"স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

স্থূল শব্দটি ভীষণ স্থূল মনে হচ্ছে। এখানে গ্রস বলতে যা বোঝায় তা কোনমতেই সস্থূল নয়। এর সঠিক পরিভাষা হবে মোট। বিভিন্ন অর্থনীতির বইতেও জিডিপির পরিভাষা হিসেবে মোট দেশজ উৎপাদন ব্যবহার করা হয়। অর্থনীতির ভূক্তি সংযোজন করলে অর্থনীতির পরিভাষাতেই করা উচিত, অভিধান থেকে নয়।
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
(স্থূল শব্দটি ভীষণ স্থূল মনে হচ্ছে। এখানে গ্রস বলতে যা বোঝায় তা কোনমতেই সস্থূল নয়। এর সঠিক পরিভাষা হবে মোট। বিভিন্ন অর্থনীতির বইতেও জিডিপির পরিভাষা হিসেবে মোট দেশজ উৎপাদন ব্যবহার করা হয়। অর্থনীতির ভূক্তি সংযোজন করলে অর্থনীতির পরিভাষাতেই করা উচিত, অভিধান থেকে নয়।)
[[চিত্র:Gdp nominal and ppp 2005 world map single colour.png|thumb|300px|[[আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল|আইএমএফ]] ২০০৫ সাপেক্ষে মোট নামিক জিডিপির সাথে [[পিপিপি]] এর তুলনা]]
 
কোনও একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের '''স্থূলমোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন''' ('''মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন''', '''সামষ্টিক অভ্যন্তরীণ উৎপাদন)''' বা '''জিডিপি''' নামেও পরিচিত) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ঐ অঞ্চলের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মোট বাজারমূল্যকে বোঝায়, যা অঞ্চলটির অর্থনীতির আকার নির্দেশ করে। বিবেচ্য অঞ্চলটি যদি একটি দেশ হয়, তবে একে '''মোট দেশজ উৎপাদন''' নামেও ডাকা হয়। স্থূলমোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে পণ্য ও সেবার উপর সংযোজিত মূল্যের সমষ্টি হিসেবেও দেখা হয়। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত [[যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রে]] '''জিএনপি''' বা '''স্থূলমোট জাতীয়দেশজ উৎপাদন''' অর্থনীতি পরিমাপক হিসেবে ব্যবহৃত হত। জিডিপি এবং জিএনপি প্রায় সমার্থক, তবে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। জিডিপি একটি এলাকা নিয়ে চিন্তা করে যেখানে পণ্য বা সেবা উৎপাদিত হয়। অন্যদিকে জিএনপি (বা জিএনআই, স্থূলমোট জাতীয় আয়) একটি অঞ্চলের উদ্ভূত আয় নিয়ে চিন্তা করে।
 
জিডিপি পরিমাপ ও বোঝার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হচ্ছে ব্যয় পদ্ধতি:
 
:''স্থূলমোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন = [[ভোগ]] + [[বিনিয়োগ]] + ([[সরকারী ব্যয়]]) + ([[রপ্তানি]] − [[আন্তর্জাতিক বাণিজ্য|আমদানি]])''
 
"গ্রোস" বা ''স্থূলমোট'' বলতে বোঝাচ্ছে [[মূলধনী মজুত|মূলধনী মজুতের]] ওপর [[অবচয়]] গণনায় ধরা হয়নি। অবচয় হিসেব করলে এবং নীট বিনিয়োগ ধরলে পাওয়া যাবে প্রকৃত [[নীট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন|অভ্যন্তরীণ উৎপাদন]]। এই সমীকরণের ভোগ ও বিনিয়োগ হচ্ছে চূড়ান্ত পণ্যের উপর ব্যয়। সমীকরণের রপ্তানি থেকে আমদানি বিয়োগের অংশটি ('''ক্রমসঞ্চয় রপ্তানি''' নামেও ডাকা হয়) এরপর এই ব্যয়ের যে অংশটি দেশে উৎপাদিত হয়নি তার সমতা রক্ষা করে।
 
অর্থনীতিবিদগণ সাধারণ ভোগকে দুভাগে ভাগ করেছেন; ব্যক্তিগত ভোগ এবং সরকারী খাত। তাত্ত্বিক সমষ্টিকেন্দ্রিক অর্থবিদ্যা অনুসারে ভোগকে দুই ভাগে বিভক্তের সুবিধা হচ্ছে:
বেনামী ব্যবহারকারী