চকোয়া চাউল: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(নতুন)
 
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
}}
'''চকোয়া চাউল''' বা '''চকোয়া ধান''' [[আসাম]]-এর বিভিন্ন স্থানে উৎপাদিত একধরনের ব্যাপক জাতের শালিধান। এই চালটিতে এমিলুজ উপাদান (শর্করা অণু) তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পাওয়া যায়। অন্য চালসমূহে এমিলুজ উপাদান ২০-২৭% হওয়ার পরিবর্তে চকোয়া চাউলে এই পরিমাণ ১২-১৭% হয়।<ref name="GIR">{{citeসাময়িকী journalউদ্ধৃতি | urlইউআরএল=http://www.ipindia.nic.in/writereaddata/Portal/IPOJournal/1_4799_1/Journal_124.pdf | titleশিরোনাম=CHOKUWA RICE OF ASSAM | journalসাময়িকী=GEOGRAPHICAL INDICATIONS JOURNAL | yearবছর=2019 | month=অক্টোবর | issueসংখ্যা নং=১২৪ | pagesপাতাসমূহ=৮-১৩}}</ref> চকোয়া চাউল কিছু পরিমাণে আঠাজাতীয় হয়। উইলিয়াম উইলসন হান্টার ১৮৭৯ সালে প্রকাশ পাওয়া তাঁর গ্রন্থ ''এ স্ট্যাটিষ্টিকাল একাউন্ট অফ আসাম''য়ে আসামে পাওয়া ৮৭ ধরনের চালের কথা উল্লেখ করেছেন এবং এর মধ্যে চকোয়া চাউল অন্যতম। চকোয়া চাউল এতটাই নরম যে আসামের লোকেরা একে রান্না না করে কেবল জলে ভিজিয়ে রেখেই কোমক চাউল হিসাবে ব্যবহার করেন।<ref name="SAOA">{{citeবই bookউদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=A Statistical Account of Assam | publisherপ্রকাশক=Trubner & Co. | authorলেখক=Hunter William Wilson | yearবছর=১৮৭৯ | locationঅবস্থান=লণ্ডন | pagesপাতাসমূহ=২৫০, ২৫৩, ৩০০, ৩৭০}}</ref> বুরঞ্জীবিদ [[সূর্যকুমার ভূঞা]] ''হিষ্ট্রি অফ আসাম'' শীর্ষক গ্রন্থে [[আহোম সাম্রাজ্য|আহোম]] সৈন্যবাহিনী চকোয়া চাউল থেকে প্রস্তুত করা কোমক চাউল খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করেছেন।<ref name="HOA">{{citeবই bookউদ্ধৃতি | titleশিরোনাম=History of Assam | authorলেখক=Bhuyan SK | yearবছর=১৯৬৫}}</ref>
===বিবরণ===
 
===ভৌগোলিক স্বীকৃতি===
২০১৬ সালে যোরহাটের ''সেউজ সতীর্থ'' নামের এক প্রতিষ্ঠান [[আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়]]-এর সহযোগতিয় চকোয়া চাউলকে ভৌগোলিক স্বীকৃতি প্রদানের জন্য আবেদন জানান। ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবরে প্রকাশ পাওয়া ভারত সরকারের ভৌগোলিক স্বীকৃতি পঞ্জীয়ন বিভাগ থেকে প্রকাশিত পত্রিকার ১২৪ সংখ্যক সংস্করণে চকোয়া চাউলকে [[ভৌগোলিক স্বীকৃতি]] প্রদান করা হয়।<ref name="TS">{{citeসংবাদ newsউদ্ধৃতি | urlইউআরএল=https://www.sentinelassam.com/north-east-india-news/assam-news/traditional-scarf-gamosa-of-assam-gets-geographical-indications-tag/ | titleশিরোনাম=Traditional Scarf (Gamosa) of Assam gets Geographical Indications tag | workকর্ম=The Sentinel | dateতারিখ=November 18, 2019 | accessdateসংগ্রহের-তারিখ=April 12, 2020}}</ref>
===তথ্যসূত্র===
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা