"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(2405:204:4089:2238:0:0:15A7:60A1-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে সানন্দ বিশ্বাস-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: পুনর্বহাল
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
 
== কারণ ==
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবে এ নিয়ে একটি সাধারণ ধারণা রয়েছে যা অনেকাংশে গ্রহণযোগ্য। এই কারণটি যুদ্ধোত্তর সময়ে [[মিত্রশক্তি]]র দেশসমূহের মধ্যে তোষণ নীতির মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায় যা নির্দেশক শক্তির ভূমিকা পালন করে [[যুক্তরাষ্ট্র]] এবং [[ফ্রান্স]]। [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধের]] পর [[জার্মানি]] এবং জাপানের আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদকে দায়ী করে এই কারণটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে যার বিস্তারিত এখানে উল্লেখিত হচ্ছে। তাছাড়া
 
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি তার সম্পদ, সম্মান এবং ক্ষমতার প্রায় সবটুকুই হারিয়ে বসে। এর [[সাম্রাজ্যবাদ|সাম্রাজ্যবাদী]] চিন্তাধারার মূল কারণ ছিল জার্মানির হৃত [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]], সামরিক এবং ভূমিকেন্দ্রিক সম্পদ পুণরুদ্ধার করা এবং পুণরায় একটি বিশ্বশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। এর পাশাপাশি [[পোল্যান্ড]] এবং [[ইউক্রেন|ইউক্রেনের]] সম্পদসমৃদ্ধ ভূমি নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি উদ্দেশ্য হিসেবে কাজ করেছে। জার্মানির একটি জাতীয় আকাঙ্ক্ষা ছিল [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ|প্রথম বিশ্বযুদ্ধের]] পরপর সম্পাদিত [[ভার্সাই চুক্তি]] হতে বেরিয়ে আসার। এরই প্রেক্ষাপটে [[এডলফ হিটলার|হিটলার]] এবং তার [[নাজি]] বাহিনীর ধারণা ছিল যে একটি জাতীয় বিপ্লবের মাধ্যমে দেশকে সংগঠিত করা সম্ভব হবে।
বেনামী ব্যবহারকারী