লালা হল একটি শারীরিয় তরল বস্তু যা প্রানীর মুখের লালা গ্রন্থি হতে উৎপন্ন হয়। মানব লালার ৯৯.৫% পানি সহ ইলেক্ট্রোলাইট, শ্লেষ্মা, শ্বেত লোহিত কনিকা, এপিথেলিয়াল কোষ (যা থেকে ডিএনএ বের করা যাবে), এনজাইম (যেমন এ্যামিলেস এবং লাইপেজ), এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট নি:সৃরক যেমন ইমিউনোগ্লোবিউলিন এ এবং লাইসোজাইম[১]

একটি শিশুর ঠোঁটে লালা

খাদ্যকনা এবং চর্বি হজম প্রক্রিয়ার শুরুতে লালাস্থিত এনজাইমগুলো গুরুত্বপূর্ণ। এইসকল এনজাইম দাতের ফাকে আটকে থাকা খাদ্যকনাও ভাঙ্গতে সাহায্য করে যার মাধ্যমে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ হতে দাতকে সুরক্ষার কাজটিও করে থাকে। [২] খাদ্য ভেজাতে, গিলার সুবিধা এবং মুখের অভন্ত্যরের শ্লেষাজিল্লির উপরিস্তর রক্ষার্থে লালা পিচ্ছিলকারক উপাদান হিসেবে কাজ করে।[৩]

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Physiology at MCG 6/6ch4/s6ch4_6
  2. Fejerskov, O.; Kidd, E. (২০০৭)। Dental Caries: The Disease and Its Clinical Management (2nd সংস্করণ)। Wiley-Blackwell। আইএসবিএন 978-1-4051-3889-5 
  3. Edgar, M.; Dawes, C.; O'Mullane, D. (২০০৪)। Saliva and Oral Health (3 সংস্করণ)। British Dental Associationআইএসবিএন 0-904588-87-4 

আরো পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা