"গাজওয়াতুল হিন্দ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Nazrul Islam Nahid Majumder-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Al Riaz Uddin Ripon-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
(পৃষ্ঠাকে '48px|left গাজওয়াতুল হিন্দ ন...' দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল)
ট্যাগ: প্রতিস্থাপিত হাতদ্বারা প্রত্যাবর্তন পুনর্বহালকৃত
(Nazrul Islam Nahid Majumder-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Al Riaz Uddin Ripon-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
{{essay-like|date=ফেব্রুয়ারি ২০১৯}}
[[Image:Ambox warning pn.svg|48px|left]] [[:গাজওয়াতুল হিন্দ]] নামক নিবন্ধটি উইকিপিডিয়ার [[উইকিপিডিয়া:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে]] দ্রুত অপসারণের অনুরোধ করা হয়েছে। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে
{{weasel|date=ফেব্রুয়ারি ২০১৯}}
<center>'''''নিবন্ধটিতে প্রসঙ্গ যাচাই করার জন্য যথেষ্ট পরিমান তথ্য নেই। এছাড়াও বিষয়টি বিতর্কিত হওয়ায় নিবন্ধটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ক্রিনশর্ট আকারে ধর্মীয় উস্কানির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
{{বর্ণনা ভঙ্গি|date=মার্চ ২০১৮}}
[[File:India 78.40398E 20.74980N.jpg|thumb| [[নাসা]]র কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে তোলা ভারতীয় উপমহাদেশের ছবি]]
 
'''গাজওয়াতুল হিন্দ''' হলো [[ইসলাম|ইসলামের]] [[শেষ নবি|সর্বশেষ]] [[নবি]] হযরত [[মুহাম্মাদ|মুহাম্মদ]] (সা) এর একটি ভবিষ্যদ্বাণী। যেখানে উল্লেখ আছে, [[মুসলিম]] এবং অমুসলিমদের মধ্যে [[ভারতীয় উপমহাদেশ]] এ একটি [[যুদ্ধ]] হবে, যাতে মুসলমানদের বিজয় ঘটবে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল=http://www.banglarbarta.com/archives/5155 |শিরোনাম=অখণ্ড ভারত? নাকি গাজওয়াতুল হিন্দ? |ওয়েবসাইট=banglarbarta.com |তারিখ= |সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-26 |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180723104206/http://www.banglarbarta.com/archives/5155 |আর্কাইভের-তারিখ=২০১৮-০৭-২৩ |অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ }}</ref>
 
==ধর্মীয় পান্ডুলিপিতে==
===হাদিস===
হযরত [[আবু হুরাইরাহ|আবু হুরায়রা]] কর্তৃক বর্ণিত [[মুহাম্মাদ|রাসূলুল্লাহ (সা)]] ভারতের (তৎকালীন সময়ে "''ভারত''" বলতে পুরো ভারতীয় উপমহাদেশকে বোঝানো হতো) কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন,
 
{{উক্তি|text=অবশ্যই আমাদের একটি দল ভারতের সাথে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ্ সেই দলের যোদ্ধাদের সফলতা দান করবেন, আর তারা রাজাদের শিকল/বেড়ি দিয়ে টেনে আনবে । এবং আল্লাহ্ সেই যোদ্ধাদের ক্ষমা করে দিবেন (এই বরকতময় যুদ্ধের দরুন)। এবং সে মুসলিমেরা ফিরে আসবে তারা ঈসা ইবনে মরিয়ম কে সিরিয়ায় (শাম) পাবে।}}
 
হযরত আবু হুরায়রা বলেন,
 
{{উক্তি|“ আমি যদি সেই গাযওয়া পেতাম, তাহলে আমার সকল নতুন ও পুরাতন সামগ্রী বিক্রি করে দিতাম এবং এতে অংশগ্রহণ করতাম । যখন আল্লাহ্ (সুবঃ) আমাদের সফলতা দান করতেন এবং আমরা ফিরতাম, তখন আমি একজন মুক্ত আবু হুরায়রা হতাম; যে কিনা সিরিয়ায় হযরত ঈসা কে পাবার গর্ব নিয়ে ফিরত । ও মুহাম্মাদ ! সেটা আমার গভীর ইচ্ছা যে আমি ঈসা এর এত নিকটবর্তী হতে পারতাম, আমি তাকে বলতে পারতাম যে আমি মুহাম্মাদের একজন সাহাবী।" |sign=|source=}}
 
”বর্ণনাকারী বলেন যে মুহাম্মাদ (সঃ) মুচকি হাসলেন এবং বললেনঃ '''‘খুব কঠিন, খুব কঠিন ’'''।
 
উল্লেখ্য, মুসনাদে আহমদ, শাইখ নাসেরুদ্দিন আলবানী (র) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন
 
