারিসম্পাদনা