"এস ডি রুবেল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
== পেশাগত জীবন ==
তিনি "অশ্রু "একক অ্যালবাম দিয়ে সংগীত শিল্পে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি "অনেক বেদনা ভরা জীবন" , 'লাল বেনরশী' গানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। গায়কের পাশাপাশি তিনি একাধারে একজন গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক ।প্রযোজক। তিনি প্রায় ৮-১০টির মত নাটক ও টেলিফিল্মের প্রযোজনা করেছেন।এসকরেছেন। এস ডি রুবেল প্রায় ১৪০০ নতুন বাংলা গানে, অডিও অ্যালবাম এর জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন।অন্যদিকেদিয়েছেন। অন্যদিকে প্রায় ১০০ টি চলচিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন , এছাড়া ২ টি চলচিত্রে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেনকরেছেন। ।এসএস ডি রুবেল বাংলাদেশের প্রথম গায়ক যিনি প্রথম, গায়ক থেকে নায়ক হয়েছেন এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক একটি চলচিত্র পরিচালনা করেছেনকরেছেন। ।এসএস ডি রুবেল অন্যদিকে নাটক , মিউজিক  ভিডিও, বিজ্ঞাপন,ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান , ডকু ড্রামা পরিচালনা করেছেন এবং করেছেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রযোজনা ।
 
২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক উপকমিটির সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান রুবেল । তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালে কলেজ ছাত্রলীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮ সালে নিজের কথা ও সুরে ‘আমি নই মুসলিম/হিন্দু বৌদ্ধ-খ্রিস্টান/ পরিচয় বাংলাদেশের আমি এক বাঙালি’। গানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে ফিলার সং হিসেবে বাজানো হলে তৎকালিন একজন সংসদ সদস্য গানটির বিরুদ্ধে সংসদে বক্তব্য দেয়। এ সূত্রে ২০০২ সালে রুবেলকে [[বাংলাদেশ টেলিভিশন|বাংলাদেশ টেলিভিশনে]] লিখিতভাবে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।
১৫,৬৫৫টি

সম্পাদনা