[[হাদিস|হাদিসে]] উল্লেখ পাওয়া যায়, মহনবি (সা) বলেছিলেনঃ
 
{{উক্তি|"আমার উম্মতের দুটি দল, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ দান করবেন। একদল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে, আর একদল যারা ঈসা ইব্ন মারিয়াম -এর সঙ্গে থাকবে।"<ref name="ihadis|n|3175">{{ihadis|n|3175}}</ref><ref name="sunnah.com">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://sunnah.com/nasai/25/91 |শিরোনাম=হাদীস, জিহাদ গ্রন্থ, সুন্নাহ নাসায়ী, 3175 |ওয়েবসাইট=Sunnah.com | সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-26}}</ref>}}
 
আরও উল্লেখ পাওয়া যায় [[আবু হুরাইরাহ|আবু হুরায়রা]] বলেছেন,
{{উক্তি|"রাসুলুল্লাহ (সা) আমাদেরকে ভারত অভিযানের ওয়াদা দিয়েছিলেন। যদি আমি তা (ঐ যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সুযোগ) পাই, তা হলে আমি তাতে আমার সকল সম্পদ ব্যয় করব। আর যদি আমি তাতে নিহত হই, তাহলে আমি শহিদের মধ্যে উত্তম সাব্যস্ত হব। আর যদি আমি ফিরে আসি তা হলে আমি হবো জাহান্নাম হতে মুক্ত।"<ref>{{ihadis|n|3173}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://sunnah.com/nasai/25/90 |শিরোনাম=হাদীস, জিহাদ গ্রন্থ, সুন্নাহ নাসায়ী, 3173 |ওয়েবসাইট=Sunnah.com | সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-26}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://sunnah.com/nasai/25/89 |শিরোনাম=হাদীস, জিহাদ গ্রন্থ, সুন্নাহ নাসায়ী,, 3174 |ওয়েবসাইট=Sunnah.com | সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-26}}</ref><sup>[সনদ দুর্বল (Da'if)]</sup>}}
 
হযরত [[কা'ব ইবনে যুহাইর|কা’ব]] থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ (সা) বলেন,
 
{{উক্তি|text="বায়তুল মোকাদ্দাসের (জেরুজালেমের) একজন রাজা ভারতের দিকে সৈন্য প্রেরণ করবে এবং সেখানের যাবতীয় সম্পদ ছিনিয়ে নিবে। ঐ সময় ভারত বায়তুল মোকাদ্দাসের (জেরুজালেমের) একটি অংশ হয়ে যাবে। তখন তার সামনে ভারতের সৈন্য বাহিনী গ্রেফতার অবস্থায় পেশ করা হবে। প্রায় গোটা পৃথিবী তার শাসনের অধীনে থাকবে। ভারতে তাদের অবস্থান দাজ্জালের আবির্ভাব হওয়া পর্যন্ত থাকবে"।|sign=|source=আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ১২৩৫}}
 
==বিশেষজ্ঞদের অভিমত==
{{আরো দেখুন|সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণ}}
কিছু ধর্মবিদ ও ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেন যে এই ভবিষ্যদ্বাণী ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে যখন মুসলমানরা দ্বিতীয় [[উমাইয়া খিলাফত|উমাইয়া]] [[খলিফা]], [[প্রথম মুয়াবিয়া|মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান]] এর শাসনামলে [[মাহমুদ গজনভি]] [[ভারত]] আক্রমণ করেছিল। অপরপক্ষ বিশ্বাস করে যে, এটা ঘটবে [[ইমাম মাহদি]]র সময়কালে কারণ "<ref name="ihadis|n|3175">{{ihadis|n|3175}}</ref><ref name="sunnah.com">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://sunnah.com/nasai/25/91 |শিরোনাম=হাদীস, জিহাদ গ্রন্থ, সুন্নাহ নাসায়ী, 3175 |ওয়েবসাইট=Sunnah.com | সংগ্রহের-তারিখ=2018-07-26}}</ref><nowiki> এই হাদিসে ঈসা ইবনে মরিয়ম এর সাথে থাকার উল্লেখ আছে। কিছু </nowiki>পাকিস্তানি বুদ্ধিজীবীগণ [[পাকিস্তান]]কে উক্ত যুদ্ধের পটভুমিতে বিবেচনা করেন, যেহেতু [[পাকিস্তান]] এর [[খোরাসান]]ও [[হিন্দুস্তান]] বা হিন্দে অবস্থিত। কারণ অন্য হাদিসে খোরাসানের ধর্মযোদ্ধাদের ঈসা ইবনে মরিয়মের সাথে যুক্ত হবার কথা উল্লেখ আছে।
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন]]
২৫,২৪৪টি

সম্পাদনা