ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যালস লিমিটেড

ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যালস লিমিটেড (বিএইচইএল) একটি ভারতের সরকারি খাতের প্রকৌশলী ও উৎপাদনকারী সংস্থা। এটি ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত, বিএইচইএল ভারতের বৃহত্তম বিদ্যুত সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক।

ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যালস লিমিটেড
ধরনসরকারি খাতের উদ্যোগ
আইএসআইএনআইএনই২৫এ০১০২৬
শিল্পবৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৬৪; ৫৭ বছর আগে (1964)
প্রতিষ্ঠাতাভারত সরকার
সদরদপ্তর,
বাণিজ্য অঞ্চল
বিশ্বব্যাপী
প্রধান ব্যক্তি
নলিন শিংহল
(চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক)
পণ্যসমূহগ্যাস ও বাষ্প টারবাইন
বয়লার
বৈদ্যুতিক মোটর
বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন
জেনারেটর
তাপ এক্সচেঞ্জাররা
স্যুইচগার ও সেন্সর
স্বয়ংক্রিয়তা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্স
সঞ্চারণ ব্যবস্থা
আয়হ্রাস২২,০৬৬.৬৪ কোটি (US$২.৯৮ বিলিয়ন) (2020) [১]
হ্রাস−১৫৫.১৬ কোটি (US$−০.০২ বিলিয়ন) (২০২০)[১]
হ্রাস−১,৪৭২.৯৭ কোটি (US$−০.২ বিলিয়ন) (২০২০)[১]
মোট সম্পদহ্রাস৬০,৭৮৪.৩২ কোটি (US$৮.২১ বিলিয়ন) (২০২০)[১]
মোট ইকুইটিহ্রাস২৮,৬৫১.৬৫ কোটি (US$৩.৮৭ বিলিয়ন) (২০২০)[১]
মালিকভারত সরকার (৬৩.১৭%)
কর্মীসংখ্যা
৩৯,৮২১ (২০১৯)[২]
ওয়েবসাইটwww.bhel.com

ইতিহাসসম্পাদনা

ভেল ১৯৬৪ সালে ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম শিল্পের সূচনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। হেভি ইলেক্ট্রিক্যালস (ভারত) লিমিটেডকে ১৯৭৪ সালে বিএইচএল-এর সাথে একীভূত করা হয়।[৩] ভেল ১৯৯১ সালে একটি সরকারি সংস্থায় রূপান্তরিত হয়। এটি সময়ের সাথে সাথে ট্রান্সমিশন, পরিবহন, তেল ও গ্যাস এবং অন্যান্য জোটবদ্ধ শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের জন্য বৈদ্যুতিক, ইলেকট্রনিক ও যান্ত্রিক সরঞ্জাম উৎপাদন করার সক্ষমতা অর্জন করে।[৩] যাইহোক, কোম্পানির আয়ের বেশিরভাগ অংশ এখনও টারবাইন ও বয়লারসমূহের মতো বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সরঞ্জাম বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত হয়। বিএইচইল ২০১৭ সালের মধ্যে সরবরাহিত সরঞ্জামসমূহ ভারতে মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাের প্রায় ৫৫% গঠন করে।[৪] সংস্থাটি ভারতীয় রেলকে বৈদ্যুতিন লোকোমোটিভস সরবরাহ করে এবং সুরক্ষা সরঞ্জাম, যেমন অর্ডানেন্স ফ্যাক্টরি বোর্ডের সহযোগিতায় নির্মিত সুপার র‍্যাপিড গান মাউন্ট (এসআরজিএম) ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে সিমুলেটর সরবরাহ করে।[৩][৫]

সমালোচনাসম্পাদনা

ভেল বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের (এনটিপিসি লিমিটেড ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ) জন্য সুন্দরবন ম্যানগ্রোভের নিকট রামপালে ১৩৪০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে। প্রকল্পটি পরিবেশের প্রভাব ও বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনের সম্ভাব্য ক্ষতির জন্য সমালোচনার মুখোমুখি হয়।[৬][৭][৮][৯][১০] নরওয়ের সার্বভৌম সম্পদ তহবিল ২০১২ সালে রামপাল কয়লা কেন্দ্র সম্পর্কিত উদ্বেগের কারণে বিএইচএলকে তার বিনিয়োগের পোর্টফোলিও থেকে সরিয়ে দিয়েছে।[১১][১২]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Balance Sheet 31.03.2020".
  2. https://www.bseindia.com/bseplus/AnnualReport/500103/5001030319.pdf
  3. "Company History – Bharat Heavy Electricals Ltd."। Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  4. http://www.bhel.com/financial_information/pdf/15-16/BHEL%20Annual%20Report%202015-16.pdf
  5. Correspondent, Our (৬ জানুয়ারি ২০০৬)। "Ordnance Factory Board develops advanced rifles" – Business Standard-এর মাধ্যমে। 
  6. Khan, Sharier। "India's Bhel gets Rampal contract"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ 
  7. "Shift Rampal power plant, save Sundarbans"theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ 
  8. "Rampal power plant puts the Sundarbans in crossfire"Prothom Alo। ১৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ 
  9. "Rampal power plant: A project of deception and mass destruction"The Opinion Pages। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ 
  10. "Rampal plant to doom Sundarbans: Study"www.dhakatribune.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ 
  11. "Norway excludes India's BHEL over Rampal power plant"Dhaka Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৭ 
  12. AFP (৫ মে ২০১৭)। "Norway wealth fund drops BHEL from its portfolio over environmental concerns"livemint.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা