কুনু কবিতা কারচিহ্ন বিহীন কবিতা দৃশ্যমান কারের চিহ্ন নেই যেমন একটি কুনু তানকা কবিতা

রক্ষ মর গণ্য বন্য ধন মত করছ বর্ষবরণ নর বর্ষ বছর কত মন ধন্য,বন্য গরম ক্ষর।

আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে এটি উপর নিচ প্যালিন্ড্রোম কুনু তানকা কবিতা, এই কবিতাটি পাঁচ নম্বর লাইনের শেষের বর্ণ (র) থেকে পড়ে আসলে একই রকম হবে, লেখাটি লিখেছেন প্যালিন্ড্রোমিস্ট কবি আব্দুল মালেক,

বাংলা উইকিপিডিয়ায় আপনাকে স্বাগতমসম্পাদনা

বঙ্গুঞ্জন কবিতা লেখার নিয়মসম্পাদনা

বঙ্গুঞ্জন কবিতা লেখার নিয়ম হলো এখানে আ-কার থেকে ঔ-কার পর্যন্ত থাকবে প্রত্যেক শব্দের প্রথম বর্ণে উদাহরণ

দামী কিসের কীর্তি দুলে দূরে কৃত্রিম কেমন হৈচৈ কোলাহল কৌতুকে আর কি-না নীতি নুয়ে নূন্যতম কৃতজ্ঞতা নেই, নৈতিকতা কোথায়? নৌকায়?

খেয়াল করবেন এখানে আ-কার থেকে শুরু হয়ে ঔ-কারে গিয়ে শেষ হয়েছে (দামী>দ>আ>কার) (কিসের>ক>ই>কার) (কীর্তি>ক>ঈ>কার) (দুলে>উ>কার) (দূরে>দ>ঊ>কার) (কৃত্রিম>ক>ঋ>কার) (কেমন>ক>এ>কার) (হৈচৈ>হ>ঐ>কার) (কোলাহল>ক>ও>কার) (কৌতুকে>ক>ঔ>কার) এইভাবে শুরু হয়ে শেষ হয়েছে আবার আ>কার থেকে শুরু হয়ে ঔ>কারে গিয়ে শেষ হয়েছে।

এই কবিতার প্রবর্তক প্যালিন্ড্রোমিস্ট ও কবি আব্দুল মালেক। Palindromeste abdul malek (আলাপ) ১৪:১৮, ৭ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[]

এটিই হচ্ছে বঙ্গুঞ্জন কবিতা Palindromeste abdul malek (আলাপ) ১৪:৩৪, ৭ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[]

সবচেয়ে বড় বহুমুখী প্যালিন্ড্রোম বাংলায়সম্পাদনা

মালিনী জরা নাম বল লিখলি রাজ কি-না সব নিলি মালিনী জরা নাম জরা লিখলি মেজ কি-না রাজ নিলি মালিনী জরা না-কি জমে লিখলি রাজ মনা রাজ নিলি মালিনী বস না-কি জরা লিখলি ল'ব মনা রাজ নীলিমা।

মা লি নী জ রা না ম ব ল লি খ লি রা জ কি-না স ব নি লি মা লি নী জ রা না ম জ রা লি খ লি মে জ কি না রা জ নি লি মা লি নী জ রা না-কি জ মে লি খ লি রা জ ম না রা জ নি লি মা লি নী ব স না- কি জ রা লি খ লি ল' ব ম না রা জ নী লি মা

রচনা করেছেন কবি ও প্যালিন্ড্রোমিস্ট আব্দুল মালেক Palindromeste abdul malek (আলাপ) ০৩:৩৪, ৮ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[]