"বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(103.129.36.19-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে 103.129.36.21-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
}}
 
'''বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের''' (বিটিসি) <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/frontpage/transit-fee-too-low-1239754|শিরোনাম=Transit fee too low|তারিখ=15 June 2016|ওয়েবসাইট=The Daily Star|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=27 April 2017}}</ref> স্বায়ত্ত্বশাসিত জাতীয় সংবিধিবদ্ধ কাঠামো যা আমদানির উপর শুল্ক স্থাপন, গার্হস্থ্য শিল্পের সুরক্ষা, এবং বাংলাদেশ বিদেশি পণ্যের ডাম্পিং নিয়ন্ত্রণ করে। [[ঢাকা]], [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] অবস্থিত। <ref name="tcb2">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://en.banglapedia.org/index.php?title=Tariff_Commission|শিরোনাম=Tariff Commission|শেষাংশ=Bala|প্রথমাংশ=Swapan Kumar|ওয়েবসাইট=en.banglapedia.org|প্রকাশক=Banglapedia|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=27 April 2017}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.thedailystar.net/business/sugar-should-retail-tk-55-56-kg-official-1240750|শিরোনাম=Sugar should retail at Tk 55-56 a kg: official|তারিখ=17 June 2016|ওয়েবসাইট=The Daily Star|ভাষা=en|সংগ্রহের-তারিখ=27 April 2017}}</ref> বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন মোঃ নূর-উর-রহমান।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.btc.gov.bd/site/office_head/4b67d336-7036-4067-a7a8-ebfcf02e1c47/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4|শিরোনাম=বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন|শেষাংশ=|প্রথমাংশ=|তারিখ=|ওয়েবসাইট=ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট|ভাষা=bn|আর্কাইভের-ইউআরএল=|আর্কাইভের-তারিখ=|সংগ্রহের-তারিখ=2019-10-12}}</ref>
 
== ইতিহাস ==
==মনিটরিং সেল==
বিটিসি বাজার অর্থনীতি, অর্থনৈতিক পরিবেশ, দ্বি-পাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ও শুল্ক চুক্তি বিবেচনায় এনে সুপারিশ প্রদান করে থাকে। প্রয়োজনে কমিশন গণশুনাণির আয়োজন করে থাকে। বাজারের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কমিশনের ‘মনিটরিং সেল’ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করে। ট্যারিফ কমিশনের "মনিটরিং সেল" বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এ পদ্ধতির সাথে চিনি ও ভোজ্যতেল প্রাথমিকভাবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।
১৫ জুলাই ২০১২ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় [[পিঁয়াজ]], [[রসুন]], [[মশুর ডাল]], [[ছোলা]], সব ধরণেরধরনের [[মশলা]] এবং খাবার [[লবণ]] কে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। এসব পণ্যেরও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মূল্য পর্যালোচনা করে মতামত প্রণয়ন করে।
 
==তথ্যসূত্র==
১,৮৬,১২৭টি

সম্পাদনা